নেপাল ও চীনে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় অন্তত ৫৮৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে শুধু নেপালেই ৫৭৯ জনের মরদেহ মিলেছে। আর চীনের তিব্বতে এখন পর্যন্ত পাঁচ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুই দেশ মিলিয়ে এখনো নিখোঁজ রয়েছে প্রায় ২৫০০ মানুষ।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এবং চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে এ সব তথ্য জানা গেছে।
ট্র্যাজেডির তৃতীয় দিনেও উদ্ধার তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনীর ১৪ হাজারেরও বেশি সদস্য উদ্ধারকাজে যোগ দিয়েছেন। তারা এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ৭৪২ জনকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছেন।
নেপালের ইতিহাসে এ বন্যা সবচেয়ে প্রাণঘাতী বিপর্যয়। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানায়, একটি হিমবাহ ধসে বরফ ও কাদা-মাটির মিশ্রণ তৈরি হওয়া ঢলে এ বিপর্যয় নেমে আসে।
তিব্বত অংশে একটি বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর নেপাল পুলিশ শুক্রবার নতুন করে নিরাপত্তা ও জরুরি সতর্কতা জারি করেছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী, উদ্ধারকারী দল ও ত্রাণকর্মীদের সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে অবিলম্বে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
পাহাড়ধস ও ধ্বংসাবশেষ জমে সৃষ্ট একটি অস্থায়ী কৃত্রিম হ্রদের পানি উপচে পড়তে শুরু করায় তিব্বতের সীমান্ত এলাকায় উদ্ধার অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিল চীন কর্তৃপক্ষ। তবে পানি স্বাভাবিকভাবে বের হয়ে ঝুঁকি কমে আসায় দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, উদ্ধার তৎপরতা পুনরায় শুরু করা হয়েছে।
সূত্র: এনডিটিভি