শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬,
১৪ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: বাংলাদেশের মক্কা চুক্তিতে যোগদানের ইচ্ছা, নজর রাখছে ভারত      বিনা খরচে ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী নিচ্ছে মালয়েশিয়া      পৃথিবীর সব দেশকে সতর্ক করল ইরান      মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের তালিকায় যুক্ত হলো ৩৩৮ বাংলাদেশি এজেন্সি      ডেঙ্গুতে নতুন করে ৩৪২ জন হাসপাতালে      হামের উপসর্গে পাঁচ শিশুর মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৭০      মুদি পণ্যের বাজার অস্থিরতা, বাড়ছে তেল-চিনি-ময়দা-ডিমের দাম      
দেশজুড়ে
ঘিওর খাদ্যগুদামে চাল-গমের ঘাটতি, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত
রাশেদ চৌধুরী, মানিকগঞ্জ
প্রকাশ: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬, ১১:১৬ এএম আপডেট: ২৯.০৮.২০২৬ ১১:১৯ এএম
 বরখাস্ত দুই কর্মকর্তা

বরখাস্ত দুই কর্মকর্তা

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলা খাদ্যগুদামে মজুত করা চাল ও গমের হিসাবে বড় ধরনের গরমিলের অভিযোগে দুই কর্মকর্তাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে খাদ্য অধিদপ্তর। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। দাপ্তরিক হিসাব ও প্রকৃত মজুত যাচাইয়ের সুবিধার্থে খাদ্যগুদামটি সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) খাদ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (সংস্থাপন) অনির্বাণ ভদ্রের সই করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে তাদের সাময়িক বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মানিকগঞ্জের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আইয়ুব রায়হান।

বরখাস্ত হওয়া দুই কর্মকর্তা হলেন ঘিওর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফারহানা আক্তার ও খাদ্য পরিদর্শক বিপুল কুমার।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ঘিওর উপজেলা খাদ্যগুদামের মজুত হিসাব যাচাই করে ১০০ টন চাল ও ২০ টন গমের ঘাটতি পাওয়া গেছে। বিপরীতে ৪১ টন ধান বেশি পাওয়া গেছে। এছাড়া গুদামে ৬ হাজার ৫০০টি বস্তারও ঘাটতি পাওয়া যায়।

খাদ্য অধিদপ্তরের গঠিত একটি কমিটি গত ২৫ আগস্ট ঘিওর উপজেলা খাদ্যগুদাম সরেজমিন পরিদর্শন করে মজুত যাচাই করে। এ সময় খাদ্যশস্য ও বস্তার হিসাবে এসব গরমিল ধরা পড়ে। পরে কমিটি বিষয়টি খাদ্য অধিদপ্তরের প্রশাসন বিভাগের উপপরিচালককে অবহিত করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বিভাগীয় কার্যক্রম সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্তভাবে সম্পন্ন করার স্বার্থে ওই দুই কর্মকর্তাকে চাকরিতে বহাল রাখা সমীচীন নয়। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী অসদাচরণের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্র জানায়, খাদ্য অধিদপ্তরের আওতাধীন খাদ্যগুদামগুলোতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে বিশেষ নিরীক্ষা কার্যক্রম চলছে। এর অংশ হিসেবে ঢাকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি দল ঘিওর খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করে। তাঁরা গুদামের হিসাব, খাতাপত্র ও দাপ্তরিক নথি পর্যালোচনার পাশাপাশি প্রকৃত মজুতও যাচাই করেন।

হিসাবের গরমিল ও সাময়িক বরখাস্তের বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য পরিদর্শক বিপুল কুমার বলেন, “বিষয়টি তদন্ত চলছে। আমি কোনো মন্তব্য করব না।”

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ফারহানা আক্তারের মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যাওয়ায় তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

মানিকগঞ্জের জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আইয়ুব রায়হান বলেন, “খাদ্য বিভাগে শতভাগ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে খাদ্য অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসনের নির্দেশে বিশেষ নিরীক্ষা চলছে। এর অংশ হিসেবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি দল ঘিওর খাদ্যগুদাম পরিদর্শন করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “দাপ্তরিক হিসাব ও প্রকৃত মজুত যাচাইয়ের সুবিধার্থে গুদামটি সাময়িকভাবে সিলগালা করা হয়েছে। নিরীক্ষা ও যাচাই শেষ হলে গুদামটি খুলে দেওয়া হবে।”


কেকে/সাশ 





আরও সংবাদ   বিষয়:  ঘিওর   খাদ্যগুদামে ঘাটতি   কর্মকর্তা বরখাস্ত  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close