বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে অভিযান চালিয়ে মাটির নিচে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ১ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-১৫)। এ ঘটনায় জাহাঙ্গীর আলম (৪২) নামের ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার সদর ইউনিয়নের জালিয়াছড়ি এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে র্যাব-১৫।
র্যাব জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, জালিয়াছড়ি এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের বসতবাড়িতে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য মজুত করা হয়েছে। পরে র্যাবের একটি দল ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় র্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করা হয়।
পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বসতবাড়ির উঠানের পাশে মাটির নিচে বিশেষভাবে বস্তাবন্দি করে রাখা ১০টি বান্ডেল উদ্ধার করা হয়। এসব বান্ডেলে মোট ১ লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট ছিল। এ ছাড়া মাদক কারবারে ব্যবহৃত একটি বাটন মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়।
গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীর আলম নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের জালিয়াছড়ি এলাকার আলী আহমদ ও গুলবাহার দম্পতির ছেলে।
র্যাবের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জাহাঙ্গীর আলম দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকা থেকে কৌশলে মাদক সংগ্রহ করে বান্দরবানসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি ও সরবরাহ করার কথা স্বীকার করেছেন।
র্যাব-১৫-এর সহকারী পরিচালক (ল অ্যান্ড মিডিয়া) ও সহকারী পুলিশ সুপার আ. ম. ফারুক জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা করার প্রক্রিয়া চলছে।
তিনি বলেন, “মাদকের মতো অভিশাপ নির্মূল এবং দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে র্যাব-১৫-এর এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”
কেকে/সাশ