ডিজিটাল প্রশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সেবার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) আনুষ্ঠানিকভাবে ডি-নথি কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল লতিফ এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) সার্বিক সহযোগিতায় এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়।
প্রধান অতিথির ব্ক্তব্যে অনুষ্ঠানে আব্দুল লতিফ বলেন, ‘বর্তমানে আধুনিক, দক্ষ ও স্বচ্ছ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে ডিজিটাল সেবা ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই।’
ডি-নথি কার্যক্রম চালুর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও দ্রুত, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও পরিবেশবান্ধব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আব্দুল লতিফ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতা, দক্ষতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মুহাম্মদ আবুল বাশার, অর্থ ও হিসাব বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ড. একেএম. রুহুল আমিন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এম. সালাহউদ্দিন মাহমুদ চৌধুরী, আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রজ্জব আলী, সাউরেসের পরিচালক ড. এফএম আমিনুজ্জামান, আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. জামিলুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কৃষিবিদ খোন্দকার আসাদুজ্জামান, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ মো. নজরুল ইসলাম, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মোহা. আশাবুল হক এবং প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আরফান আলী।
ডি-নথি কার্যক্রমের উদ্বোধনের মাধ্যমে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ডিজিটাল প্রশাসনিক রূপান্তরের পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। এ উদ্যোগের ফলে দাপ্তরিক কার্যক্রমে সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ের পাশাপাশি সেবার গতি বৃদ্ধি, নথি সংরক্ষণে আধুনিকায়ন এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও সুদৃঢ় হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, ডি-নথি কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) থেকে তিন দিনব্যাপী হাতে-কলমে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কার্যালয়, উপ-উপাচার্যের কার্যালয়, কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়, আইকিউএসি, সাউরেস, আইসিটি সেল, রেজিস্ট্রারের কার্যালয়, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদ এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে ডি-নথি ব্যবস্থার কার্যকর ব্যবহার, নথি ব্যবস্থাপনা ও ডিজিটাল দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।
কেকে/এমএ