চীনের আগ্রহে আয়োজন করা হয়েছিল প্রীতি ম্যাচ। প্রস্তুত ছিল মাঠ, নির্ধারিত সময়ে প্রস্তুত ছিল বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলও। তবে শেষ পর্যন্ত মাঠে দেখা মেলেনি চীনের মেয়েদের।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টায় ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ে বাংলাদেশ দল মাঠে গেলেও চীনের দল আসেনি।
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের ম্যানেজার ফাইয়াজ আহমেদ বলেন, ‘৯টার ম্যাচের জন্য আমরা সাড়ে ৭টায় মাঠে আসি। এসে শুনি কিউরেটর বলছে—খেলা হবে না। কিছুক্ষণ পর জানতে পারি চীন আসবে না। চীন না আসায় আগামীকাল সেমিফাইনালের জন্য আমরা প্র্যাকটিস করছি।’
চীনের আগ্রহেই প্রীতি ম্যাচটি খেলতে রাজি হয়েছিল বাংলাদেশ। অথচ সব প্রস্তুতি শেষ করার পর চীনের দল মাঠে না আসায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের শেফ দ্য মিশন ইমরোজ আহমেদ।
তিনি বলেন, ‘ওসিএ (অলিম্পিক কাউন্সিল অব এশিয়া) আমাদের অনুরোধ করেছিল তাদের সঙ্গে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলতে। বিসিবির সঙ্গে আমরা যোগাযোগ করে ম্যাচ খেলতে রাজি হই। সব কিছু সম্পন্ন করে এখন তারা আসেনি, এটি আমি ওসিএকে জানিয়েছি।’
চীন বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে আগ্রহ প্রকাশ করলেও শেষ পর্যন্ত কেন মাঠে আসেনি, তা স্পষ্ট নয়। এ বিষয়ে চীনা দলের কোনো বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
তবে ইমরোজ আহমেদ মনে করছেন, ম্যাচটি নিয়ে কোনো ভুল বোঝাবুঝি হয়ে থাকতে পারে। তিনি বলেন, ‘তারা পুনরায় আনুষ্ঠানিক ম্যাচ চেয়েছিল। সেটাতে আমরা রাজি হইনি। আমরা প্রীতি ম্যাচ খেলতে চেয়েছি তাদের অনুরোধের প্রেক্ষিতেই। আমাদের ও চীনের সঙ্গে যারা যোগাযোগ মধ্যস্থতায় ছিল, তারা হয়তো চীনকে ভালোভাবে বিষয়টি বোঝাতে পারেনি।’
এর আগে এশিয়ান গেমসের নারী ক্রিকেটের কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ ও চীনের মুখোমুখি হওয়ার কথা ছিল। তবে কয়েক দিনের বৃষ্টিতে মাঠ ভেজা থাকায় ম্যাচটি মাঠে গড়ায়নি। আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকার সুবাদে বাংলাদেশ সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয়। এরপর দুই দলের মধ্যে একটি প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল।
কেকে/সাশ