নীলফামারীতে পুষ্টিবাড়ি এগ্রিকালচার ইন্ডাস্ট্রিজের ‘পাই-১০০১ ধান বীজ’ এর বার্ষিক বিজনেস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা শহরের স্কাই ভিউ কমিউনিটি সেন্টার ও রেস্টুরেন্টের সভাকক্ষে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
রংপুর বিভাগের রংপুর, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও জেলার শতাধিক পাই ধান বীজ এজেন্টরা এতে অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বিপণনে ভালো অবদান রাখায় দশ এজেন্টকে (ডিলার) সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সম্মেলনে বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান, পরিচালক (অর্থ) হাসিবুল ইসলাম, বিপণন বিভাগের প্রধান শহীদুল ইসলাম, সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের আলমগীর হোসেন, গোড়গ্রাম ইউনিয়নের এনামুলক হক, পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের আব্দুর রহিম প্রমুখ।
সম্মেলনে জানানো হয়, ২০১৯ সালে ‘পাই-১০০১’ মাত্র ১৩ কেজি বীজ দিয়ে যাত্রা শুরু করে। আপনাদের সকলের সহযোগীতায় ২০২৬ সালে বাজারে পাই ধানবীজ ৭০ টনে পৌঁছেছে।
পরে প্রেস ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যম কর্মীদের জানানো হয় ‘পাই-১০০১’ ধানবীজের ভালো ফলন হয়, রোগ বালাই তেমন নেই এবং এ জাতের ধানের ভাত খেতেও সুস্বাদু। বিঘা প্রতি ৩৫মন পর্যন্ত ধান হয়ে থাকে।
পুষ্টিবাড়ি এগ্রিকালচার ইন্ডাস্ট্রিজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেহেদী হাসান জানান, মাত্র কয়েক বছরে কৃষকদের আস্থা অর্জন করতে পেরেছি আমরা। প্রতি বছরই এ ধানবীজের চাহিদা বাড়ছে। আসছে বোরো মৌসুমে ৭০ টন ধানবীজ নীলফামারী জেলার কৃষকদের মাঝে বিক্রি করা হবে।
মেহেদী হাসান বলেন, ‘এ ধানবীজ রোগ প্রতিরোধক জাত, অল্প সময়ে মিরাকল ফলন, রান্নার পর ভাত অন্তত ১৬ ঘন্টা সুরক্ষিত থাকে। বিএসটিআই মান নিয়ন্ত্রিত ধানবীজ রংপুর বিভাগে আমরা ব্র্যান্ডিং করতে চাই।’
কেকে/এআই