আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় মধ্যরাতে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগমকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মো. ইবনে মিজান।
তিনি জানান, আইন অনুযায়ী গ্রেপ্তার দুজনের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
এর আগে, রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে মরিয়ম খাতুনের (১৯) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ফ্ল্যাটটি সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের বলে জানিয়েছে পুলিশ।
খবর পেয়ে শেরেবাংলা নগর থানা, ডিবি, সিআইডি ও পিবিআইয়ের দল ঘটনাস্থলে যায়। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে আলামতও সংগ্রহ করা হয়েছে।
মরিয়মের বাবা মো. মাসুম বিল্লাহ বাদী হয়ে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন। মামলায় গাজী নজরুল ইসলাম, তার প্রথম স্ত্রী মাকসুদা বেগম এবং মরিয়মের এক মামাকে আসামি করা হয়েছে।
গাজী নজরুল ইসলাম ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। জুলাইয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে ও মরিয়ম খাতুনকে ঘিরে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। পরে গাজী নজরুল ইসলাম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মরিয়মকে তার দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে উল্লেখ করেন।
এর পর ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে। দলটির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি দেওয়া হয়।
কেকে/ এমএস