আর কিছুদিন পর শুরু হতে যাচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। তাই ঘরে ঘরে দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলায় ১৩০টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এ জন্য প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নবীনগরের মৃৎশিল্পীরা।
আগামী ১৭ অক্টোবর ষষ্ঠী তিথিতে শুরু হবে এ পূজা এবং ২১ অক্টোবর দশমী তিথিতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।
প্রতি বছরের মতো এবারও সনাতনী পঞ্জিকা অনুযায়ী মহালয়া হবে ১০ অক্টোবর। ১৭ অক্টোবর মহাষষ্ঠী তিথিতে হবে বোধন ও ষষ্ঠী বিহিত পূজা। পরদিন ১৮ অক্টোবর মহাসপ্তমী পূজার মাধ্যমে শুরু হবে দুর্গাপূজার মূল অনুষ্ঠান। ১৯ অক্টোবর মহাঅষ্টমী, ২০ অক্টোবর মহানবমী এবং ২১ অক্টোবর মহাদশমী বা বিজয়া দশমী। এদিন প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।
উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা যায়, কাদা-মাটি, বাঁশ ও খড় দিয়ে শৈল্পিক ছোঁয়ায় গড়ে তোলা দেবী দুর্গার প্রতিমা তৈরিতে দিনরাত ব্যস্ত সময় পার করছেন প্রতিমা কারিগররা।
প্রতিমা তৈরির কারিগর মনেন্দ্র পাল (৫৭) বলেন, “প্রতি বছর এ সময়ে ৫০-৫৫টি পূজামণ্ডপের কাজ করে থাকি। এ বছর মাত্র ৩৪টি পূজামণ্ডপের কাজ করছি। এ বছর প্রতিটি প্রতিমার দাম প্রায় অর্ধলক্ষ টাকা চাওয়া হচ্ছে।”
একই কথা বলেন বিজয় পাল এবং বিভিন্ন পূজামণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজে আসা শিল্পীরা।
নবীনগর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্যসচিব ও সাংবাদিক সঞ্জয় সাহা বলেন, “এ বছর নবীনগর উপজেলায় ১৩০টির বেশি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা পালন করতে প্রশাসন নিরাপত্তা থেকে শুরু করে সর্বপ্রকার সহযোগিতা করবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করেছে।”
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, “আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে পালনের লক্ষ্যে কেন্দ্র থেকে যে নির্দেশনা আসবে, সবাইকে নিয়ে মিটিং করে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কেকে/সাশ