সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার পর সেটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী ১২ অক্টোবর বাংলাদেশ সময় রাত ৩টা পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে বলে জানানো হয়েছে। হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ ১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে, যাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
শনিবার (১০ অক্টোবর) রাতে বিমানবন্দরটির যাত্রী টার্মিনাল লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়। সৌদি আরবের জেনারেল অথরিটি অব সিভিল এভিয়েশন (জিএসিএ) বিবৃতিতে হতাহতের এ তথ্য জানিয়েছে।
বিবৃতি অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে চারজন সৌদি নাগরিক, দুজন বাংলাদেশি এবং যুক্তরাষ্ট্র, মিসর, জর্ডান, সিরিয়া, ফিলিস্তিন ও সুদানের একজন করে নাগরিক রয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। হামলায় স্থাপনা ও সম্পদেরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীকে হামলার জন্য দায়ী করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট, যারা ইয়েমেনে গোষ্ঠীটির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। জোটটি এ ঘটনাকে ‘পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধাপরাধ’ হিসেবে অভিহিত করেছে।
জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি বলেছেন, ‘আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী এ সন্ত্রাসী হামলার জবাব দৃঢ়ভাবে দেওয়া হবে।’
এ দিকে সৌদি আরবের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরকে ঘিরেও হামলার খবর পাওয়া গেছে। আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া পোস্টে জানিয়েছেন, দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আশপাশে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে।
রিয়াদের বিমানবন্দরে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া পোস্টে তিনি সৌদি আরবে হুথিদের হামলার, বিশেষ করে কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার, কঠোর নিন্দা জানান।
কেকে/এআই