দীর্ঘ চার বছরের দীর্ঘ ও ধৈর্যের সুদীর্ঘ পথপরিক্রমা শেষে ৪৫তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলের পর সম্প্রতি স্বাস্থ্য ক্যাডারে সহকারী সার্জন পদে নিয়োগের গেজেট পেয়েছেন কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার কৃতি সন্তান ডা. মো. জাহিদ হাসান। এই অর্জনে তার পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও এলাকাবাসীর মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার।
মো. জাহিদ হাসান বুড়িচং পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আরাগ আনন্দপুর গ্রামের হা ইস্কুলের উ. পাশের বাড়ির মো. জসিম উদ্দিনের বড় ছেলে। শিক্ষা ও মেধার দ্যুতি ছড়ানো এই পরিবারে তার এক বোন রয়েছেন, যিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) থেকে উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেছেন।
শিক্ষা জীবনের সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনকারী জাহিদ হাসান বর্তমানে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (সাবেক পিজি হাসপাতাল) এমএস (ফেইজ-এ নিউরোসার্জারি) কোর্সে অধ্যয়নরত আছেন। এছাড়াও তিনি ৪৮তম বিসিএস থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। বুড়িচং জনপদের বিখ্যাত বিদ্যাপীঠ সোনার বাংলা কলেজ হতে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করা এবং কুমিল্লা জিলা স্কুল থেকে মাধ্যমিক শেষ করা জাহিদ হাসান নানা সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ।
বিসিএসের এই দীর্ঘ পথচলা সম্পর্কে অনুভূতি প্রকাশ করে জাহিদ হাসান বলেন, ‘২০২২ সালে সার্কুলার, ২০২৩ সালে প্রিলি, ২০২৪ সালে রিটেন, ২০২৫ সালে ভাইভা ও ২০২৬ সালে চূড়ান্ত নিয়োগ! ২০২২-২০২৬ সাল পর্যন্ত এটি ছিল এক লম্বা জার্নি। সবশেষে আল্লাহর দরবারে হাজার শুকরিয়া যে, উনি আমাকে এই জার্নিটা শেষ করার তৌফিক দান করেছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিষয়ক যেকোনো সমস্যায় বিনা সংকোচে যোগাযোগ করার অনুরোধ থাকলো। নিজের সামর্থ্যের মধ্যে দিয়ে সর্বোচ্চ সেবা ও সাহায্য করার চেষ্টা থাকবে, ইনশাআল্লাহ!’
জাহিদ হাসানের এই অনুপ্রেরণাদায়ক সাফল্য বুড়িচং উপজেলার তরুণ সমাজ ও ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের জন্য অনন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
কেকে/এমএ