মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬,
৪ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম: ● রাজশাহীতে ৩৮৯৭০ আখচাষিকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী      ● হামে শিশু মৃত্যু ১২০০ ছাড়াল      ● ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় ছয়জনের মৃত্যু, হাসপাতালে নতুন ভর্তি ১৩৬৬      ● ২৬-২৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর, বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ার প্রত্যাশা      ● ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, প্রজ্ঞাপন জারি      ● সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে প্রত্যাশিত দেশ গড়তে হবে: প্রধানমন্ত্রী      ● তারেক রহমানকে ঘিরে রাজশাহীতে উৎসবের আমেজ, উন্নয়ন নিয়ে যত প্রত্যাশা      
দেশজুড়ে
পূজার কার্যক্রম ছাড়াই সরকারি বরাদ্দ লোহাগাড়ার চার মন্দিরে, ক্ষোভ ও অসন্তোষ
ফাহাদ চৌধুরী, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম)
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬, ৬:০২ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকারি খাদ্য সহায়তা বরাদ্দ পাওয়া ১১৬টি পূজামণ্ডপের মধ্যে চারটিতে কোনো ধরনের পূজার কার্যক্রম না থাকার অভিযোগ উঠেছে। আয়োজনবিহীন এসব মণ্ডপের নামে বরাদ্দ চলে যাওয়ায় স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, চলতি বছর দুর্গাপূজা উপলক্ষে উপজেলার ১১৬টি মন্দিরের অনুকূলে জনপ্রতি মণ্ডপে ৬০০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয় সরকার। তবে এর মধ্যে ১১২টি মণ্ডপে যথাযোগ্য মর্যাদায় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হলেও বাকি চারটিতে উৎসবের কোনো আলামত নেই। বরাদ্দ পেয়েও কার্যক্রম শূন্য থাকা মন্দিরগুলো হলো—বড়হাতিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রী শ্রী শিব মন্দির ও শ্রী শ্রী মা চণ্ডী মন্দির, আমিরাবাদ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রী শ্রী শিব মন্দির এবং চুনতি ইউনিয়নের দক্ষিণ চুনতি শীলপাড়ার শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দির।

সোমবার (১৯ অক্টোবর) সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে গিয়ে দেখা যায়, এসব স্থানে দুর্গাপূজার কোনো আয়োজন নেই। নেই পুরোহিতের আরাধনা, ঢাক-ঢোল কিংবা শঙ্খের ধ্বনি। ছিল না নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি বা ভক্ত-দর্শনার্থীদের আনাগোনা। এমনকি একটি মন্দিরের স্থায়ী কোনো অবকাঠামোও চোখে পড়েনি। স্থানীয় পূজা উদযাপন কমিটির নেতাদের অভিযোগ, একটি অসাধু চক্র প্রকৃত অবস্থা আড়াল করে জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে এসব মন্দিরের নামে বরাদ্দ অনুমোদন করিয়ে নিয়েছে।

এ বিষয়ে আমিরাবাদ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের শ্রী শ্রী শিব মন্দির পরিচালনা কমিটির সভাপতি শিপ্রা দাশ জানান, এটি তাদের পারিবারিক মন্দির। এখানে দুর্গাপূজা না হলেও এক মাস পর জগদ্ধাত্রী পূজা অনুষ্ঠিত হবে এবং সেই পূজার উদ্দেশ্যেই সরকারি বরাদ্দটি নেওয়া হয়েছে।

বরাদ্দের প্রক্রিয়া নিয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহীদ আহমেদ জাকির বলেন, ‘উপজেলা দুর্গাপূজা উদযাপন পরিষদের নেতাদের দেওয়া তালিকার ভিত্তিতেই বরাদ্দ বণ্টন করা হয়েছে। প্রতিটি মন্দিরে সরেজমিনে তদারকি করার সুযোগ তাদের থাকে না।’

লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বায়েজীদ বিন-আখন্দ বলেন, ‘বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তবে এ ক্ষেত্রে প্রচলিত আইনে সরাসরি কোনো মামলা বা আইনি ব্যবস্থার সুযোগ সীমিত।’

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  পূজার কার্যক্রম   সরকারি বরাদ্দ   লোহাগাড়ার মন্দিরে   ক্ষোভ   অসন্তোষ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close