দেশের জনগণ জামায়াতকে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দিলে শাসক নয়, সেবক হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
তিনি বলেছেন, ‘জামায়াতে ইসলামী সাধারণ মানুষের দল, ১৮ কোটি মানুষের দল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির যে বিজয় হবে সেটি আমাদের একার বিজয় না, এটা সারাদেশের মানুষের বিজয়।’
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে লোহাগাড়া উপজেলার ঐতিহাসিক পদুয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান আরো বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে শহীদদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দিবো না। এদেশের যুবকরা একদিন গর্বের সাথে পরিচয় দিবে, এটা আমার বাংলাদেশ। বীরেরা পালায় না, বীরেরা বিজয়ী হয়। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হবে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি। একটি নতুন বাংলাদেশ উপহার দিতে কাজ করতে চাই। আপনারাও পরিশুদ্ধ হয়ে আমাদের সাথে কাজ করুন, আমাদের সাথে ফিরে আসুন। নির্বাচিত হলে চাঁদাবাজদের কোন প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। ইনসাফের সরকারের সুযোগ দিলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এই দেশ হবে ন্যায় ইনসাফের বাংলাদেশ। দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে সকলকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে চাই।’
দক্ষিণ জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি বদরুল আলমের সঞ্চালনায় জনসভায় বক্তব্য রাখেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্ণেল অলি আহমদ (বীর বিক্রম), জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির আনম শামশুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাবেক সভাপতি হামিদ হোসেন আজাদ, দক্ষিণ জেলা জামায়াতের সাবেক আমির জাফর সাদেক, চট্টগ্রাম-১৫ আসনের জামায়াতের মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১২ আসনের প্রার্থী ফরিদুল আলম, চট্টগ্রাম-১৩ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাহমুদুল হাসান, বান্দরবান ৩০০ আসনের ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন।
আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল সিবগাতুল্লাহ, ডাকসুর জিএস এসএম ফরহাদ, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সহকারি সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইছহাক, বান্দরবান জেলা জামায়াতের আমির এসএম আবদুস সালাম, নায়েবে আমির আবুল কালাম আজাদ, রাঙামাটি জেলা জামায়াতের আমির আবদুল আলী, নেজাম ইসলামী পার্টির আমির সরওয়ার কামাল আজিজি, খেলাফত মজলিসের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ইমরান ইসলামাবাদি, দক্ষিণ জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির হেলাল উদ্দিন নোমান, নেজাম ইসলামী পার্টির যুব সচিব নজরুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহমুদুল হক, ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ফরিদ উদ্দিন খাঁন, দক্ষিণ জেলা এলডিপির সভাপতি এয়াকুব আলী, দক্ষিণ জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি নুর হোসাইন, লোহাগাড়া উপজেলা জামায়াতের আমির আসাদুল্লাহ ইসলামাবাদী, চন্দনাইশ উপজেলা জামায়াতের আমির কুতুব উদ্দিন, সাতকানিয়া উপজেলা আমির মাওলানা কামাল উদ্দিন, উত্তর সাতকানিয়া সাংগঠনিক থানার আমির সিরাজুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা পশ্চিমের সভাপতি আবদুর রহিম, দক্ষিণ জেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আসাদুল্লাহ আরমান, পলাশ দাশ, এবি পার্টির যুগ্ম সম্পাদক যায়েদ হাসান চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা এলডিপির সেক্রেটারি গোলাম কিবরিয়া শিমুল, দক্ষিণ জেলা খেলাফত মজলিসের যুগ্ম সচিব মাহমুদুল করিম কাসেমি, নেজাম ইসলামী পার্টির দক্ষিণ জেলা নায়েবে আমির মহি উদ্দিন হেলালী, গণতান্ত্রিক যুবদলের সভাপতি নাছির উদ্দিন ও লেবার পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক জুনু মিঞা।
কেকে/এসএএস