মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: হামে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর, মোট মৃত্যু ৬৮৬      একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      
খোলাকাগজ স্পেশাল
গণভোট ও সংবিধান সংস্কার নিয়ে সংসদে তীব্র বিতর্ক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৮:৫৩ এএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করা গণভোট অধ্যাদেশ সরকারি দল বিএনপি সংসদে উত্থাপন না করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। দলটি জানিয়েছে, গণভোট হয়ে যাওয়ায় অধ্যাদেশটি সংসদে তোলার প্রয়োজন নেই।

বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানের প্রস্তাবের ওপর সংসদে আলোচনায় অংশ নেওয়া বিরোধীদলীয় সদস্যরা বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে যে সংস্কার দরকার, তা সংবিধান সংশোধন করে হবে না; বরং তাদের মতে, এজন্য দরকার হবে সংবিধান সংস্কার।

সরকারি দলের বিএনপি সদস্যরা বলেন, ‘জাতীয় জুলাই সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫’ রাষ্ট্রপতি জারি করলেও এটি বৈধ আইন নয়। বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘এ আদেশ অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতারণার দলিল। এটি অবৈধ; তবে আমরা জুলাই সনদের সব মূল বক্তব্য মেনে নেব।’ তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য যে জুলাই সনদ হয়েছে, সেটি তারা বাস্তবায়ন করবে।

বিএনপিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে নিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা দেখতে পাচ্ছেন বলে সংসদে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, সংবিধানের মৌলিক বিষয়গুলোতে বিরোধ নেই; সমস্যা রয়েছে শুধু বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায়। অন্যদিকে কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ৭২-এর সংবিধানের কিছু কিছু বিষয়কে উনারা সম্মান দিয়েছেন, কিছু কিছু বিষয়কে উনারা সম্মান দেননি। তার মানে, এ অভ্যুত্থানের পর এই সংবিধানের কিছু অংশ উনারা মেনেছেন, কিছু অংশ উনারা মানেননি। উনারা শুধু ওই অংশটাই মেনেছেন, যেই অংশটা উনাদের পক্ষে গিয়েছে; যে অংশটা উনাদের বিপক্ষে গিয়েছে, এ অংশটা উনারা মানেননি।

গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশের ওপর জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিধি ৬২-এর ওপর আলোচনাকালে বক্তারা এসব কথা বলেন।

বিএনপিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিরুদ্ধে নিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা দেখতে পাচ্ছেন বলে সংসদে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ। তিনি বলেন, ‘আমাদের জুলাইয়ের বিরুদ্ধে নিয়ে যাওয়ার একটা পাঁয়তারা দেখতে পাচ্ছি। ঠিক আওয়ামী লীগ সরকারের কথা মনে পড়ে যায়। আমরা যদি কোনো কথা বলতাম, বলত—যুদ্ধাপরাধের বিচার চায় না। আমরা বলতাম, তেলের দাম কত?—যুদ্ধাপরাধের বিচার চায় না। আমি অনেকখানি ওই আচরণটা দেখতে পাচ্ছি।’

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উদ্দেশে আন্দালিভ রহমান বলেন, ‘এনসিপি যে আমাদের দল, আমাদের হিরোরা—যারা যুদ্ধ করেছেন, যারা এখানে আছেন—তাদেরকেও বলে দিই, আপনারা জেন-জিকে প্রতিনিধিত্ব করেন। জামায়াত জেনারেশন হয়ে যাবেন না।’

জুলাই সনদের সঙ্গে মৌলিক আপত্তি না থাকলেও বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়েই সমস্যা রয়েছে বলে দাবি করেন আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে কোনো সমস্যা নেই; এর প্রক্রিয়া (বাস্তবায়ন) নিয়ে সমস্যা রয়েছে। আপনারা (বিরোধী দল) কোন প্রক্রিয়ায় করতে চাইছেন? আমাদের নোট অব ডিসেন্ট (আপত্তি) আগে থেকেই দেওয়া। আপনারা সে সময় বিপ্লবী সরকার করেননি কেন? সাধারণ সরকারে গেলেন কেন? অন্তর্বর্তীকালীন বিপ্লবী সরকার করতেন, ছিঁড়ে ফেলে দিতেন সংবিধানকে, নতুন করে সংবিধান বানাতেন। পুরোনো সংবিধানে থেকে আপনারা সংবিধানকেই বাতিল করে দিতে চাচ্ছেন—এটা আসলে হয় না।’

সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাস টেনে আন্দালিভ রহমান বলেন, ‘বাহাত্তরে সংবিধান তৈরির সময়ে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কমানোর বিষয়টি উল্লেখ করে বলি—রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা কমাতে গিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রিপরিষদের ক্ষমতা অনেকাংশে বাড়িয়ে দিয়েছি। এ কারণে আমরা পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করেছি। আমরা মনে করি, পরিবর্তন প্রয়োজন। সংবিধান ও জুলাই সনদকে সমন্বয় করে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।’

সংবিধান সংস্কার পরিষদের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আন্দালিভ রহমান। তিনি বলেন, ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ কোথা থেকে আসছে? সচরাচর আমরা যেভাবে সংবিধান পরিবর্তন করি, আমরা সেখানে থাকতে চেয়েছি। আমরা সেভাবে করব। আপনারা বসেন, আমাদের আপত্তি আছে—সেগুলো নিয়ে কথা বলি।’

গণভোট প্রসঙ্গে আন্দালিভ রহমান বলেন, ‘গণভোটে ৭০ শতাংশ “হ্যাঁ” ভোট পড়লেও সংবিধান পরিবর্তনের জন্য ৫১ শতাংশ তাদের (বিএনপি জোট) দিয়েছেন।’ তিনি অভিযোগ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার জনগণকে “হ্যাঁ” ভোট দিতে বাধ্য করেছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিজেপির চেয়ারম্যান বলেন, ‘১৭ বছর আমরা কষ্ট করেছি। এখানে আমার ভাইয়েরা অনেক বেশি কষ্ট করেছে। আমরা জেলে গিয়েছি, আন্দোলনে ছিলাম, ২০ দলে ছিলাম, চার দলে ছিলাম, অনেক আগে থেকে। আমরা চাই না—একটা প্রক্রিয়ায় সংবিধানকে ছুড়ে ফেলে দেওয়া হোক। সংবিধানকে ছুড়ে ফেলব কেন?’ আন্দালিভ রহমান বলেন, ‘সংবিধান কি মনে করায় দেয় ৭১-এর পরাজয়ের দলিল? আমি সংবিধান কেন ছুড়ে ফেলে দেব? এই সংবিধান দিলে গাত্রদাহ কেন হবে? আমি তো পরিবর্তন করতে পারি, কেন ছুড়ে ফেলব।’

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, কিছুক্ষণ আগে আমাদের সর্বশ্রদ্ধেয় সংসদ সদস্য আন্দালিভ রহমান পার্থ যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, তিনি যখন বললেন যে, সংবিধান যারা ছুড়ে ফেলতে চায়, তাদের স্বাধীনতাবিরোধীর সঙ্গে তিনি এলাইন করলেন, ট্যাগ করলেন; তখন ট্রেজারি বেঞ্চের মন্ত্রীরা সেটিকে টেবিল চাপড়ে সমর্থন দিলেন।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের জন্য যিনি আপসহীন লড়াই করে গিয়েছেন—বেগম জিয়া। তিনি বলেছিলেন, যেদিন জনতার সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে, যেদিন এ পার্লামেন্ট জনতার সরকারের কাছে যাবে, সেদিন এ সংবিধানকে ছুড়ে ফেলা হবে। বেঞ্চের যারা ছিলেন, তারা দীর্ঘদিন বেগম জিয়ার সঙ্গে রাজনীতি করেছেন। এ সংবিধান ছুড়ে ফেলার সঙ্গে স্বাধীনতাবিরোধীদের এলাইন করার যে বিষয়টি, সেটির হাততালি তারা দিয়েছেন—এর মধ্য দিয়ে বেগম জিয়াকে তারা মূলত অপমান করেছেন কি না, তারা সেটা ভেবে দেখবেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, ৭২-এর সংবিধানের কিছু কিছু বিষয়কে উনারা সম্মান দিয়েছেন, কিছু কিছু বিষয়কে উনারা সম্মান দেননি। তার মানে, এ অভ্যুত্থানের পরে এই সংবিধানের কিছু অংশ উনারা মেনেছেন, কিছু অংশ উনারা মানেননি। উনারা শুধু ওই অংশটাই মেনেছেন, যেই অংশটা উনাদের পক্ষে গিয়েছে; যে অংশটা উনাদের বিপক্ষে গিয়েছে, এ অংশটা উনারা মানেননি।

তিনি বলেন, এ ধরনের প্রকৃতির মানুষ যারা আছেন, বাংলাদেশের পার্লামেন্ট যারা দেখছেন, তারা সিদ্ধান্ত নেবেন। যারা কখনো কখনো কনফরমিস্ট, যারা কখনো কখনো রিফর্মিস্ট—তারা মূলত অপারচুনিস্ট। এখন আমি সংবিধানের কিছু কিছু ধারা মানব, কিছু কিছু ধারা মানব না—আমি কখনো কখনো সাংবিধানিক, কখনো কখনো অসাংবিধানিক।

তিনি আরও বলেন, এ সংবিধানকে আমি ধারণ করতে চাই, মেনে চলতে চাই। সেদিন ৬৪ বিধি অনুযায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এ সংসদে প্রশ্ন রাখতে চাই—তৎকালীন বর্তমান রাষ্ট্রপতি চুপ্পু তখন বলেছিলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। সেদিন কোন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছিল, সেটা আমাদের অ্যাটর্নি জেনারেল জানাবেন। যে হিয়ারিংটি হয়েছিল, সে হিয়ারিংয়ে তিনি উপস্থিত ছিলেন কি না? তখনকার সময় যিনি প্রধান বিচারপতি ছিলেন, ওবায়দুল হক—তিনি তখন কোথায় ছিলেন? সেই রায়ের কপিটা আমরা দেখতে চাই।

সংসদ সদস্য বলেন, ৬ আগস্ট সর্বপ্রথম ছাত্র-জনতা যখন সিদ্ধান্ত নিয়েছিল, আর এক মুহূর্তও বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে থাকতে দেবে না—তখন বেগম জিয়াকে রাষ্ট্রপতির আদেশের মাধ্যমে বের করে আনা হয়েছিল। যদি এ সংবিধানকে বাইবেল ধরে নেন, এই সংবিধানকে যদি গসপেল ধরে নেন, তাহলে সেদিন বেগম জিয়া জেল থেকে বের হতে পারতেন না। সেদিন বেগম জিয়া জেল থেকে বের হয়েছিলেন অভ্যুত্থানের জনরায়ের ভিত্তিতে। ঠিক সেই জায়গায় সংবিধানকে আপনারা মানছেন, যেই জায়গায় সংবিধান থেকে আপনারা বেনিফিটেড হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, গত ১৭ বছর ধানক্ষেতে ঘুমাতে হয়েছে, ত্যাগ-তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। মহাসচিব কান্না করে বলেছেন। তাদের নেতাকর্মীরা ঢাকায় এসে রিকশা চালিয়ে জীবন নির্বাহ করেছেন। আজকে দেখেন, লাখ লাখ নেতাকর্মী তাদের রক্ত দিয়েছেন। ফ্যাসিবাদবিরোধী প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল—কোনো দলকে বিশেষভাবে আলাদা করতে চাই না—প্রত্যেকটির রক্ত, শ্রম ও ঘামের মধ্য দিয়ে এ হাসিনার পতন হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রথম যে সরকার হয়েছিল, তারা জনগণের ভোট পেয়েই নির্বাচিত হয়েছিল। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করলাম, যারা বহুদলীয় গণতন্ত্রের কারণে এ সুযোগ পেয়েছিল, তারাই এসে বহুদলীয় গণতন্ত্রকে হত্যা করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করল। ৭২-এর যে সংবিধান, তার অনেকটাই এখানে হারিয়ে যায়। যখন একদলীয় কোনো শাসনব্যবস্থা কোনো দেশে সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃত হয়ে যায়, কার্যত সেই দেশে জনগণের ভোটের আর বড় কোনো মূল্যায়ন থাকে না। এভাবে বারবার সরকার এসেছে, সরকার গেছে।’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে জাতির ওপর প্রচণ্ড শাসন চাপিয়ে দিয়ে তাণ্ডব চালানো হয়েছে। অসংখ্য মায়ের বুক খালি হয়েছে, বোনেরা বিধবা হয়েছেন, শিশুরা এতিম হয়েছে। অসংখ্য লোককে গুম করা হয়েছে। রাষ্ট্রের সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে একে একে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছিল এবং সবকটিতে দলীয় কর্তৃত্ব এককভাবে কায়েম করা হয়েছিল দেশকে কুক্ষিগত করার জন্য।’

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত আমরা লড়ে গেছি সবাই। তাদের অপকর্মের শেষ পরিণতি হিসেবে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে যে আন্দোলন তরুণ-যুবসমাজের দ্বারা দানা বেঁধে উঠেছিল, আগস্টের ৫ তারিখে তা পরিণতি লাভ করেছে। এজন্য কোনো দেশের ক্যালেন্ডারে ৩৬ জুলাই বলে কিছু নেই; আমাদের দেশে তা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’

ফ্যাসিবাদ যাতে আর ফিরে না আসে, সেই আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে জামায়াতের আমির বলেন, ‘দেশ একটা ন্যায্যতার ভিত্তিতে, ন্যায়বিচারের ওপর কায়েম হবে, যেখানে সবাই নাগরিক হিসেবে সমান অধিকার পাবে। তার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দল এবং সমন্বয়কদের দীর্ঘ আলোচনার পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করেছিল, তারা সংস্কারের কিছু প্রস্তাব চূড়ান্ত করেছে। এরই আলোকে রাষ্ট্রপতি একটি আদেশ জারি করেছেন।’

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  গণভোট   সংবিধান   সংস্কার  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close