মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬,
৯ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
শিরোনাম: হামে প্রাণ গেল আরও তিন শিশুর, মোট মৃত্যু ৬৮৬      একযোগে ১৭ ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদত্যাগ      বিকল লঞ্চ থেকে ৯৯৯-এ ফোন, ৮০ যাত্রী উদ্ধার      সেপ্টেম্বর থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে পারে: ডা. জাহেদ      সালমান শাহর লাশ উত্তোলনের আদেশ বাতিল      সুশাসন ও সংস্কার ছাড়া বাজেট বাস্তবায়ন কঠিন      দেশজুড়ে কঠোর সতর্কতা      
খোলাকাগজ স্পেশাল
তুচ্ছ ঘটনায় বেড়েছে হত্যাকাণ্ড
রোকন উদ্দিন
প্রকাশ: রোববার, ১৭ মে, ২০২৬, ১০:২৭ এএম আপডেট: ১৭.০৫.২০২৬ ১০:৩২ এএম
ছবি: খোলা কাগজ

ছবি: খোলা কাগজ

তুচ্ছ বিষয়কে কেন্দ্র করে সম্প্রতি দেশজুড়ে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা বেড়েছে। পারিবারিক বিরোধ, সামান্য কথা কাটাকাটি ও আড্ডার মারামারিও প্রাণঘাতী রূপ ধারণ করতে দেখা গেছে। প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থানে এক বা একাধিক হত্যার ঘটনা ঘটছে। মারামারি-খুনোখুনি যেন এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা।

তুচ্ছ ঘটনায় এমন রক্তক্ষয়ী সংঘাতের পেছনে মূলত সহনশীলতার অভাব, পারিবারিক ও সামাজিক অবক্ষয় এবং দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখানোর প্রবণতা দায়ী বলে মনে করেন সমাজবিজ্ঞানীরা। তারা বলছেন, মানুষে মানুষে ধৈর্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ কমে যাওয়ায় ছোটখাটো ভুল বোঝাবুঝি বা মতবিরোধ দ্রুত সহিংসতায় রূপ নিচ্ছে। তা ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তি, মাদকের বিস্তার এবং অর্থনৈতিক চাপে মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, যা ক্ষোভ ও আবেগের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে।

সম্প্রতি গাজীপুরের কাপাসিয়াসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পারিবারিক ও স্থানীয় বিরোধে হত্যার মতো মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। তা ছাড়া চলতি বছরের প্রথম চার মাসে নানা অপরাধে সারা দেশে মোট ১৩ হাজার ২২১টি মামলা হয়েছে। একই সময়ে খুন হয়েছেন এক হাজার ১৪২ জন। পুলিশ সদর দপ্তরের অপরাধ পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম চার মাসে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মামলা হয়েছে এক হাজার ১৪২টি। গড়ে প্রতি মাসে প্রায় ২৪৬টি হত্যা মামলা হয়েছে।

অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার, আর্থিক অস্থিরতা, ব্যক্তিগত বিরোধ, সামাজিক অবক্ষয় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপের ঘাটতির কারণে অপরাধ বাড়ছে।

গত কয়েকদিনের হত্যাকাণ্ড

সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকটি আলোচিত হত্যাকাণ্ড দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। শরীয়তপুরে সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় পারিবারিক কলহের জেরে স্বামীকে হত্যা করে মরদেহ টুকরো টুকরো করে ড্রামে ভরে রাখেন স্ত্রী। পরে দেহের অংশ বিভিন্ন স্থানে ফেলে দিয়ে মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ করতে গিয়ে স্থানীয়দের কাছে ধরা পড়েন। এ ঘটনায় ঘাতক স্ত্রীকে আটক করেছে পুলিশ। জানা যায়, সদর উপজেলার চন্দ্রপুর এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন মালয়েশিয়া প্রবাসী জিয়া সরদার ও তার স্ত্রী আসমা আক্তার। দীর্ঘদিন ধরে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল।

গত শুক্রবার রাতে রাজধানীর আদাবরের শ্যামলী হাউজিং নদীর পাড় এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে মোহাম্মদ হৃদয় (২১) নামের এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। নাটোর সদরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বৃদ্ধ স্বামীকে গলা কেটে হত্যা করেছেন স্ত্রী রত্নেজান বেগম (৬৫)। গতকাল দুপুরে উপজেলার কাফুরিয়া ইউনিয়নের চৌগাছি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বৃদ্ধ মানু সরকার (৭০) ওই গ্রামের মৃত জিয়ারত সরকারের ছেলে। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই এ বৃদ্ধ দম্পতির মধ্যে পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ চলছিল।

এদিকে সিলেটে রাতের আঁধারে ঘর থেকে কিশোরীকে তুলে নিতে ব্যর্থ হয়ে দাদিকে খুন করেছে দুর্বৃত্তরা। গত শুক্রবার রাতে গোয়াইনঘাট উপজেলার রুস্তুমপুর ইউনিয়নের মাটিকাঁপা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া বিয়ানীবাজারে শুক্রবার সন্ধ্যায় এক কিশোরের ছুরির আঘাতে আরেক কিশোর খুন হয়েছে। দুই কিশোরই বন্ধু বলে স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।

চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ছেলের মাদককারবারে বাধা দেওয়ায় বাবার সঙ্গে কথা কাটাকাটির জেরে ছেলের কিল-ঘুষি ও লাথির আঘাতে আবু আহম্মদ ডিলারের (৭০) মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাতে উপজেলার পূর্ব অলিনগর বিশ্বটিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত ছেলে ইব্রাহিম মিলনকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল সকালে ঢাকার বুড়িগঙ্গা নদী থেকে অজ্ঞাতনামা এক যুবকের (২৫) গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে নৌপুলিশ।

এদিকে বগুড়ার শিবগঞ্জে শাহ আলম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল পুলিশ বাড়ির পাশের ধানখেত থেকে লাশ উদ্ধার করে। নিহত শাহ আলম সংসারদীঘি গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে।

গত শুক্রবার দুপুরে কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলায় জমিজমাসংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে চাচার বিরুদ্ধে আপন ভাতিজাকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। নিহত আনোয়ার হোসেন (৩৫) পূর্বচর পাড়াতলা গ্রামের সাফি উদ্দিনের ছেলে। অভিযুক্ত মরম আলী একই গ্রামের আব্দুল হেকিমের ছেলে।

এ ছাড়া গত ২৮ এপ্রিল রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকায় প্রকাশ্যে গুলি করে শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে হত্যা করা হয়। ঘটনার দুই সপ্তাহ পার হলেও জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে এবং তদন্ত এগিয়ে চলছে। অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

এ ছাড়া বরিশালে মাছ ব্যবসায়ী বাবু শিকদারকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ এবং রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

গাজীপুরে সাত দিনে ১১ খুন

গাজীপুরে গত সাত দিনে ঘটে গেছে একের পর এক নৃশংস হত্যাকাণ্ড। একই পরিবারের পাঁচজনসহ মোট ১১ জনের মৃত্যু শুধু কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি যেন সমাজের ভেতরে জমে থাকা সহিংসতা, অবিশ্বাস ও নৈতিক অবক্ষয়ের ভয়াবহ প্রতিচ্ছবি।

জানা গেছে, গত ৮ মে দিবাগত রাতে জেলার কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে ঘটে যায় হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ড। ঘরের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় শারমিন খানম (৩৫), তার তিন কন্যা মিম (১৬), মারিয়া (৮), ফারিয়া (২) এবং ছোট ভাই রসুল মোল্লার (২২) মরদেহ। তদন্তে শারমিনের স্বামী ফোরকান মোল্লাকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

পরদিন ৯ মে ফাওগান বাজারে শিশু ধর্ষণের অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি নেতা জয়নাল আবেদীনকে সালিসে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হন তিনি। দুই দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

১০ মে জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার বাগচালা গ্রামে গরু চুরির সন্দেহে তিনজনকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তাদের বহনকারী ট্রাকটিতেও আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। ১২ মে গাছা এলাকায় শুভ নামের এক অটোরিকশাচালককে গলা কেটে হত্যা করে তার যানটি ছিনিয়ে নেয় দুর্বৃত্তরা।

এরপর শ্রীপুরের গজারি বনের ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় মেহেদী হাসান আসিফের (২২) মরদেহ। তিনিও ছিলেন অটোরিকশাচালক।

গাজীপুরের বাসিন্দারা বলছেন, এখন প্রতিটি সকাল শুরু হয় নতুন কোনো হত্যার আশঙ্কা নিয়ে। সন্তানদের বাইরে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকরা। মানুষের মধ্যে অস্থিরতা ও নিরাপত্তাহীনতা বাড়ছে।

কলেজশিক্ষক মনিরুল কবির বলেন, “আইনের প্রতি মানুষের আস্থা কমে গেলে সহিংসতা বেড়ে যায়। নৈতিক শিক্ষা ও পারিবারিক মূল্যবোধের চর্চা জরুরি।”

ভাওয়াল বদরে আলম সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের প্রধান অসীম বিভাকর মনে করেন, “আমরা শিক্ষিত হচ্ছি, কিন্তু মানবিক হচ্ছি না। সুকুমারবৃত্তির জায়গা দখল করছে হিংস্র প্রবৃত্তি।”

তাদের মতে, আইনের প্রতি আস্থাহীনতা, পারিবারিক ভাঙন, মাদকাসক্তি এবং নৈতিক শিক্ষার অভাব পরিস্থিতিকে ভয়াবহ করে তুলছে।

গাজীপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. শরীফ উদ্দীন জানিয়েছেন, প্রতিটি হত্যাকাণ্ড গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার, টহল বৃদ্ধি, সিসিটিভি নজরদারি এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে। তবে সংঘবদ্ধ অপরাধ এবং নতুন ধরনের অপরাধ মোকাবিলায় সক্ষমতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ দমনে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির। তিনি বলেন, “মাদক আমাদের যুবসমাজ ও জাতির ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশ পুলিশ সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে।” তিনি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলেন, “অপরাধী যেই হোক, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।” গত মঙ্গলবার দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে আইজিপি ব্যাজ, শিল্ড প্যারেড, অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইজিপি এসব কথা বলেন।

এদিকে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি বৃদ্ধি এবং সামাজিক সচেতনতা বাড়ানোর মাধ্যমে অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

এ প্রসঙ্গে অপরাধ বিশ্লেষক এবং টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিমিনোলজি অ্যান্ড পুলিশ সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. উমর ফারুক বলেন, “আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির জন্য যেসব পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, তা পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে অপরাধীরা সুযোগ পাচ্ছে এবং অপরাধের হার বাড়ছে।”

সমাজ ও অপরাধ বিশ্লেষক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, “পারিবারিক ও সামাজিক নৃশংসতা প্রতিরোধের জন্য বিচার দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পায়। পরিবার ও সমাজে মতের অমিল ও বিভেদকে সহিংসতায় রূপ না দিয়ে যৌক্তিক সমাধান খুঁজতে হবে। সামাজিক সংগঠনগুলোকে সক্রিয় করে মানুষকে সৃজনশীল, মনুষ্যত্ববোধসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে হবে। সুকুমারবৃত্তি জাগ্রত করা, বইপড়া, খেলাধুলাসহ সংস্কৃতি চর্চায় গুরুত্ব দেওয়াসহ সুষম প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মানবিক গুণাবলিসম্পন্ন হয়ে ওঠার সুযোগ তৈরি করতে হবে। রাষ্ট্র ও সমাজ এ কাজগুলোতে জোর দিলে নিজ থেকেই নৃশংস ঘটনাগুলো কমে আসবে।”

সম্প্রতি দেশজুড়ে অপরাধ কর্মকাণ্ড, হত্যাকাণ্ড ও হামে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ। এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি একটি সংবাদপত্রে তার কলামে “দেশে অবাধে মারামারি-খুনোখুনি চলছে” বলে উল্লেখ করেন তিনি। সেখানে তিনি বলেন, “দেশে চলছে দুর্বৃত্তদের অবাধ বিচরণ। ডালভাত এখন আর অত মহার্ঘ নয়। মারামারি-খুনোখুনি যেন ডালভাত হয়ে গেছে।”

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  হত্যাকাণ্ড  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: kholakagojnews@gmail.com, kholakagojadvt@gmail.com

© 2025 Kholakagoj
🔝
close