চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় সোহানা খাতুন (১৪) নামে সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেছে।
সোমবার (৮ জুন) রাতে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের পেয়ারাতলা গ্রামের ফুলতলা নামক স্থানে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
সোহানা খাতুন উপজেলার বেনীপুর গ্রামের মোল্লা আব্দুর জব্বারের কন্যা। তিনি স্থানীয় একটি আলিয়া মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। তারা ফুলতলায় ১০বছর যাবৎ একটি ভাড়া বাসায় থাকতেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার (৭ জুন) রাত ১০টার দিকে রাতের খাবার শেষে সোহানা নিজ শয়ননকক্ষে প্রবেশ করে দরজা বন্ধ করে দেয়। এ সময় পরিবারের সদস্যরা ধারণা করেছিলেন, সে ঘুমিয়ে পড়েছে। পরদিন সোমবার (৮জুন) ভোরে তাকে ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পেয়ে তার মা ও পরিবারের লোকজন দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। এ সময় ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখতে পান।
পরবর্তীতে বিষয়টি জীবননগর থানা পুলিশকে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রম শেষে মরাদেহ চুয়াডাঙ্গা মর্গে প্রেরণ করে। আত্মহত্যার পেছনের প্রকৃত কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এ বিষয়ে জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।’
কেকে/ এমএস