প্রকৃতিতে বইছে ফলের সুবাস। বাহারি রং আর স্বাদের ফলের পসরা নিয়ে সেজেছে প্রকৃতি। সাভারের গণ বিশ্ববিদ্যালয়ে টক-মিষ্টি নানা ফলের স্বাদ ভাগাভাগি করতে ‘মৌসুমি ফল উৎসব’ এবং ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য বাড়াতে ‘বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। আয়োজন করে গণ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (গবিসাস)।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবনে গবিসাস কার্যালয়ে মৌসুমি ফল উৎসব এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে ফল-ফুলের গাছ রোপণ করে বছরের কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।
আম, জাম, কাঁঠাল, পেয়ারা, লিচু, লটকন, আমলকি, ড্রাগন, আনারস, করমচা, কলাসহ বাহারি ও নানা স্বাদের ফলের সমারোহে আয়োজিত হয় মৌসুমি ফল উৎসব। উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তাকর্মী, নৈশপ্রহরী ও মাঠকর্মীদের মাঝে ফল বিতরণ করা হয়।
উৎসবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন এবং রেজিস্ট্রার ওহিদুজ্জামানের উপস্থিতিতে ক্যাম্পাসে বিভিন্ন ঔষধি ও ফল গাছ রোপণ করে কর্মসূচি পালন করা হয়।
গকসুর সহ-সভাপতি ইয়াসিন আল মৃদুল দেওয়ান বলেন,‘বাংলাদেশের মাটি ফল উৎপাদনের জন্য উৎকৃষ্ট। আর ফল উৎসব আবহমান কালের সঙ্গে জড়িত। গবিসাস এই ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছে, এ জন্য গবিসাসকে ধন্যবাদ।’
মো. আবুল হোসেন বলেন, ‘গবিসাস প্রতিবছরই এমন দারুণভাবে ফল উৎসব ও বৃক্ষরোপণ করে থাকে। আসলে মৌসুমি ফল সবারই খাওয়া উচিত। প্রতিটা ফলে প্রতিটা মৌসুমের প্রতিষেধক থাকে। একই সঙ্গে সবারই বৃক্ষরোপণ করা উচিত। প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ ছাড়া অন্য কোনো মাধ্যম নেই। গবিসাসের বার্ষিক এসব কার্যক্রম আসলেই প্রশংসনীয়।’
গবিসাসের সভাপতি মোজাহিদুল নিরব বলেন, ‘সংবাদ চর্চার পাশাপাশি সুন্দর সবুজ ভবিষ্যত নিশ্চিত এবং দেশীয় ফলের ঐতিহ্য চর্চার মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষের উপকারিতা এবং দেশীয় ফলের গুণাগুণ সম্পর্কে জানিয়ে সংবাদ প্রচারের মতোই পরিবেশ রক্ষার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া আমাদের আয়োজনের লক্ষ্য। গবিসাসের চিরাচরিত এ ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।’
পাশাপাশি অন্যান্য সংগঠন এসব পরিবেশবান্ধব এবং দেশীয় ঐতিহ্যমূলক কার্যক্রমে উদ্বুদ্ধ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
কেকে/এমকে