শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬,
২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: বন্যা পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরুরি নির্দেশনা      ভাঙ্গায় বাসচাপায় নিহত পাঁচ      ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত      রাতের মধ্যে চট্টগ্রামসহ ১৯ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস      হামের উপসর্গ নিয়ে আরও তিন শিশুর মৃত্যু      দেশে ২৫ হজার মিডওয়াইফ নিয়োগ দেয়া হবে: প্রধানমন্ত্রী      জেলা-উপজেলা হাসপাতালের সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
কক্সবাজারে সমুদ্র দিবস উদযাপন, সরানো হলো সাত টন বর্জ্য
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ২১ জুন, ২০২৬, ৮:১৭ পিএম
ছবি: খোলা কাগজ

ছবি: খোলা কাগজ

আন্তর্জাতিক সমুদ্র দিবস-২০২৬ উপলক্ষে কক্সবাজারে কেওক্রাডং বাংলাদেশ ও বিআরএফ ইয়ুথ ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়েছে। 

১৯-২০ জুন কক্সবাজারের লাবনী ও ইনানি সৈকত এলাকায় এই অভিযান চালানো হয়। 

কেওক্রাডং বাংলাদেশের সদস্যদের পাশাপাশি অভিযানে অংশ নিয়েছেন বিআরএফ ইয়ুথ ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবীরা।

আয়োজকরা জানান, প্লাস্টিক ও অপচনশীল বর্জ্যের কারণে দিন দিন সৈকতের সৌন্দর্য হারিয়ে যাচ্ছে। সৈকতকে তার আগের রূপে ফিরিয়ে আনার জন্য এবং পর্যটকদের মাঝে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কেওক্রাডং বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সমুদ্র দিবসকে কেন্দ্র করে পরিছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। দুই দিনের এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানে সমুদ্র সৈকত এলাকা থেকে প্রায় সাত টন প্লাস্টিক ও অপচনশীল বর্জ্য সরানো হয়েছে। 

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিআরএফ ইয়ুথ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মাখদুম বলেন, ‘সমুদ্র দিবসকে কেন্দ্র করে আমরা পরিচ্ছন্ন কার্যক্রমে অংশ নিয়েছি। আমরা সমুদ্র সৈকত এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময়ে লক্ষ্য করেছি, অসংখ্য পরিমাণে অপচনশীল বর্জ্য রয়েছে। যেগুলো দেখে আমরা অবাক হয়েছি। আমরা টুরিস্টরা সচেতন হলে আমাদের সমুদ্র সৈকত সুন্দর থাকবে, ইনশাআল্লাহ।’

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নিতে আসা সৃজিতা রায় বলেন, ‘সমুদ্র দিবস উদযাপন উপলক্ষে কক্সবাজারে যে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে, এতে অংশগ্রহণ করার জন্য আমি ভারত থেকে এসেছি। আমরা সমুদ্রে ঘুরতে এসে প্লাস্টিক জাতীয় অনেক বর্জ্য সমুদ্রে ফেলে দেই। আমরা যে আবর্জনাগুলো তৈরি করছি, সেগুলো নিজেরাই যদি একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলি, তাহলে সেগুলোকে সহজেই রিসাইক্লিং করা সম্ভব হবে। বাংলাদেশ ও ভারতের মানুষের প্লাস্টিক জাতীয় জিনিস ব্যবহারের প্রবণতা বেশি। সচেতন করা গেলে প্লাস্টিক জাতীয় বর্জ্য কমে আসবে।’

কেওক্রাডং বাংলাদেশের পরিচালক মুনতাসির মামুন বলেন, ‘প্রায় ২০ বছর ধরে আমরা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে আসছি। আন্তর্জাতিক সমুদ্র দিবস উদযাপনের লক্ষ্যে এবার আমরা কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের ইনানী এবং লাবনী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে এতো পরিমাণ ময়লা আবর্জনা থাকার কথা না। যে দেশগুলোতে জনসংখ্যা কম থাকে, সেই দেশগুলোতে ময়লা আবর্জনা তোলার মানুষ পাওয়া যায় না। আমাদের দেশে সবাই ব্যক্তিগতভাবে এই কাজটাকে যদি গুরুত্বপূর্ণ মনে করি, তাহলে ময়লা আবর্জনাগুলো পড়ে থাকা সম্ভাবনা কমে যায়। কিন্তু আমরা আবর্জনা সমস্যাটাকে নিজের বলে মনে করি না। আবর্জনা সমস্যাটা সমাধান করা রাষ্ট্রের যেমন দায়িত্ব, তেমনি ব্যক্তিগত পর্যায় থেকেও আমাদের সবারই দায়িত্ব। জনবহুল দেশে আবর্জনা সমস্যাটা সমস্যা হওয়ার কথা না, যদি আমরা এটিকে নিজ দায়িত্ব থেকে চিন্তা করি।’

কেকে/এমএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  কক্সবাজার   সমুদ্র দিবস উদযাপন   বর্জ্য সরানো  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close