সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ (এইচ এম) এরশাদের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মঙ্গলবার (১৪ জুলাই)। ২০১৯ সালের এই দিনে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
দিবসটি উপলক্ষে জাতীয় পার্টি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। দলটির নেতারা জানিয়েছেন, প্রয়াত এই নেতার রুহের মাগফিরাত কামনায় কোরআনখানি, দোয়া মাহফিল, কবর জিয়ারত ও স্মরণসভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হবে।
জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর মহানগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক এস এম ইয়াসির জানান, মঙ্গলবার সকাল ৬টায় রংপুর নগরীর সেন্ট্রাল রোডে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কোরআন তেলাওয়াত এবং এইচ এম এরশাদের বিভিন্ন সময়ের ভাষণ প্রচার করা হবে।
এছাড়া বেলা ১১টায় রংপুরের দর্শনায় অবস্থিত পল্লী নিবাসে এরশাদের সমাধিতে কোরআন তেলাওয়াত, কবর জিয়ারত, দোয়া মাহফিল ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হবে। এতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ (জি এম) কাদের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়নে দোয়া মাহফিল, কোরআন তেলাওয়াত এবং স্মরণমূলক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, কো-চেয়ারম্যান মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা এসব কর্মসূচিতে অংশ নেবেন।
হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিলেন। তার শাসনামলে উপজেলা ব্যবস্থা চালু, অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন নীতিগত উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে তাঁর ক্ষমতায় আসা এবং শাসনামল বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বিতর্কেরও বিষয়।
১৯৮৬ সালে তিনি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটায় জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পরবর্তীতে পরিবারসহ রংপুরে বসবাস শুরু করেন। মৃত্যুর পর রংপুরের পল্লী নিবাসে তাকে সমাহিত করা হয়।
কেকে/ এমএস