নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় বিয়ের একদিন পর একটি মসজিদ থেকে এক মোয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর মরদেহ দেখে বাড়ি ফেরার পর হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন নিহতের মামা। মর্মান্তিক এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) গভীর রাতে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়নের কাকড়ার বাজার এলাকার মুনাকষা জামে মসজিদ থেকে আব্দুল মালেক (২১) নামে ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আব্দুল মালেক স্থানীয় বাসিন্দা নুরুল হকের ছেলে। তিনি মুনাকষা জামে মসজিদে মোয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন এবং প্রয়োজন হলে ইমামতিও করতেন।
ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এশার নামাজ শেষে মুসল্লিরা মসজিদ ত্যাগ করেন। ধারণা করা হয়, আব্দুল মালেকও সবার সঙ্গে বের হয়ে গেছেন। তবে রাত প্রায় ১টার দিকে এক ব্যক্তি মসজিদে গিয়ে তাকে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা জানান, ঘটনার মাত্র একদিন আগে আব্দুল মালেকের বিয়ে হয়েছিল।
এদিকে ভাগ্নের মরদেহ দেখে বাড়ি ফেরার পর নিহতের মামা আহিদুল ইসলাম (৫০) হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরে তার মৃত্যু হয়।
ঝুনাগাছ চাপানি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আমিনুর রহমান বলেন, রাত প্রায় ২টার দিকে ঘটনাটি জানতে পারি। আব্দুল মালেক ওই মসজিদের মোয়াজ্জিন ছিলেন এবং মাঝে-মধ্যে ইমামতিও করতেন। সকালে খবর পাই, মরদেহ দেখে বাড়ি ফেরার পর তার মামা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
কেকে/ এমএস