জামায়াতে ইসলামীর নেতা ও সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য নজরুলের ব্যক্তিগত যৌন আচরণের (বয়স-বৈষম্যমূলক যৌন সম্পর্কের) ভিডিও প্রকাশ্যে আসাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও মূলধারার গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। কেউ এটিকে জামাতের সো-কল্ড নৈতিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক ঘটনা হিসেবে দেখছেন, কেউ আবার এটিকে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার চরম লঙ্ঘন হিসেবেও দেখছেন। কিন্তু এই ঘটনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক সম্ভবত অন্য জায়গায়। একটি রাজনৈতিক সংগঠনকে কি তার কোনো এক নেতার ব্যক্তিগত দুর্বলতা দিয়ে বিচার করা হবে, নাকি তার প্রকাশ্য রাজনৈতিক দর্শন, ইতিহাস, সাংগঠনিক কাঠামো এবং রাষ্ট্রচিন্তা দিয়ে?
জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের জন্য একটি রাজনৈতিক সমস্যা-তার কারণ কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত যৌন আচরণ, নৈতিক বিচ্যুতি বা ব্যক্তিগত জীবনের অসঙ্গতি নয়। জামাতকে বুঝতে হলে দেখতে হবে তার রাজনৈতিক প্রকল্প, সংগঠনের ধরন, বিভিন্ন ক্ষমতার সঙ্গে যোগসূত্র এবং রাষ্ট্র ও সমাজ সম্পর্কে তার ধারণাকে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বরাবরের মতোই বর্তমান আলোচনায়ও এ কাঠামোগত প্রশ্নগুলো আড়ালে চলে যাচ্ছে; ফলে জামাতের মতাদর্শ, সংগঠন ও ক্ষমতার রাজনীতি নিয়ে যে মৌলিক প্রশ্নগুলো জরুরি, সেগুলো অনালোচিত থেকে যাচ্ছে এবং এক অর্থে আমরা জামায়াত ও জামায়াতের অপরাপর বন্ধুদের নির্মিত ন্যারেটিভের মধ্যেই আটকে পড়ছি।
জামায়াতে ইসলামীকে শুধু একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে দেখলে তাদের প্রকৃত শক্তি বোঝা যাবে না। এটি ধর্মকে রাজনৈতিক পুঁজি হিসেবে ব্যবহারকারী একটি সুসংগঠিত ক্ষমতাকাঠামো। দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় পরিচয়, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, সামাজিক সংগঠন এবং রাজনৈতিক কৌশলের সমন্বয়ে তৈরি একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক। বাংলাদেশে তাদের একটি প্রতিষ্ঠিত অর্থনৈতিক কাঠামো রয়েছে। ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, দাতব্য কার্যক্রম এবং পেশাজীবী সংগঠনের মাধ্যমে তারা দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাব বলয় তৈরি করেছে। পশ্চিমা পুঁজিবাদী কাঠামোর সঙ্গে এ অর্থনৈতিক মডেলের কোনো মৌলিক বিরোধ নেই; বরং পুঁজি, বাজার, করপোরেট ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগ, সবকিছুই তারা অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করেছে। এই অর্থনৈতিক শক্তির ওপর দাঁড়িয়ে তারা শুধু একটি দল চালায় না; একই রাজনৈতিক লক্ষ্য সামনে রেখে নানা নামে একাধিক সামাজিক ও রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মও তৈরি করেছে। কোথাও তারা সরাসরি, কোথাও ছায়া সংগঠন, কোথাও ছাত্র, পেশাজীবী, নাগরিক কিংবা তথাকথিত নিরপেক্ষ শক্তির পরিচয়ে হাজির হয়। ফলে জামাতকে শুধু একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের কাঠামোর ভেতর দিয়ে বোঝার চেষ্টা করলে তাদের প্রকৃত বিস্তার বোঝা সম্ভব নয়।
জামায়াতে ইসলামীকে ক্ষতিকর রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দেখার কারণ হলো তাদের রাজনৈতিক প্রকল্প ধর্মীয় পরিচয়কে ক্ষমতার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে, রাষ্ট্র ও সমাজকে পরিচালিত করতে চায়, যা বাংলাদেশের বহুত্ববাদী সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সংঘাত তৈরি করে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় যে কোনো রাজনৈতিক শক্তিরই অংশগ্রহণের অধিকার রয়েছে; কিন্তু সেই শক্তির ইতিহাস ও রাষ্ট্র সম্পর্কিত চিন্তা, ক্ষমতার ব্যবহার এবং সামাজিক আগ্রাসন নিয়ে সমালোচনামূলক আলোচনা থাকা জরুরি।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, জামায়াত নিয়ে এখন যে পরিমাণ রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা হওয়া প্রয়োজন, তা হচ্ছে না। যারা তাদের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধকালীন ভূমিকা এবং রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারতেন, তাদের অনেকেই আজ জামায়াতের সঙ্গে একই সভামঞ্চ ভাগাভাগি করছেন। দেশের সিভিল সোসাইটির একটি বিপথগামী অংশও জামাতকে ধীরে ধীরে ক্ষমতার স্বাভাবিক অংশীদার হিসেবে গ্রহণ করার পরিবেশ তৈরি করে যাচ্ছেন। তাদের চেষ্টাতে কোনো ত্রুটি নেই। এ বছর নির্বাচনি প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে জামায়াতে ইসলামীকে সংসদীয় রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যে দলের নেতৃত্বের ইতিহাস বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ভূমিকা এবং যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত নেতাদের সঙ্গে যুক্ত। এমনকি বর্তমান সংসদেও যুদ্ধাপরাধের দায়ে দণ্ডিত একজন রাজাকারের উপস্থিতি রাজনৈতিক বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘দৃশ্য’ বটে। এটিকে শুধু রাজনৈতিক কৌশল কিংবা নির্বাচনী সমীকরণ হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এর মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের নৈতিক ভিত্তি এবং অসাম্প্রদায়িক রাজনৈতিক ধারার দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হয়ে গেছে।
২০২৪ সালের জুলাইয়ের আন্দোলনও এই রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের বাইরে ছিল না। সেই আন্দোলনের পথ ধরে রাষ্ট্র, ক্ষমতা, বৈষম্য, কর্তৃত্ববাদ, দুর্নীতি এবং নাগরিক অধিকারের বহু গভীর প্রশ্ন সমাধানের দিকে প্রজন্ম এগোতে পারত। কিন্তু আন্দোলনপরবর্তী সময়ে কিংবা এর আগে থেকেই জামাত তার রাজনৈতিক গুপ্ত-সহযোগী এবং সামরিক-বেসামরিক ক্ষমতাকাঠামোর ঘনিষ্ঠ অংশগুলো গণআন্দোলনের সম্ভাবনাময় বহুমাত্রিক চরিত্রকে সংকুচিত করে এটিকে কেবল আওয়ামী লীগবিরোধী অভ্যুত্থানের ন্যারেটিভে পরিণত করতে সক্ষম হয়েছে। এর ফলে সিস্টেমবিরোধী প্রশ্নগুলো পেছনে চলে গেছে, সামনে এসেছে প্রতিশোধের রাজনীতি।
একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু এবং বাংলাদেশের ঐতিহাসিক আত্মপরিচয়কে অপমান, বিকৃতি ও অবমূল্যায়নের একটি সংগঠিত প্রক্রিয়াও দৃশ্যমান হয়েছে। আওয়ামী লীগের সমালোচনা অবশ্যই হবে, তাদের শাসনামলে কর্তৃত্ববাদী এমন কিছু আচরণ ছিল, যেগুলো জনগণের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি করেছিল। ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ, ভিন্নমতের প্রতি অসহিষ্ণুতা, প্রশাসনিক পক্ষপাত এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর নিপীড়ন, এসব বিষয় নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে এবং হবে। রাজনৈতিক ব্যর্থতার দায়ে শীর্ষ নেতাদের বিচার হওয়াও প্রয়োজন। কিন্তু সে বিচার করতে গিয়ে রাষ্ট্রের জন্মের ইতিহাস এবং মুক্তিযুদ্ধের নৈতিক ভিত্তিকেই অস্বীকার করা বা সাময়িক আপস কোনো গণতান্ত্রিক বিকল্প হতে পারে না। এখানে আরও একটি বিষয় এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই; আওয়ামী লীগকে এক শব্দে কর্তৃত্ববাদী দল বলে শেষ করে দিলে বাস্তবতার অনেক কিছুই আড়াল হয়ে যায়। কারণ যে আচরণগুলোর কারণে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটেছিল, সেই একই আচরণের প্রায় প্রতিটি উপাদান আজও আমাদের দৈনন্দিন জীবন, সমাজ ও রাষ্ট্রে উপস্থিত। ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ আছে, ভয়ের পরিবেশ আছে, ভিন্নমত দমন আছে, প্রশাসনিক পক্ষপাত আছে, রাজনৈতিক প্রতিশোধ আছে এবং আইনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহারের প্রবণতাও আছে। এমনকি ২০০৮ সালের আগের আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়াও অন্যান্য দলীয় সরকারগুলোর চরিত্রেও কর্তৃত্ববাদের বিবেচনায় অভিন্ন কিছু ছিল না।
একইভাবে বর্তমান সরকারও কর্তৃত্ববাদী আচরণ থেকে মুক্ত নয়। এর আগের জামায়াত ও তাদের প্রকৃত বন্ধু যুক্তরাষ্ট্র-ঘনিষ্ঠ ইউনূস সরকার ভয়াবহভাবে মবোক্রেসি, জামাতের পেশিশক্তি এবং তথাকথিত জনরোষকে ব্যবহার করে দেশে অরাজকতা চালিয়েছে, হত্যা, খুন থেকে শুরু করে দেশবিরোধী বাণিজ্য চুক্তি পর্যন্ত করেছে। অথচ তাদের প্রথম দায়িত্ব ছিল নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কিন্তু সেখানে মবকে রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। সর্বোপরি কর্তৃত্ববাদের অবসান হয়নি; শুধু তার ভাষা, পোশাক ও সুবিধাভোগী বদলেছে। এ পরিস্থিতিকেই জামায়াত সবচেয়ে দক্ষতার সঙ্গে কাজে লাগাচ্ছে। তারা ধর্মের দোহাই দিচ্ছে, সততার দোহাই দিচ্ছে, দুর্নীতিবিরোধী ভাষা ব্যবহার করছে এবং নিজেদের নৈতিক বিকল্প হিসেবে হাজির করছে। অথচ তাদের লক্ষ্য নৈতিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা নয়; তাদের লক্ষ্য যে কোনো ভাবে ক্ষমতা দখল করা। আর জামায়াতের ক্ষমতা দখল বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক চরিত্র, সামাজিক জীবন, সংস্কৃতি, নারী স্বাধীনতা, মতপ্রকাশ এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার ওপর ভয়াবহ ও চূড়ান্ত আঘাত হানবে।
বাংলাদেশে মধ্যপন্থি, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাজনীতির যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তার বিকল্প হিসেবে জামাতকে প্রতিষ্ঠিত করার এই বিপজ্জনক ভুলে পা দিয়েছেন বা মাথা বেচে দিয়েছেন আমাদের অনেক সো-কল্ড বুদ্ধিজীবী ও একটিভিস্ট। একটি সরকারের কিছু কর্তৃত্ববাদী আচরণের বিরুদ্ধে ক্ষোভ থেকে মানুষকে যদি ধর্মভিত্তিক কর্তৃত্ববাদের দিকে ঠেলে দেওয়া হয়, তাহলে এটি মুক্তি নয়; গভীর সংকটে প্রবেশ মাত্র। সংকীর্ণ ও ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক প্রকল্পকে জায়গা দেওয়ার মূল্য পুরো সমাজকে ও রাষ্ট্রকে দিতে হচ্ছে, আরও দিতে হবে। তাই উপরিউপরি ও তুনুমুনুভাবে জামায়াতের রাজনীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে গিয়ে তাদের নেতাদের ব্যক্তিগত জীবনের কেলেঙ্কারিকে প্রধান অস্ত্র বানানোও ভুল। ব্যক্তিগত ভিডিও ফাঁস, প্রচার এবং তা নিয়ে রাজনৈতিক উল্লাস কোনো গণতান্ত্রিক আচরণ হতে পারে না। এটি আগেও রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, এখনো হচ্ছে। এ কৌশল হয়তো সাময়িক উত্তেজনা তৈরি করতে পারে, এটা হয়তো কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার চেষ্টা, অর্থাৎ জামায়াতি কায়দায় জামায়াতকে ঘায়েল করা। কিন্তু এতে জামায়াতের রাজনীতি দুর্বল হবে না; বরং দেশের সার্বিক রাজনীতির নৈতিক ভিত্তি আরও দুর্বল হবে, এবং জামায়াত এটাই চায়। জামায়াত পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর একটি রাজনৈতিক শক্তি। তারা যে জায়গায় প্রবেশ করে, সেই জায়গার ভাষা, নৈতিকতা ও সম্পর্ককে ধীরে ধীরে নিজেদের মতো করে বদলে দেয়।
ধর্মকে রাজনৈতিক পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করে রাষ্ট্র পরিচালনার যে ধারণা তারা বহন করে, তা বাংলাদেশের বহুত্ববাদী ও অসাম্প্রদায়িক সামাজিক চরিত্রের সঙ্গে চূড়ান্তভাবে সাংঘর্ষিক। তাই বলি, মিডিয়াতে বিরোধী দলের কোটায় চেয়ার রেখে, সভা-সেমিনারে তাদের স্বাভাবিক রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে জায়গা দিয়ে বা তাদের কথাকে আর দশটি দলের মতো নিরীহ মতামত হিসেবে প্রচার করে জামায়াতিদের মোকাবিলা করা যাবে না। জামায়াত এ দেশকে এমন এক রাজনৈতিক কিনারের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। কেমন সেই কিনার, সেটি এখনই ভেবে দেখা দরকার। কারণ সেখানে গিয়ে শুধু সরকার বদলাবে না; বদলে যাবে বাংলার অসাম্প্রদায়িক জীবন, সংস্কৃতির ভাষা, ব্যক্তিস্বাধীনতার ধারণা এবং রাষ্ট্রের চরিত্র। তাই জামায়াতকে মোকাবিলা করতে হবে আদর্শিকভাবে, রাজনৈতিকভাবে, অর্থনৈতিকভাবে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে। ধর্ম বেচা বন্ধ করার দাবি তুলতে হবে। সততার বুলি আর ধর্মীয় আবেগের আড়ালে ক্ষমতা দখলের প্রকল্পকে উন্মোচন করতে হবে। তাদের অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক, সামাজিক প্রভাব এবং নানা নামে খোলা রাজনৈতিক দোকানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
একই সঙ্গে শক্তিশালী মধ্যপন্থি, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক পরিসর গড়ে তুলতে হবে ও স্থান করে দিতে হবে, যাতে মানুষ কোনো একটি সরকারের অন্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে জামায়াতের হাতে দেশ তুলে না দেয়। তাই, জামাতকে ঠেকাতে ব্যক্তিগত কেলেঙ্কারি নয়, দরকার রাজনৈতিক সততা, বুদ্ধিমত্তা, ঐতিহাসিক সচেতনতা, অসাম্প্রদায়িক সংগঠন এবং কার্যকর গণতান্ত্রিক চর্চা ও রাষ্ট্রচিন্তা। এর বাইরে কোনো শর্টকাট নেই। মুক্তি আসবে, কারণ এর বিকল্পও নেই। কিন্তু তার জন্য আগে জামায়াত নামক রাজনৈতিক প্রকল্পটিকে ঠিকভাবে চিনতে হবে।
কেকে/এমএ