জেলে ও মাঝির ছদ্মবেশে অভিযান চালিয়ে তিস্তা নদী থেকে ১০০ বোতল ‘এসকাফ’ মাদক উদ্ধার করেছে গঙ্গাচড়া মডেল থানা পুলিশ। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকাও জব্দ করা হয়। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারিরা নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়।
সোমবার (২৭ জুলাই) বিকেলে গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের ছালাপাক চরসংলগ্ন তিস্তা নদীতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পাওয়া যায়, লালমনিরহাটের আদিতমারী সীমান্ত এলাকা থেকে নৌকাযোগে তিস্তা নদী পার হয়ে রংপুর শহরের দিকে বিপুল পরিমাণ মাদক আনা হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে গঙ্গাচড়া মডেল থানার একটি বিশেষ দল জেলে ও মাঝির ছদ্মবেশে নদীতে অবস্থান নেয়।
একপর্যায়ে সন্দেহভাজন নৌকাটিতে অভিযান চালালে মাদক কারবারিরা দুটি প্লাস্টিকের বস্তা ফেলে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে বস্তা তল্লাশি করে ১০০ বোতল ‘এসকাফ’ মাদক উদ্ধার করা হয়। একই সঙ্গে মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত শ্যালো ইঞ্জিনচালিত নৌকাটি জব্দ করা হয়।
অভিযানে গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুরের নেতৃত্বে এসআই শাহীনুর আলম, এএসআই শহীদুল্লাহ কায়সার, এএসআই হাচিনুরসহ সঙ্গীয় পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন।
এ ঘটনায় লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলার দুই মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধীরা যত কৌশলই অবলম্বন করুক না কেন, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। যারা পালিয়ে গেছে, তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। গঙ্গাচড়াকে মাদকমুক্ত রাখতে আমরা সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছি।’
কেকে/এলএ