বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬,
১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: মানবসম্পদ উন্নয়নে জাপানের সক্রিয় সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী      নিরাপদ খাদ্য কার হাতে      ইয়াবার ভয়াবহ থাবায় বাংলাদেশের তরুণরা      আজ সারাদেশে এনসিপির বিক্ষোভ সমাবেশ      জাপানে শক্তিশালী ভূমিকম্পে নিহত ১৩      হবিগঞ্জে জুলাই পদযাত্রায় সারজিস-পাটওয়ারী গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ      জাপানে ভূমিকম্পে ধসে পড়ল শপিংমল, বহু হতাহতের শঙ্কা      
খোলা মত ও সম্পাদকীয়
‘সেফ সিটি’ কি বাংলাদেশের জন্য উপযুক্ত মডেল?
রাসেল আহমদ
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬, ১১:৫৩ এএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

সম্প্রতি জাতিসংঘে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পাকিস্তানের ‘সেফ সিটি’ উদ্যোগকে বাংলাদেশের জন্য একটি অনুকরণীয় মডেল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাকিস্তানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে নগর নিরাপত্তা জোরদারে তারা প্রযুক্তিগত ও কৌশলগত সহায়তা দিতে অত্যন্ত আগ্রহী। শুধু তা-ই নয়, বাংলাদেশি পুলিশ কর্মকর্তাদের উন্নত প্রশিক্ষণ দেওয়ার বিষয়েও একটি সহযোগিতার প্রস্তাব এসেছে ইসলামাবাদের পক্ষ থেকে। আপাতদৃষ্টিতে এটিকে একটি সাধারণ দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সৌজন্য মনে হতে পারে। তবে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে, এ প্রস্তাব এবং আমাদের নীতিনির্ধারকদের ইতিবাচক মনোভাব বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নীতি ও কৌশল সম্পর্কে কিছু অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়।

এখানেই একটি মৌলিক ও অত্যন্ত যৌক্তিক প্রশ্ন সামনে চলে আসে—পাকিস্তান কি সত্যিই এমন কোনো সফল এবং কার্যকর মডেল তৈরি করতে পেরেছে, যা বাংলাদেশ অন্ধভাবে অনুসরণ করতে পারে? যে প্রকল্পটি স্বয়ং পাকিস্তানের নিজস্ব নিরাপত্তাব্যবস্থার কোনো আমূল বা দৃশ্যমান পরিবর্তন ঘটাতে পারেনি, তা কীভাবে বাংলাদেশের জন্য একটি আদর্শ বা অনুকরণীয় মডেল হতে পারে? যদি এ প্রকল্প এতটাই স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং কার্যকর হতো, তবে পাকিস্তান কেন এখনো নিয়মিত বিরতিতে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলা, রাজনৈতিক সহিংসতা, ধর্মীয় উগ্রবাদ আর লাগামহীন নগর অপরাধের দীর্ঘস্থায়ী সংকট মোকাবিলা করছে? আমরা কি তবে এমন এক অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং বিতর্কিত মডেলের দিকে পা বাড়াচ্ছি, যার কার্যকারিতা নিয়ে খোদ আন্তর্জাতিক অঙ্গনেই বড় ধরনের প্রশ্ন রয়েছে?

বাস্তবতা হলো, পাকিস্তানের লাহোর, ইসলামাবাদ, করাচি ও মুলতানের মতো বড় বড় শহরগুলোতে বিশাল বাজেট বরাদ্দ দিয়ে ‘সেফ সিটি’ প্রকল্প চালু করা হয়েছিল। হাজার হাজার সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা, ফেসিয়াল রিকগনিশন (মুখাবয়ব শনাক্তকরণ) প্রযুক্তি, স্বয়ংক্রিয় নম্বরপ্লেট শনাক্তকরণ ব্যবস্থা এবং সার্বক্ষণিক নজরদারির জন্য অত্যাধুনিক কমান্ড সেন্টার—সব মিলিয়ে এ উদ্যোগকে একসময় দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আধুনিক ও যুগান্তকারী নগর নিরাপত্তা প্রকল্প হিসেবে বেশ জোরেশোরে প্রচার করা হয়েছিল। তৎকালীন সরকারের দাবি ছিল, এ প্রযুক্তিগত রূপান্তর অপরাধের মাত্রা শূন্যে নামিয়ে আনবে এবং নাগরিকদের জন্য এক অভূতপূর্ব নিরাপত্তা বলয় তৈরি করবে।

কিন্তু মাঠপর্যায়ের বাস্তব চিত্র সম্পূর্ণ ভিন্ন এক গল্প বলে। বিগত কয়েক বছর ধরে পাকিস্তানের প্রধান শহরগুলোতে আত্মঘাতী হামলা, বোমা বিস্ফোরণ, ধর্মীয় উগ্রবাদী সহিংসতা, অপহরণ ও সশস্ত্র ডাকাত দলের তৎপরতা নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়া অঞ্চলে নিরাপত্তা সংকট এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এমনকি করাচির মতো দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক হাব ও গুরুত্বপূর্ণ বিভাগীয় শহরেও সংগঠিত অপরাধ এবং গ্যাং কালচার পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। এর অর্থ দাঁড়ায়, কোটি কোটি ডলার খরচ করে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নজরদারি ব্যবস্থা স্থাপন করার পরও দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির কোনো টেকসই বা উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি।

এর কারণটি রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অপরাধবিজ্ঞানের সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছেও খুব স্পষ্ট। শুধু রাস্তার মোড়ে মোড়ে ক্যামেরা বসিয়ে বা আধুনিক সার্ভার রুম তৈরি করে কখনো একটি দেশের সামগ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না। প্রযুক্তির উপযোগিতা তখনই সার্থক হয়, যখন তার পেছনে গোয়েন্দা তথ্যের সঠিক ও সময়োপযোগী বিশ্লেষণ, সৎ ও দক্ষ পুলিশিং, দ্রুত বিচারব্যবস্থা, দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন এবং সর্বোপরি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকে। এ মৌলিক স্তম্ভগুলোর অনুপস্থিতিতে যে কোনো প্রযুক্তিগত উদ্যোগ শুধু একটি ব্যয়বহুল খেলনায় পরিণত হতে বাধ্য। পাকিস্তানের ‘সেফ সিটি’ প্রকল্প প্রযুক্তিগতভাবে দেখতে যতই আকর্ষণীয় এবং জাঁকজমকপূর্ণ হোক না কেন, বাস্তব ফলাফলের দিক থেকে এটি এখনো একটি চরমভাবে ব্যর্থ ও বিতর্কিত মডেল। তাই আমাদের নীতিনির্ধারকদের উচিত বাহ্যিক চাকচিক্য এবং কূটনৈতিক সস্তা জনপ্রিয়তায় মুগ্ধ না হয়ে এ রূঢ় বাস্তবতাকে গভীরভাবে ও বস্তুনিষ্ঠভাবে মূল্যায়ন করা।

নিরাপত্তা ও অপরাধের প্রকৃত পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য বিশ্বজুড়ে গবেষক ও নীতিনির্ধারকেরা সাধারণত আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দুটি সূচকের ওপর নির্ভর করেন। এর একটি হলো জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক সংস্থার (ইউএনওডিসি) ‘ইচ্ছাকৃত হত্যার হার’ এবং অন্যটি হলো ‘নামবিও ক্রাইম ইনডেক্স’। এখানে উল্লেখ্য যে, নামবিও মূলত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাধারণ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, মতামত ও ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।

অন্যদিকে, ইউএনওডিসি সরাসরি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে বৈজ্ঞানিক উপায়ে এ সূচক তৈরি করে, যা আন্তর্জাতিক গবেষণা, কূটনীতি এবং রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

ইউএনওডিসির মতে, যে কোনো সমাজে সহিংস অপরাধের গভীরতা পরিমাপের সবচেয়ে বস্তুনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাপকাঠি হলো প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে ইচ্ছাকৃত হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা। এ সূচক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বাংলাদেশে প্রতি এক লাখে বার্ষিক হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা প্রায় ২.৪ থেকে ২.৭টি। অন্যদিকে, পাকিস্তানে এ হার প্রায় ৩.৬ থেকে ৬.৩টি। অর্থাৎ, কঠিন ও অকাট্য পরিসংখ্যান অনুযায়ী সহিংস অপরাধ ও জীবনের নিরাপত্তার দিক থেকে পাকিস্তানের সার্বিক পরিস্থিতি বাংলাদেশের চেয়ে বহুগুণে খারাপ।

তবে বিপরীত চিত্র দেখা যায় নামবিওর ২০২৬ সালের সেফটি ইনডেক্সে। এ সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ৩৯.২৬ এবং পাকিস্তানের স্কোর ৫৭.৮৯। এ জরিপ অনুযায়ী, ব্যবহারকারীদের মনস্তাত্ত্বিক ধারণা ও ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে বাংলাদেশে অপরাধের মাত্রা পাকিস্তানের চেয়ে বেশি বলে প্রতীয়মান হয়। এমনকি এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নামবিওর তালিকায় বাংলাদেশ চতুর্থ এবং পাকিস্তান ১৮তম অবস্থানে রয়েছে। এ বৈপরীত্য স্পষ্ট করে দেয় যে, বাংলাদেশে অপরাধের প্রকৃত হারের চেয়ে সাধারণ মানুষের মনে নিরাপত্তাহীনতার বোধ ও ভীতি অনেক বেশি। আর এই ভীতি শুধু প্রযুক্তি দিয়ে দূর করা সম্ভব নয়; এর জন্য প্রয়োজন আইনের শাসন ও প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা।

এ বৈসাদৃশ্যপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে পাকিস্তানের মতো একটি ভঙ্গুর নিরাপত্তাব্যবস্থার দেশ থেকে কোনো ব্যর্থ মডেল আমদানি করা বাংলাদেশের জন্য হবে একটি চরম আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।

বাংলাদেশের নিরাপত্তা সংকট, অপরাধের ধরন, সামাজিক কাঠামো, প্রশাসনিক সক্ষমতা এবং সামগ্রিক নগর ব্যবস্থাপনা পাকিস্তানের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। আমাদের দেশে অপরাধের বড় অংশজুড়ে থাকে পারিবারিক সহিংসতা, জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধ, আর্থিক জালিয়াতি এবং কিশোর গ্যাংয়ের মতো সামাজিক অবক্ষয়জনিত অপরাধ। অন্যদিকে, পাকিস্তানের মূল সংকট হলো রাষ্ট্রীয় সীমানা পেরিয়ে আসা উগ্রবাদ, ভূ-রাজনৈতিক সহিংসতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা। তাই অন্য কোনো দেশের বিতর্কিত কোনো প্রকল্প হুবহু নকল করা কখনোই আমাদের জন্য টেকসই উন্নয়নের পথ হতে পারে না। প্রতিটি স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশের উচিত নিজস্ব সামাজিক বাস্তবতার ওপর ভিত্তি করে নিজস্ব নিরাপত্তা নীতি প্রণয়ন করা।

এর বাইরেও এ ধরনের ‘সেফ সিটি’ প্রকল্পের একটি অত্যন্ত অন্ধকার ও বিপজ্জনক দিক রয়েছে, যা নিয়ে নাগরিক সমাজ ও মানবাধিকার কর্মীদের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। এ ধরনের মেগা প্রকল্পের আড়ালে নাগরিকদের ওপর রাষ্ট্রীয় নজরদারির একটি বিশাল ও নিয়ন্ত্রণহীন জাল বিছানো হয়। ফেসিয়াল রিকগনিশন ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে মানুষের প্রতিটি পদক্ষেপ, ব্যক্তিগত চলাচল, এমনকি দৈনন্দিন জীবনের গোপনীয় কর্মকাণ্ডও রাষ্ট্রের সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় চলে আসে। যদি এ প্রযুক্তির ওপর কোনো স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদারকি ব্যবস্থা, শক্তিশালী ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন এবং কঠোর বিচারিক নিয়ন্ত্রণ না থাকে, তবে তা অপরাধ দমনের চেয়ে ভিন্নমতাবলম্বীদের দমন, রাজনৈতিক নজরদারি এবং নাগরিক স্বাধীনতাকে চরমভাবে সংকুচিত করার একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। আমাদের দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এ ধরনের প্রযুক্তির অপব্যবহারের আশঙ্কা কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

তা ছাড়া এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নে হাজার হাজার কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা ও জাতীয় বাজেটের অপচয় করতে হয়। বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটের সময়ে দাঁড়িয়ে আমাদের কি এ ধরনের বিলাসী প্রযুক্তি আমদানির পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করা উচিত? এ বিশাল অঙ্কের বাজেট যদি আমাদের ভঙ্গুর ফরেনসিক ল্যাবগুলোর আধুনিকায়ন, পুলিশ সদস্যদের পেশাদারত্ব ও মনস্তাত্ত্বিক দক্ষতা বৃদ্ধি, দ্রুত বিস্তার লাভ করা সাইবার অপরাধ দমন, জরুরি সেবার আধুনিকায়ন কিংবা তৃণমূল পর্যায়ে কমিউনিটি পুলিশিং জোরদার করার পেছনে ব্যয় করা হতো, তবে কি আমরা আরও অনেক বেশি টেকসই ও কার্যকর সুফল পেতাম না?

একটি দেশের নিরাপত্তাব্যবস্থার আসল সফলতা কখনো প্রযুক্তির উচ্চ মূল্যের ওপর নির্ভর করে না; বরং তা নির্ভর করে সেই প্রযুক্তি পরিচালনার পেছনে থাকা মানুষের সক্ষমতা, স্বচ্ছতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহির ওপর।

যে দেশ এখনো নিজের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সমস্যারই ন্যূনতম কোনো টেকসই সমাধান করতে পারেনি, তাদের মডেল অন্ধভাবে গ্রহণ করা বাংলাদেশের জন্য কৌশলগত ও নীতিগত দিক থেকে একটি বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা এবং দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা বিনিময় করা অবশ্যই ইতিবাচক। কিন্তু দেশের সার্বভৌম নিরাপত্তা নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে সস্তা প্রশংসা ও বাহ্যিক চাকচিক্যের চেয়ে বাস্তব অভিজ্ঞতা, তথ্য-প্রমাণ এবং দীর্ঘমেয়াদি ফলাফলই হওয়া উচিত আমাদের একমাত্র প্রধান বিবেচনা।

লেখক : সাংবাদিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  সেফ সিটি   বাংলাদেশ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলা মত ও সম্পাদকীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close