শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬,
২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: হামে আরও চার শিশুর মৃত্যু      একটি চক্র জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করার জন্য সক্রিয়: প্রধানমন্ত্রী      সমর্থন করে না বললেও হাসিনার পাশেই ভারত      জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে দুর্নীতি-অব্যবস্থাপনা      অপরিকল্পিত নগরায়ণে চট্টগ্রামজুড়ে বিশৃঙ্খলা      ব্যবসায়িক সিন্ডিকেট ভাঙতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে : আইনমন্ত্রী      প্রতিরক্ষা চুক্তির আগে মক্কায় শীর্ষ নেতাদের জুমার নামাজ আদায়      
খোলাকাগজ স্পেশাল
পোশাক খাতে নতুন সম্ভাবনা
রোকন উদ্দিন
প্রকাশ: শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৪ পিএম
ছবি : খোলা কাগজ

ছবি : খোলা কাগজ

বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতে নতুন সম্ভাবনা দেখছে দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানিগুলো। এ শিল্পকে তারা উচ্চমূল্য সংযোজনভিত্তিক খাতে রূপান্তরে বড় সম্ভাবনা দেখছে। এজন্য তারা কৃত্রিম তন্তু (ম্যান-মেড ফাইবার), ফাংশনাল ও টেকনিক্যাল টেক্সটাইল, স্বয়ংক্রিয় সেলাই যন্ত্রপাতি এবং গার্মেন্টস অ্যাকসেসরিজ খাতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী। 

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে কোরিয়া ট্রেড-ইনভেস্টমেন্ট প্রমোশন এজেন্সি (কোটরা) ঢাকার উপপরিচালক লি সুং-হুন (ড্যানিয়েল লি) এ সম্ভাবনার কথা জানান। 

লি সুং-হুন বলেন, দক্ষিণ কোরিয়ার উন্নত প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের রূপান্তর কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বাংলাদেশের পোশাক খাতকে শুধু পরিমাণভিত্তিক উৎপাদন থেকে উচ্চমূল্য সংযোজনকারী শিল্পে পরিণত করতে কোরিয়ান প্রতিষ্ঠানগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৪ শতাংশ এবং মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১০ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করছে। এ খাত এখনো প্রাকৃতিক তন্তুনির্ভর এবং গড় মূল্য সংযোজনের হার প্রায় ৩০ শতাংশ। 

কোটরার এই কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের পোশাকশিল্পের মূল্য শৃঙ্খলে আরও ওপরে ওঠার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। কৃত্রিম তন্তু, ফাংশনাল ও টেকনিক্যাল টেক্সটাইল উৎপাদনে দক্ষিণ কোরিয়া বিশ্বব্যাপী প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে রয়েছে। 

একইসঙ্গে বাংলাদেশ পোশাক উৎপাদনে এমএমএফের ব্যবহার বাড়ানোর নীতি গ্রহণ করেছে। ফলে দুই দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্রে এটি একটি স্বাভাবিক ও সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রেতাদের চাহিদা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে জানিয়ে লি সুং-হুন বলেন, এখন শুধু সাধারণ পোশাক নয়, ফাংশনাল ফ্যাব্রিক, পারফরম্যান্স ওয়্যার এবং টেকসই উৎপাদন প্রক্রিয়ায় তৈরি পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। এ পরিবর্তিত চাহিদা পূরণে বাংলাদেশের পোশাক খাতে প্রযুক্তি ও পণ্যের বৈচিত্র্য বাড়ানো জরুরি। 

কোরিয়ান এই কর্মকর্তা বলেন, স্বয়ংক্রিয় কাটিং ও সেলাই ব্যবস্থা, গার্মেন্টস ও ফুটওয়্যার অ্যাকসেসরিজ এবং আধুনিক উৎপাদন প্রযুক্তিতে সহযোগিতা বাড়ানো গেলে বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতা বাড়বে, নতুন ধরনের পণ্য তৈরি করা সম্ভব হবে এবং বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে। বাংলাদেশের পোশাকশিল্প আধুনিকায়নে তারা তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছেন। সেগুলো হলো- পণ্যের মানোন্নয়ন, উৎপাদন প্রক্রিয়ার স্বয়ংক্রিয়করণ এবং উদীয়মান পরিবেশগত ও নিয়ন্ত্রক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্য নিশ্চিত করা।

কেকে/এআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  বাংলাদেশের পোশাক খাত   দক্ষিণ কোরিয়া বিনিয়োগ   কোরিয়ান কোম্পানি   তৈরি পোশাক শিল্প  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close