বিশ্ব বিড়াল দিবস আজ। প্রতি বছর ৮ আগস্ট বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়। শুধু পোষা প্রাণী হিসেবে বিড়ালকে ভালোবাসা নয়, তাদের যত্ন, নিরাপত্তা ও কল্যাণ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করাই এই দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য।
২০০২ সালে আন্তর্জাতিক প্রাণীকল্যাণ সংস্থা ‘ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর অ্যানিমাল ওয়েলফেয়ার’ (আইএফএডব্লিউ) বিশ্ব বিড়াল দিবসের সূচনা করে। ২০২০ সাল থেকে দিবসটির দায়িত্ব নেয় যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংগঠন ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্যাট কেয়ার’।
বিড়াল বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পোষা প্রাণী। মানুষের সঙ্গে তাদের সম্পর্কও বহু পুরনো। প্রাচীন মিসরে বিড়ালকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হতো। সেখানে দেবী বাসতেতকে প্রায়ই বিড়ালের অবয়বে দেখানো হতো। তবে এই দিবস শুধু পোষা বিড়ালকে নিয়ে আনন্দ করার জন্য নয়।
পথের ও গৃহহীন বিড়ালদের প্রতিও মানুষের দায়িত্বের কথা মনে করিয়ে দেয় দিনটি। অসুস্থ বা আহত বিড়ালের চিকিৎসা, আশ্রয় দেওয়া, দত্তক নেওয়া এবং প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুরতা বন্ধে সচেতনতা তৈরিও দিবসটির গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।
বিড়াল নিয়ে কিছু মজার তথ্য
বিড়ালের সামনের পায়ে সাধারণত পাঁচটি এবং পেছনের পায়ে চারটি করে আঙুল থাকে। তবে কিছু বিড়ালের অতিরিক্ত আঙুলও থাকতে পারে। বিড়ালের নাকের ওপরের দাগ বা রেখার বিন্যাস প্রতিটি বিড়ালের জন্য আলাদা—অনেকটা মানুষের আঙুলের ছাপের মতো। আর একসঙ্গে অনেকগুলো বিড়ালকে ইংরেজিতে বলা হয় ‘ক্লাউডার’।
কিভাবে পালন করা যায় দিবসটি?
পোষা বিড়ালের সঙ্গে একটু বেশি সময় কাটানো, তার খাবার ও স্বাস্থ্য নিয়ে খেয়াল রাখা কিংবা নতুন কোনো খেলনা দেওয়া—এভাবেই দিনটি উদযাপন করতে পারেন। আর যদি পোষা বিড়াল না থাকে, তাহলে আশপাশের কোনো অসহায় বিড়ালকে খাবার দেওয়া বা সম্ভব হলে একটি বিড়ালকে দত্তক নেওয়ার উদ্যোগও হতে পারে এই দিনের সুন্দর উদযাপন।
বিশ্ব বিড়াল দিবস তাই শুধু বিড়ালপ্রেমীদের আনন্দের দিন নয়; প্রাণীদের প্রতি মমতা, দায়িত্ববোধ ও সহানুভূতির কথাও মনে করিয়ে দেয় এই দিন।
কেকে/এমএ