শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬,
৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: ১৫৩ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় দিন শেষ করল বাংলাদেশ      ভাইয়ের সম্পত্তিতে বোনের স্বত্ব নেই: হাইকোর্ট      আধুনিক পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার নতুন দিগন্তে চট্টগ্রাম ওয়াসা      দলের কাণ্ডারি থেকে রাষ্ট্রের অভিভাবক      তামিমকে টপকে টেস্টে মোমিনুলের রেকর্ড      সবার মতামত নিয়েই সংবিধান সংশোধন হবে : চিফ হুইপ      রাষ্ট্রপতি নির্বাচন : ইসিতে তিনটি মনোনয়নপত্র দাখিল      
জীবনানন্দ
স্মরণে-বিস্মরণে হুমায়ুন আজাদ
মাসুদুজ্জামান
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৬, ২:৩৪ পিএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

তার সঙ্গে আমার প্রথম দেখাটা ছিল অনেকটা আনুষ্ঠানিক, কিন্তু আবেগকম্প্র। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ফাইনাল ইয়ারে পড়ছি। ক্লাস তখনও শুরু হয়নি। কয়েকটা বড়ো বড়ো কোর্স। বিকল্পও আছে প্রতিটি কোর্সের। কোন কোর্সটি নেব, বিশেষ করে বাংলা  ভাষাতত্ত্বের কোন কোর্সটা নেব, ঠিক করতে পারছিলাম না। একদিকে বাংলা ভাষাতত্ত্বের ইতিহাসের কোর্স, বিকল্প হচ্ছে আধুনিক বর্ণনামূলক বাংলা ভাষাতত্ত্ব। বিভাগীয় নোটিস বোর্ডে কে কোন কোর্স পড়াবেন দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তি। সেই বিজ্ঞপ্তিতে চোখ পড়তেই একটা নামের প্রতি আমার দৃষ্টি বিশেষভাবে নিবদ্ধ হলো। হুআ- হুমায়ুন আজাদ। পড়াবেন ভাষাতত্ত্বের বিকল্প কোর্সটি, অর্থাৎ আধুনিক বর্ণনামূলক বাংলা ভাষাতত্ত্ব। কিন্তু ক্লাসের যে সহপাঠী বা সহপাঠিনীকে জিজ্ঞেস করি, “না, না, বাবা, ওই কোর্স পড়ব না।” কেন প্রশ্ন করতেই উত্তর আসে, সিনিয়রদের কাছে জিজ্ঞেস করে দেখেছি, কেউ এই বিষয়টা ভালো করে জানেই না। সবাই বলছে, ভাষাতত্ত্বের ইতিহাস কোর্সটা নিয়ে নাও।

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর বই আছে, সেখান থেকে পড়লেই অনেক নম্বর পাবে। আর ওই কোর্সটা তো পড়াবেন হুমায়ুন আজাদ। যে স্মার্ট টিচার, সদ্য বিদেশ থেকে ডিগ্রি করে ফিরেছেন, খুব মেজাজি লোক, একে তো বিষয়টা বুঝব না, তার উপর পড়াবেন হুমায়ুন আজাদ। আমাদের কাজ নেই ওই কোর্স নিয়ে। আমাদের পাস করলেই হলো, ইতিহাসের কোর্সটাই নেব।” 

অগত্যা কী করা, ভাবছি। এদিকে আমার চিরকালের আকর্ষণ আধুনিক বিষয়-আশয়ের প্রতি, তা পাঠ্য হোক বা আউট বই। কথায় কথায় এক সহপাঠীকে পাওয়া গেল। আমরা দুজনে পাশাপাশি দুই রুমে থাকি, সলিমুল্লাহ হলে- মাসুদ সিদ্দিকী; পরে সচিব হয়ে অবসরে গেছে। ওরও অভ্যেস অনেকটা আমার মতো, যারা তুলনামূলকভাবে আধুনিক বিষয় পড়ান, তাদের প্রতি আকর্ষণ। মাসুদের সঙ্গে আলাপ করে ঠিক করলাম, হুমায়ুন আজাদের কোর্সটাই নেব।

ক্লাস শুরুর আগেই একদিন পরিচিত হতে গেলাম স্যারের রুমে। স্যার ভীষণ ছটফট করে হাত, মুখ, শরীর নাড়িয়ে কথা বলেন। গল্পে গল্পে এডিনবরার কথা উঠল। তখনও মনে হচ্ছিল তিনি এডিনবরাতেই আছেন। যখনই শুনলেন তার কোর্সটা নিচ্ছি আমরা দুজন, স্যার ভীষণ খুশি হলেন। বাইরে থেকে ফিরে এসে, সেটাই ছিল তার প্রথম কোনো বিষয়ে ক্লাস নেওয়া। আমরা হতে যাচ্ছি তার প্রথম ছাত্র। 

শুরু হলো ক্লাস, স্যার পড়ানোর সময় ভীষণ আবেগপ্রবণ থাকতেন। বিশেষ বাচনভঙ্গি ছিল তার। কিছুটা কৃত্রিম মনে হলেও আমার মনে হয়েছিল প্রমিত বাংলা বলার ঝোঁক থেকেই তিনি অমন করে কথা বলতেন। বিপত্তি বাঁধল বিষয়ভিত্তিক পাঠ্যবই নিয়ে। বললেন, সব বই তো ইংরেজিতে। আমি আধুনিক বাংলা ভাষাতত্ত্ব নিয়ে একটা বই লিখছি। বইটা হবে বাংলা বাক্যতত্ত্ব নিয়ে। তোমাদের আমি টাইপ কপি দেবো, তোমরা পড়ে নিও। 

পড়াচ্ছেন তিনি, আমরা বুঝবার চেষ্টা করছি। তখন সত্যি বলতে মাথামুণ্ডু তেমন কিছুই বুঝিনি। প্রায় সবই মুখস্থ করে গেছি। ভয়ও ছিল, পাস করব তো? স্যার মাঝে মাঝে এটা-ওটা বুঝিয়ে দিতেন নিজের রুমে বসে। আজ মনে নেই, তবে সব মিলিয়ে আমরা ছাড়া আর বোধহয় একজন কী দুজন কোর্সটা নিয়েছিল। কী যেন একটা নিয়ম ছিল- ১৫-২০ জন না হলে সেই কোর্স পাঠ্য রাখা হয় না। স্যার কীভাবে যে সেটা ম্যানেজ করেছিলেন, আজ আর মনে নেই।

স্যারের সঙ্গে সেই আমার ঘনিষ্ঠতা। এরপর স্যারের বেরুলো ‘নিঃসঙ্গ শেরপা’ বইটা। সেই বই, আমাদের মুগ্ধ করল। মুগ্ধতার কারণ একদিকে শামসুর রাহমান, অন্যদিকে আধুনিক কবিতার বিশ্লেষণ। কবিতার প্রতি আমার দুর্বলতা সব সময়ই ছিল। তখন ছিল আরও বেশি। কিছুটা ব্যক্তিগত হয়ে গেলেও বলি, দৈনিক বাংলায় অনার্সের সেই ফার্স্ট ইয়ার থেকে আহসান হাবীবের হাত দিয়ে প্রায়ই কবিতা প্রকাশের সূত্রে সহপাঠীরা আমাকে সমীহ করতে শুরু করে। এই সময়েই পড়ছিলাম স্যারের বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকশিত কবিতা। বাংলা বিভাগে তখন একঝাঁক খ্যাতিমান শিক্ষক- আহমদ শরীফ, সনজীদা খাতুন, রফিকুল ইসলাম, আবু হেনা মোস্তফা কামাল; কিন্তু এদের সবাইকে ছাড়িয়ে হুমায়ুন আজাদের নাম বিভাগে এবং বিভাগের বাইরে সবার মুখে মুখে। স্যারের সমাদর আমাদের কাছে শুধু তার তারুণ্য আর খ্যাতির জন্য নয়; তিনি তরুণদের সঙ্গে অবলীলায় মিশতেন। আড্ডা দিতেন। তবে বোকার মতো কথা বললে, বা কম পড়াশোনা থাকলে খুব একটা গুরুত্ব দিতেন না। লেখালেখি করতাম বলে স্যারের সান্নিধ্যে ছিলাম তার প্রায় মৃত্যু অবধি। এই সূত্রেই স্যারের সঙ্গে সাহিত্যের অনেক বিষয়েই আলাপ হতো। তার সঙ্গে আমার মতবিরোধও ঘটেছে। 

স্যার ছিলেন আধুনিকতাবাদ বা মর্ডানিজমের দুর্মর ভক্ত। আধুনিকতা ছাড়া কিছুই বুঝতেন না। তিনি গুরুত্ব দিতেন, বেশ ভালোভাবেই দিতেন, তিরিশের বাঙালি কবিদের। খুব বেশি গুরুত্ব দিতেন বা রীতিমতো গুরু মানতেন বুদ্ধদেব বসুকে। অন্যদিকে বোদলেয়ার ছিল স্যারের ভীষণ প্রিয়। সেটা যে ওই বুদ্ধদেব বসুর সূত্রে, বুঝেছিলাম তখনই। কিন্তু আমি তখন আরও একটু এগিয়ে পড়ছিলাম উত্তর-আধুনিকতার বিষয়টি। তখনই আমার হাতে আসে জ্যঁ-ফ্রাসোয়াঁ লিওতার্দের দ্য পোস্টমডার্ন কন্ডিশন বইটা। পাশাপাশি পড়ছিলাম জাঁক দেরিদা, মিশেল ফুকো। এই পঠনপাঠনে সহায়তা বা উদ্বুদ্ধ করছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক লেখক-কবি বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর। জাহাঙ্গীর স্যারের কাছ থেকেই ধার নিয়ে অনেক বই পড়েছি। সেসব বইয়ের মধ্যে এডওয়ার্ড সাঈদের ওরিয়েন্টালিজমও ছিল। কিন্তু স্যারকে এদের কথা বললেই রীতিমতো ক্রুদ্ধ হতেন। 

আধুনিকতার বাইরে আর কোনো ভাবনাচিন্তা বা দার্শনিকতা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, সেটা তিনি স্বীকার করতেন না। এই নিয়ে একদিন তার লেকচার থিয়েটারের রুমে আমার তুমুল বাদানুবাদ হলো। তার ধমকের তোড়ে আমি ছিটকে বেরিয়ে এলাম সেই রুম থেকে। তারপর অনেক দিন স্যারের সঙ্গে দেখা করিনি। অভিমান হয়েছিল অনেক। কেননা, আমি ততদিনে পাস করে বেরিয়ে এসেছি। বৃত্তি নিয়ে চলে যাচ্ছি কলকাতার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে। 

চার বছর পর ফিরে এসে দেখলাম, স্যার আগের চাইতে আরও খ্যাতি অর্জন করেছেন। তার মধ্যে রাজনৈতিক মতাদর্শও তৈরি হয়েছে। ‘নারী’ বইটা তখন বেরিয়ে গেছে। বাংলাদেশে হুমায়ুন আজাদই প্রথম যিনি এই বিষয়টির আধুনিকতার দিকে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। তাকে আমি বলব, প্রথম নারীবাদী পুরুষ পণ্ডিত। তার বইটা নিয়ে কিঞ্চিত বিতর্ক আছে। কিন্তু কে কবে পাশ্চাত্যের এই নারীবাদ নিয়ে বাংলাদেশে লিখেছেন? কেউ না। অনেকটা স্যারের অনুপ্রেরণাতেই আরও অগ্রসর নারীবাদী বিষয় নিয়ে আমি লিখি ‘নারী যৌনতা রাজনীতি’ শীর্ষক বই। 

নারীবাদের প্রতি ঝোঁক থেকেই আমার মনে হয়েছে স্যারের মধ্যে মুক্তচিন্তার উন্মেষ ঘটে। আমাদের সমাজ সংস্কৃতি রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ কূপমণ্ডুকতা, কুসংস্কার, বিকৃতি, বিকার, হিপোক্রেসি, দুর্নীতি, রাজনৈতিক ভ্রষ্টাচার তার চোখে পড়তে শুরু করে। তিনি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে লিখতে শুরু করেন কলাম। একথা আজ অনস্বীকার্য, তিনিই প্রথম শাণিত, তীক্ষè রাজনৈতিক কলাম লেখা শুরু করেন সংবাদপত্রে। দ্বিতীয় যার কথা মনে পড়ছে তিনি আবদুল গাফফার চৌধুরী। তবে হুমায়ুন স্যার ছিলেন এক্ষেত্রে অনন্য। একের পর এক তিনি প্রতিক্রিয়াশীলতার দুর্গে আঘাত করে গেছেন নির্ভয়ে। আমি তাকে একবার ছাড়া কোনো দিন ভয় পেতে দেখিনি। সেটা সেদিন, যেদিন তিনি বইমেলা থেকে ফেরার পথে বাংলা একাডেমির অদূরে আক্রান্ত হয়েছিলেন। কিন্তু ততদিনে তিনি বাংলাদেশের প্রথম অকুতোভয় মুক্তচিন্তক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছেন।

স্যারের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকার আরও অনেক স্মৃতি আছে। সেসব সরিয়ে রেখে তার শেষ দিনগুলোর কথা বলতে চাই। আক্রান্ত হবার পরের দিনগুলোর কথা প্রায় সবারই জানা। তখন সোশ্যাল মিডিয়া না থাকলেও টেলিভিশন ও দৈনিক পত্রিকায় স্যারের বেঁচে থাকার সংগ্রাম নিয়ে লেখালেখি হচ্ছিল। তিনি যখন জার্মানি গেলেন এবং জার্মানিতে তাঁর মৃত্যুর পর অনেকেই তাঁকে নিয়ে নোংরামি করেছেন। মনগড়া কাহিনি লিখে বই প্রকাশ করেছেন। এর সবই আমি অনেক পরে জেনেছি জার্মান প্রবাসী লেখক-চিন্তক সুলতানা আজীমের কাছ থেকে।

সুলতানা আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু। সে জার্মানি থাকতে হুমায়ুন আজাদের সূত্রে এই ঘনিষ্ঠতা হয়। সুলতানা যখনই ঢাকায় আসত, বছরে একবার আসতই, সেটা বইমেলার সময়; হুমায়ুন আজাদের একান্ত ব্যক্তিগত অনেক প্রসঙ্গ- তাঁর জীবনবোধ, সাহিত্যচর্চা ইত্যাদি আমাকে খুলে বলেছে। 

এক সন্ধ্যায় আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিচার্স ক্লাব থেকে বেরিয়ে লেকচার থিয়েটারের সামনে দিয়ে যাচ্ছি। কোলাপসিবল গেটের সামনে সুলতানা হঠাৎ থমকে দাঁড়াল। কয়েক মুহূর্ত, দেখলাম তার চোখ ছলছল করছে। ওপর থেকে বোঝা যায় না, কিন্তু ভেতরে ভেতরে সে তীব্র আবেগপ্রবণ মানবিক মানুষ। হুমায়ুন আজাদের সঙ্গে তার পরিচয় হয়েছিল অনেক আগে। হুমায়ুন আজাদের একটা বইয়ের সমালোচনা সূত্রে। তখন তিনি সদ্য সুন্দরী তরুণী। তাদের সেই সম্পর্ক ছিল স্যারের মৃত্যু পর্যন্ত। আসলে হুমায়ুন আজাদের শেষ দিনগুলোতে সুলতানাই ছিলেন তার পরমনির্ভর মানুষ। জার্মানিতে গিয়ে হুমায়ুন আজাদ প্রশান্তি খুঁজেছিলেন। ত্রিভুবনে যদি কেউ থেকে থাকে, তাহলে সুলতানাই হচ্ছে সেই মানুষ যে তাকে দুদণ্ড শান্তি দিয়েছিল। শান্তির কথা বলছি একারণেই যে, হুমায়ুন আজাদ ব্যক্তিগত জীবনে সুখী ছিলেন না। সুলতানার মতো মানসিকভাবে দৃঢ়, নৈতিকভাবে সমুচ্চ, মতাদর্শিকভাবে স্বচ্ছ আর প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত নারী আমি দ্বিতীয় কাউকে দেখিনি। 

হুমায়ুন আজাদ কেন তার প্রতি নির্ভর করে জার্মানি গিয়েছিলেন, এ থেকেই তা বোঝা যাবে। সুলতানা হুমায়ুন আজাদের শেষ দিনগুলো নিয়ে একটা মর্মস্পর্শী বই লিখেছে। বইটির নাম ‘তিনি এখন মুক্ত’। সঙ্গত কারণেই সব কথা সে তার বইতে বলতে পারেনি। আমিও, লিখতে গেলে রীতিমতো একটা উপন্যাস হয়ে যাবে; অনুক্ত রাখলাম সুলতানার কাছ থেকে শোনা হুমায়ুন আজাদের   নানান কথা। এর পরিবর্তে আমি বরং সুলতানার বইয়ের একটা ছোট্ট অংশ উদ্ধৃত করে আমার লেখাটি শেষ করছি : 

“প্রথাগত শোকসভায় কি প্রকাশ করা যায় সেই শোক, যা শরীরের রক্তকে করে তোলে নীল? যা প্রজ্বলিত করে, অনির্বাণ একটি অগ্নিকুণ্ড বুকের ভেতর? কেনোই বা প্রকাশ করতে হবে এই শোক? কার কাছে? কেনো কমাতে হবে এর ভার? এটুকু যদি না পারি বইতে আজীবন, তাহলে কেনো এই সব প্রিয় সম্পর্ক? কেনো নিতে হবে, জরুরি এ রকম সব সম্পর্কের দায়?... আমার ভেতরে আমি বয়ে চলি বিষ ও আগুন, সেই সাথে, প্রিয় অমৃত তোমাকেও।’ হাইনরিশ হাইনের কবিতার প্রতিধ্বনি একাকার হয়ে আছে, আমার মধ্যে। হয়তো আমাদের মতো মানুষদের, অনেকের মধ্যেই। তবুও কি তিনি বেঁচে নেই? বেঁচে থাকবেন তিনি ততদিন, যতদিন বেঁচে থাকবে বাংলা ভাষা। আমি ধারণা করছি।

কেকে/এলএ



আরও সংবাদ   বিষয়:  হুমায়ুন আজাদ  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...
সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close