বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২৫ ভাদ্র ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের গাফিলতিতে নাকাল গ্রাহক, বিব্রত সরকার      জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির শপথ নিলেন খলিলুর রহমান      ‘আইনজীবীদের ইনকাম কমে গেছে’—মন্তব্য ঘিরে আপিল বিভাগে যা ঘটল      ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল ৯ জনের      হামের উপসর্গ নিয়ে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৯৯৯      প্রাথমিকের ১৪৩৮৪ সহকারী শিক্ষকের যোগদান ১ অক্টোবর      ডেঙ্গু প্রতিরোধে তিন মাসের বিশেষ অভিযান, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
পাহাড় কাটা বন্ধে ৩ দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ
বান্দরবান প্রতিনিধি
প্রকাশ: বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ১১:২৭ এএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

বান্দরবানের লামা উপজেলায় পাহাড় কাটা বন্ধে তিন দিনের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে প্রশাসনের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে স্থানীয় আর্মি ক্যাম্প কমান্ডারকেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

লামায় ৪০টি ইটভাটার জন্য পাহাড় কাটার সংবাদ বিভিন্ন স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হলে জনস্বার্থে পাহাড় কাটা বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ (এইচআরপিবি) গত ৩০ অক্টোবর হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করে।

রিট পিটিশনের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমেদ ভূঁইয়ার হাইকোর্ট বেঞ্চ চার সপ্তাহের রুল জারি করেন। একই সঙ্গে একটি মনিটরিং কমিটি গঠন করে তিন দিনের মধ্যে লামায় পাহাড় কাটা বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন আদালত।

অপর এক আদেশে পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পরিবেশ আইনের ১৫ ধারা অনুযায়ী শাস্তি ও অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।

শুনানিতে অংশ নেওয়া সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ বলেন, ‘পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫-এ পাহাড় কাটা বা ধ্বংস করার ওপর বিধিনিষেধ রয়েছে। ওই আইনের ১৫ ধারায় পাহাড় কাটার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের জেল বা অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে।’

তিনি বলেন, আইনের কঠোর প্রয়োগ না হওয়ায় পার্বত্যাঞ্চলে পাহাড় কেটে ইটভাটার মালিকরা পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি করছেন। আদালতের বিভিন্ন নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও ইটভাটা পরিচালনার জন্য পাহাড় কাটা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

আদালতের জারি করা রুলে লামা উপজেলায় পাহাড় কাটা বন্ধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তা কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে না, বান্দরবান জেলার পাহাড় কাটা ও ধ্বংস বন্ধে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না এবং কেটে ফেলা পাহাড় পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না—তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

রিট পিটিশনে বাদীপক্ষে ছিলেন এইচআরপিবির অ্যাডভোকেট মো. ছারওয়ার আহাদ চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট রিপন বারোই। বিবাদীরা হলেন পরিবেশ সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও পরিচালক, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং বান্দরবান আর্মি ক্যাম্প কমান্ডারসহ ১১ জন।

রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। তাকে সহযোগিতা করেন অ্যাডভোকেট সঞ্জয় মণ্ডল ও অ্যাডভোকেট নাছরিন সুলতানা। সরকারপক্ষে উপস্থিত ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মহিউদ্দিন মো. হানিফ।

লামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঈন উদ্দিন বলেন, “আমি ছুটিতে আছি। হাইকোর্টের নির্দেশনা পেলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”


কেকে/সাশ 



আরও সংবাদ   বিষয়:  পাহাড় কাটা   লামা   হাইকোর্ট  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close