দুই দশক পর নানাবাড়ি ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলায় আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর তার ফেনী সফরকে ঘিরে পুরো জেলায় চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। পাশাপাশি দীর্ঘদিন পর প্রিয় স্বজনকে কাছে পাওয়ার অপেক্ষায় আবেগঘন সময় পার করছেন তার নানাবাড়ির পরিবারের সদস্যরা।
সফরকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে ফুলগাজী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও আশপাশের এলাকায় প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন মাঠটি পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি মঞ্চ প্রস্তুতি ও অন্য আনুষঙ্গিক বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৭ সেপ্টেম্বর সকালে প্রধানমন্ত্রী পরশুরামে মুহুরী, কহুয়া ও সিলোনিয়া নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও পানি নিষ্কাশন প্রকল্পের কাজ উদ্বোধন করবেন। পরে বেগম খালেদা জিয়া মহিলা কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এরপর ফুলগাজীতে তার নানাবাড়ি ও পারিবারিক কবরস্থান পরিদর্শনের কথা রয়েছে।
বিকেলে ফুলগাজী পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন তিনি। একই অনুষ্ঠানে ২৮০ জন ইমাম ও পুরোহিতকে ভাতা প্রদান, চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা ও দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কর্মসূচিও উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।
তারেক রহমানের ফেনী সফরকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রস্তুতির পাশাপাশি তার নানাবাড়ির স্বজনদের মধ্যেও তৈরি হয়েছে ভিন্ন আবেগন পরিবেশ। দীর্ঘদিন পর প্রিয় স্বজনকে সামনে থেকে দেখার অপেক্ষায় রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তাকে কাছে পেয়ে কিছুটা সময় কাটানোর পাশাপাশি আলিঙ্গন করার আকাঙ্ক্ষার কথাও জানিয়েছেন তারা।
তারেক রহমানের নানাবাড়ির পরিবারের পক্ষ থেকে তার খালাতো ভাই ফেনীর রবি মজুমদার বলেন, “দীর্ঘদিন পর প্রিয় স্বজনকে কাছে পাওয়ার অপেক্ষায় আমরা পুরো পরিবার। তাকে একবার কাছে পেয়ে আলিঙ্গন করতে পারাটাই আমাদের জন্য হবে সবচেয়ে আবেগের মুহূর্ত।”
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়-সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সী রফিকুল আলম মজনু বলেন, ‘দীর্ঘ সময় পর তারেক রহমান তার নানার বাড়ি ফুলগাজীতে আসছেন। এ সফরকে কেন্দ্র করে ফেনীসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।’
কেকে/এমএ