নারী এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪০ রানে হেরে ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন শেষ হয়েছে বাংলাদেশের। ভারতের ছুড়ে দেওয়া ১৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১০৯ রানের বেশি করতে পারেনি জ্যোতির দল।
দুবাইয়ে টস জিতে আগে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠান বাংলাদেশ অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি। শুরুতেই স্মৃতি মান্ধানাকে ফিরিয়ে দিয়ে বাংলাদেশকে ভালো সূচনা এনে দেন সুলতানা খাতুন। তবে এরপর শেফালি ভার্মা ও প্রতিকা রাওয়ালের জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় ভারত।
দ্বিতীয় উইকেটে দুজন মিলে যোগ করেন ৫০ রান। শেফালি একাই করেন দলের সর্বোচ্চ ৬৪ রান। প্রতিকা রাওয়ালের ব্যাট থেকে আসে ২৪ বলে ২০ রান। শেষ দিকে রিচা ঘোষের ২১, দিপ্তি শর্মার ১৩ এবং হারমনপ্রিতের অপরাজিত ২৮ রানে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৪৯ রান সংগ্রহ করে ভারত।
বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন সুলতানা খাতুন। ৩০ রান দিয়ে দুটি উইকেট নেন তিনি। একটি করে উইকেট পেয়েছেন মারুফা আক্তার, নাহিদা আক্তার ও রাবেয়া খান।
১৫০ রানের লক্ষ্য সামনে রেখে বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য আশাব্যঞ্জক ছিল না। দুই ওপেনার দিলারা আক্তার ও জুহায়াইরা ফেরদৌস ধীরগতিতে রান তুলতে থাকেন। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে ২৬ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ১৮ বলে ১৪ রান করে ফেরেন জুহায়াইরা।
এরপর ২৬ বলে ২১ রান করে সাজঘরে ফেরেন দিলারা। দ্রুত দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি ও সোবহানা মোস্তারি চেষ্টা করেও ইনিংসে গতি আনতে পারেননি। ২৪ বলে ১৮ রান করে সোবহানা আউট হলে বাংলাদেশের জয়ের আশা আরও ক্ষীণ হয়ে যায়।
জ্যোতিও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ১৭ বলে ১৯ রান করে ফেরেন তিনি। শেষদিকে স্বর্ণা আক্তারের ২২ ও ফাহিমার ১৪ রান কেবল পরাজয়ের ব্যবধান কমিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১০৯ রানেই থামে বাংলাদেশের ইনিংস।
ভারতের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল দিপ্তি শর্মা নেন ৩ উইকেট। ফলে ৪০ রানের জয় নিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ভারত। বাংলাদেশের জন্য অবশ্য ম্যাচটিতে চারটি ক্যাচ মিসের খেসারতও বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।
কেকে/সাশ