বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬,
২ আশ্বিন ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: হাম উপসর্গে আরও দুই শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী ১৩৪৩      উপনির্বাচনে সেনা মোতায়েন, জুনের আগেই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন : ইসি      স্ত্রীসহ আসিফ মাহমুদের সম্পদ-ব্যাংক হিসাবের তথ্য চেয়ে বিএফআইইউকে দুদকের চিঠি      দেশের সন্তানদের ভালো অর্জনকে স্বীকৃতি দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী      বাক্‌স্বাধীনতা নিশ্চিত করেই সংশোধন হবে সাইবার সুরক্ষা আইন: আইনমন্ত্রী      রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আইন, মার্কিন শুল্কের চাপে ভারত-চীন      ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধক ফুরিয়ে আসছে, মিত্রদের সহায়তা চায় সৌদি      
দেশজুড়ে
জমি ও ব্যবসা নিয়ে একাধিক অভিযোগ ছাত্রদল নেতা রবিনের বিরুদ্ধে
ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৬:৪৩ পিএম আপডেট: ১৭.০৯.২০২৬ ৬:৫৫ পিএম
ধামরাই উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাফিজুল ইসলাম রবিন। ছবি : প্রতিনিধি

ধামরাই উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাফিজুল ইসলাম রবিন। ছবি : প্রতিনিধি

অবসরপ্রাপ্ত নৌ কর্মকর্তার জমিসহ একাধিক জমি দখল, বালুর গদির ব্যবসার ভাগ দাবি, ব্যবসায়ীর বাড়ি গিয়ে ভয়ভীতি দেখানো ও গুলি করার হুমকিসহ নানা অভিযোগ উঠেছে ঢাকার ধামরাই উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাফিজুল ইসলাম রবিনের বিরুদ্ধে। এ সব ঘটনার জেরে আতঙ্কে দিন পার করছেন ভুক্তভোগীরা। যদিও এ সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ছাত্রদলের নেতা।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে রবিন জমি ও ব্যবসাসংক্রান্ত বিভিন্ন বিরোধে হস্তক্ষেপ করছেন। গত কয়েক বছরে কেনা ও দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা জমি নিয়ে একাধিক পরিবারের সঙ্গে তার বিরোধ তৈরি হয়েছে। একটি ঘটনায় জমিতে সাইনবোর্ড লাগানোকে কেন্দ্র করে এক অবসরপ্রাপ্ত নৌ কর্মকর্তাকে ফোনে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। 

আরেকটি ঘটনায় ১৯৭০ সালে কেনা জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধ তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে গিয়ে তাকে ভয়ভীতি দেখানো এবং আরেক ব্যবসায়ীর বালুর গদির ৫০ শতাংশ অংশ দাবি করে তা না দিলে গদি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

এ সব অভিযোগের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জমির মালিকানা নিয়ে বিরোধের ঘটনায় দুই পক্ষের দাবি পরস্পরবিরোধী। এক পক্ষ পুরোনো দলিল, রেকর্ড ও দীর্ঘদিনের ভোগদখলের কথা বলছে।

অন্যদিকে রবিনের দাবি, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে তিনি বৈধভাবে জমি বায়না করেছেন। ব্যবসায়ীর বাড়িতে যাওয়ার ঘটনাতেও দুই পক্ষের বক্তব্য আলাদা। 

রবিনের ভাষ্য, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে ওই ব্যবসায়ীকে সতর্ক করতে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। ব্যবসায়ীর দাবি, পারিবারিক বিরোধের জেরেই তাকে রাজনৈতিক মামলায় ফাঁসানো ও হুমকি দেওয়া হয়েছে।

অবসরপ্রাপ্ত নৌ কর্মকর্তার জমিতে সাইনবোর্ড

ঢাকার ধামরাইয়ের বড় চান্দ্রাইল মৌজার ৩৩০ নম্বর দাগের ১০ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধের সূত্রপাত। অবসরপ্রাপ্ত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্য মো. মোহাম্মদ আরিফুর রহমানের দাবি, ২০০৮ সালে স্থানীয় আব্দুর রশিদের কাছ থেকে জমিটি কেনেন তিনি। এরপর খাজনা-খারিজ ও নামজারি সম্পন্ন করে জমিটি ভোগদখলে রাখেন।

আরিফুর রহমানের অভিযোগ, কিছুদিন আগে তার জমিতে থাকা সাইনবোর্ডের ওপর আরেকটি সাইনবোর্ড লাগিয়ে দেন রবিন। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে তিনি নিজে সাইনবোর্ডটি সরাতে যাননি। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সরকারের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করেছেন।

জমির জটিলতা নিরসনে ইউএনওর কাছেও আবেদন করেছেন বলে জানান আরিফুর। তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে প্রথম শুনানি হয়েছে। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে বলা হলে তিনি সেগুলো দেন। তবে এখনো কোনো ফলাফল পাননি।’

আরিফুর বলেন, ‘তিনি যার কাছ থেকে জমিটি কিনেছেন, তার নামেই খাজনা-খারিজ ও নামজারি ছিল। পর্চা ও আরএস খতিয়ানেও তাদের নাম রয়েছে।’

সাইনবোর্ড নিয়ে বিরোধের মধ্যে হত্যার হুমকি

জমি নিয়ে বিরোধের মধ্যেই গত ৩ সেপ্টেম্বর হুমকি পাওয়ার অভিযোগ করেন আরিফুর রহমান। তিনি বলেন, ‘ওই দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে অপরিচিত একটি মুঠোফোন নম্বর থেকে অজ্ঞাতনামা এক ব্যক্তি তাকে ফোন করেন। ফোনে বলা হয়, ‘ওই সাইনবোর্ডে তুমি হাত দিলে তুমি ফিরে যেতে পারবে না এবং তোমাকে গুলি করে মেরে ফেলা হবে।’ 

ফোন রেকর্ডটি এ প্রতিবেদকের হাতে রয়েছে।

বিষয়টি ইউএনওকে জানানোর পর তার নির্দেশনা অনুযায়ী থানায় অনলাইনে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন বলে জানান আরিফুর। এরপর একই ব্যক্তি আরও তিন-চারবার ফোন করেছেন বলে তার দাবি। এসব ফোনকলের রেকর্ডও তার কাছে রয়েছে।

তবে ওই ফোনকলের সঙ্গে রবিনের সরাসরি সম্পৃক্ততার কোনো প্রমাণের কথা আরিফুর জানাননি। স্বাধীনভাবে রেকর্ডটি যাচাই করা সম্ভব হয়নি। তবে আরিফুরের দাবি, জমি সংক্রান্ত বিষয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। আর এ নিয়ে বিরোধ রয়েছে রবিনের সঙ্গেই।

১৯৭০ সালে কেনা জমি নিয়ে নতুন বিরোধ

ধামরাইয়ে আরেকটি জমি নিয়ে রবিনের সঙ্গে বিরোধের কথা জানিয়েছেন মো. কামরুল হাসান সোহেল। তার দাবি, তার বাবা ১৯৭০ সালে নেসাহা খাতুনের কাছ থেকে সাব-কবলা দলিলের মাধ্যমে জমিটি কিনেছিলেন। মোট ২২ শতাংশ জমির মধ্যে তার মালিকানা ৮ শতাংশ বলে জানান তিনি।

কামরুলের ভাষ্য, ১৯৭০ সাল থেকে তারা জমিটি ভোগদখল করে আসছেন। সম্প্রতি নেসাহা খাতুনের ১১ ওয়ারিশের মধ্যে দুই ছেলে বকুল ও খুরশেদ তাদের কথিত অংশ রবিনের কাছে বিক্রি করেছেন বলে জানতে পারেন তারা। এরপর রবিন জমিটি দখলের চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ করেন কামরুল।

একবার জমিতে বালি ফেলার সময় রবিন সেখানে গিয়ে বাধা দিয়েছিলেন বলেও জানান তিনি। তার প্রশ্ন, ১৯৭০ সালে নেসাহা খাতুন জমি বিক্রি করে থাকলে তার ওয়ারিশেরা পরে কীভাবে ওই জমির মালিকানা দাবি করেন।

কামরুলের পরিবারের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, জমিটির আগের মালিকের ওয়ারিশেরা একসময় তাদের মা জমিটি বিক্রি করেননি বলে দাবি করেছিলেন। পরে পুরোনো দলিল দেখানোর পর তারা বিষয়টি বুঝতে পারেন। এরপর ২০২৩ বা ২০২৪ সালে রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে কনফার্মেশন ডিড করেন তারা। পরিবারের দাবি, ওই দলিলে নেসাহা খাতুনের আটজন ওয়ারিশ জমি হস্তান্তরের বিষয়টি স্বীকার করেছেন।

পরিবারটির অভিযোগ, রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর রবিন তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। জমিতে বালি ফেলতে ও বাঁশের ঘাট দিতে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি সাইনবোর্ড ফেলে দেওয়ার অভিযোগও করেন তারা। এ সব বিষয়ে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছেও অভিযোগ করেছেন বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।

রবিনের দাবি, কাগজপত্র যাচাই করেই জমি বায়না

এ সব অভিযোগের বিষয়ে রবিনের বক্তব্য ভিন্ন। তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বলেন, ‘কাগজপত্র যাচাই করেই তিনি বৈধভাবে জমি বায়না করেছেন এবং এর জন্য ৫ লাখ টাকা দিয়েছেন।’ 

জমির মালিক রমজান আলী ও তার ছেলে উপস্থিত থেকে জমি বিক্রির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

রবিন বলেন, ‘আমি ছাত্রদল হিসেবে কী করে খাব? আমার তো ফ্যামিলি আছে, ছাত্রদল করে কি বৈধ ব্যবসা করতে পারব না? আমার তো আর কোনো ব্যবসা নাই।’

তার দাবি, এসএ ও আরএস রেকর্ড, নামজারি-খারিজসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করেই তিনি জমিটি বায়না করেছেন। তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জমির মালিক রমজান আলী বলেন, ‘জমিটি তাদের পৈতৃক সম্পত্তি। টাকার প্রয়োজন হওয়ায় তিনি নিজেই রবিনের কাছে বিক্রির জন্য বায়না করেছেন। জোরপূর্বক দখলের অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি তার।’

ব্যবসায়ীর বাড়িতে গিয়ে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ

জমি নিয়ে বিরোধের বাইরে রবিনের বিরুদ্ধে ধামরাইয়ের ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে গিয়ে তাকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। গত ১৪ আগস্ট রবিন নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন। ভিডিওতে তাকে ১০-১৫ জন সহযোগীসহ সাদ্দামের বাড়ির সামনে এক নারীর সঙ্গে কথা-কাটাকাটি করতে দেখা যায়।

ভিডিওতে একপর্যায়ে রবিনকে বলতে শোনা যায়, ‘আরামেই থাকতে চাইয়েন। ইয়ার বাইরে যাইতে না কইরেন।’ পরে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘নাইলে বাড়ির ইট সুদ্ধা থাকব না।’

রবিনের ভাষ্য, ডাউটিয়া এলাকায় ছাত্রলীগের একটি ঝটিকা মিছিল হওয়ার পর তিনি জানতে পারেন, সাদ্দাম ওই মিছিলে অর্থায়ন করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তাকে সতর্ক করতেই তিনি সাদ্দামের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে কিছু হইচই ও চিৎকার-চেঁচামেচি হয়েছিল বলে জানান তিনি।

সাদ্দামের দাবি, রবিনের সহযোগী জাকারিয়ার সঙ্গে তার পারিবারিক বিরোধ রয়েছে। সেই বিরোধের জেরেই তাকে রাজনৈতিক মামলায় ফাঁসানো ও হুমকি দেওয়া হয়েছে। ওই মামলায় তাকে তিন মাস জেল খাটতে হয়েছে বলেও জানান তিনি। জামিনে বের হওয়ার পরও হুমকি অব্যাহত রয়েছে বলে তার দাবি। ভয়ে তিনি বাড়ি ও দোকানে থাকতে পারেন না বলেও জানান।

সাদ্দামের মা ও স্ত্রীও তাকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন।

বালুর গদিতে ৫০ শতাংশ শেয়ার দাবির অভিযোগ

এ দিকে সম্প্রতি রবিনের বিরুদ্ধে মোস্তফা সাইদুজ্জামান নামের আরেক ব্যবসায়ীর বালুর গদির ৫০ শতাংশ শেয়ার দাবি করার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় গত ১০ জুলাই তিনি ধামরাই থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। মোস্তফার করা অভিযোগ অনুযায়ী, শেয়ার না দিলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গদি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়।

ধামরাইয়ের ইসলামপুরে ‘আব্দুল আজিজ ট্রেডিং’ নামে বালুর গদি পরিচালনা করেন মোস্তফা। তার অভিযোগ, সিয়াম নামের এক ব্যক্তির কাছে বালুর মূল্য বাবদ ৪০ হাজার টাকা পাওনা ছিল। গত ৭ জুলাই রাতে সিয়াম টাকা পরিশোধের জন্য সময় চাইলে মোস্তফা চার কিস্তিতে টাকা দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হন। এর কিছুক্ষণ পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে রবিন সেখানে গিয়ে তাকে ধমক দেন এবং ব্যবসায় ৫০ শতাংশ শেয়ার দাবি করেন বলে অভিযোগ।

মোস্তফার দাবি, শেয়ার দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ‘আস্ত পুঁতে ফেলার’ হুমকি দেওয়া হয়। পরদিন সকালের মধ্যে শেয়ার না দিলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গদি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলা হয়। পরে ইসলামপুর বাসস্ট্যান্ডে রবিন প্রশাসনকে গদি বন্ধ করার কথা বলেন এবং আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ সব ঘটনার পর নিজে ও পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেছেন মোস্তফা। এ অভিযোগের বিষয়ে রবিনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

হুমকির অভিযোগে কারণ দর্শানোর নোটিশ

ব্যবসায়ী সাদ্দাম হোসেনের বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগসহ বিভিন্ন ঘটনায় একাধিক সংবাদমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর রবিনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদল।

গত ১২ সেপ্টেম্বর ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি মোহাম্মদ তমিজ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ ইকবাল স্বাক্ষরিত ওই নোটিশে তাকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়। দায়িত্বে অবহেলার কারণে কেনো তার বিরুদ্ধে স্থায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

ঢাকা জেলা উত্তর ছাত্রদলের সভাপতি তমিজ উদ্দিন বলেন, ‘ছাত্রদলের নাম ব্যবহার করে কোনো অপকর্মের সুযোগ নেই। অভিযোগ তদন্তের জন্য রবিনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পুলিশের বক্তব্য

সাদ্দামকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশান বলেন, ‘কেউই আইন হাতে তুলে নিতে পারেন না। কেউ আক্রান্তবোধ করলে আইনের সহায়তা নিতে পারেন। এ সব ঘটনায় অভিযোগ দিলে পুলিশ তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।’

ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খান বলেন, ‘জমি দখল ও সাইনবোর্ড লাগানোকে কেন্দ্র করে একটি অভিযোগ থানায় এসেছিল।’ 

তবে পরে কী সমাধান হয়েছে, তা তিনি বলতে পারেননি।

এ সব বিষয়ে রাফিজুল ইসলাম রবিন বলেন, ‘একটি মহল তার রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে।’

তিনি তার বিরুদ্ধে ওঠা জমি দখল, ব্যবসায় অংশ দাবি ও হুমকির অভিযোগ অস্বীকার করেন।

কেকে/এআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  ধামরাই   জমি   ব্যবসা   অভিযোগ   ছাত্রদল নেতা  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close