নেত্রকোনার মদন উপজেলায় মসজিদের জমি ডাক নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারীসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন। এ সময় একটি বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মদন থানায় পাল্টাপাল্টি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার গোবিন্দশ্রী ইউনিয়নের পদমশ্রী গ্রামের মনিকা পশ্চিমপাড়ার বাসিন্দা সাহেদ মিয়ার স্ত্রী গেনেদা আক্তার এ ঘটনায় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গ্রামের মসজিদের জমি ডাকের মাধ্যমে জমা রাখেন গেনেদা আক্তার। ওই জমির ডাকে শাহান তালুকদারও অংশ নেন। পরে গেনেদা আক্তার ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে বেশি মূল্য ডাক হওয়ায় তারা জমিটি পান। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।
গেনেদা আক্তারের অভিযোগ, শুক্রবার তার ছোট ছেলে শাহাবুলকে বাড়ির পাশের একটি মনোহারী দোকানে দেখতে পেয়ে শাহান তালুকদারসহ কয়েকজন তার ওপর হামলা করেন। পরে তারা বাড়িতে গিয়ে হামলা ও ভাঙচুর চালান। এতে উভয় পক্ষের ছয়জন আহত হন।
আহতরা হলেন—শাহেদ, জাকারিয়া, গেনেদা আক্তার, আমিরুল, মানিক ও রাজন। তারা মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে আসাদুল ইসলাম বলেন, ‘গেনেদা আক্তারের দায়ের করা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।’
তার দাবি, গেনেদা আক্তার নিজেই বিভিন্নভাবে মানুষকে হয়রানি করেন।
অন্যদিকে গেনেদা আক্তার বলেন, ‘মসজিদের জমি বেশি মূল্য দিয়ে জমা রাখায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষ প্রথমে তার ছেলে শাহাবুলকে মারধর করে এবং পরে তাদের বাড়িতে হামলা চালায়।’
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাউদ্দিন করিম বলেন, ‘এ ঘটনায় পৃথক দুটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগগুলো তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
কেকে/এআই