যশোর জেলার অভয়নগর উপজেলার নওয়াপাড়া বাজারের গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতাল রোড এখন অস্থায়ী দোকান, ভ্যান, ইজিবাইক ও মাহেন্দ্রের দখলে। সড়কের বড় অংশ দখল করে ব্যবসায় ও যানবাহন দাঁড় করিয়ে রাখায় ব্যাহত হচ্ছে সাধারণ মানুষের চলাচল। এতে প্রতিদিন চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচারী ও রোগীদের।
অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যাতায়াত, উপজেলার তিনটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার কয়েকটি ওয়ার্ডের সাথে উপজেলার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নওয়াপাড়া বাজারে যাতায়াতের প্রধান সড়ক হাস্পাতাল রোডটি এখন অস্থায়ী দোকান, অবৈধ ইজি ভ্যান, ইজিবাইক ও মাহেন্দ্রর দখলে।
নওয়াপাড়া বাজারের প্রান কেন্দ্র নুরবাগ থেকে পশু হাসপাতালের মোড় পর্যন্ত সড়কের ওপর আছে ইজিবাইক ও ভ্যান টেকারস্টান্ড। বসছে অস্থায়ী দোকানপাট, সেখানে পণ্যের পসরা আর ক্রেতাদের ভিড়। ফলে পথচারীদের হাঁটার জায়গা নেই। ব্যস্ততম কিন্তু সংকীর্ণ এ সড়ক এখন পরিনত হয়েছে অস্থায়ী দোকানে।
এ সড়কে স্থায়ী দোকানদাররাও নিজেদের দোকানের সামনের যায়গা দখল করে ব্যবসায় করছেন। ভ্যানে করে জামাকাপড়, ফল, গৃহস্থালির পণ্য বিক্রি হচ্ছে রাস্তার অর্ধেকজুড়ে। ফলে পথচারীদের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে প্রতিদিন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যবসায়ী বলেন, ‘হাস্পাতাল রোডের অধিকাংশ দোকানদার তাদের ব্যবসায়ীক ক্ষতি পোষাতে নিজের দোকানের সামনে থাকা সড়কের অংশ ভাড়া দিয়ে থাকেন।’
একভাসমান দোকানি বলেন, ‘যারা আমার মতো ব্যবসায় যারা করেন, তাদের সবাই স্থায়ী দোকানদারের সাথে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে দোকানের সামনের সড়কের অংশে বসে থাকেন।’
পথচারী সুজন বলেন, ‘এই রাস্তা দিয়ে হেটে চলা অসম্ভব। রাস্তার অর্ধেক পর্যন্ত দোকানদারদের দখলে। এছাড়া পুরো রাস্তায় ভ্যান আর ইজিবাইক যেভাবে দাড়িয়ে থাকে তাতে হেঁটে চলাও অসম্ভব। সাথে বাড়তি পাওয়া নিয়মিত যানজট। সারাদেশে অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে মানুষের চলাচলের জন্য সুব্যবস্থা করা হচ্ছে, সেখানে আমাদের এলাকার প্রশাসন ঘুমিয়ে আছে।’
অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দিন দিপু বলেন, ‘সহকারী কমিশনারের (ভুমি) নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান চলমান রয়েছে।’
কেকে/এমএ