রোববার, ১ নভেম্বর ২০২৬,
১৭ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

রোববার, ১ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: ● ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের প্রাণহানি      ● শ্রমিকদের বিক্ষোভে রাষ্ট্রবিরোধী চক্র যুক্ত হতে পারে: পুলিশ      ● শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন রয়েছে: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী      ● শ্রমিক বিক্ষোভে পল্লবীতে পুলিশের গাড়িতে আগুন      ● আবারও মিরপুরে পোশাকশ্রমিকদের সড়ক অবরোধ      ● জাতীয় অগ্রগতির প্রধান চালিকাশক্তি যুবসমাজ : প্রধানমন্ত্রী      ● ফ্যাসিবাদ রুখতে রাজনৈতিক ঐক্যের বিকল্প নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী      
দেশজুড়ে
অটোচালক আসাদুল হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন, গ্রেপ্তার ২
শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ১ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:৪২ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক আসাদুল ইসলাম হত্যা মামলার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। 

রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধার করে।

এর আগে গত ২৭ অক্টোবর দুপুরে উপজেলার করতোয়া নদী থেকে আসাদুলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন গাবতলী উপজেলার সানচক মরিয়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. রিয়াদ হোসেন (২১) এবং শেরপুর উপজেলার রণবীরবালা এলাকার মৃত ফরিদ প্রামাণিকের স্ত্রী রেহনা বেগম (৬০)। রেহনা বেগম রিয়াদের নানি।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ অক্টোবর রাতে রিয়াদ অটো ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী অটোরিকশাচালক আসাদুলের সঙ্গে আসামি রিয়াদের পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে আসাদুল রিয়াদকে মাদক কিনে দিতে বলেন। তবে রিয়াদ মাদক সংগ্রহ করে দিতে ব্যর্থ হন। পরে আসাদুল নিজে ইয়াবা কিনে রিয়াদকে একটি নির্জন স্থানে সেবনের প্রস্তাব দেন। 

রিয়াদের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন রাতে রিয়াদ শেরপুর ঘাটপার হয়ে রণবীরবালা এলাকায় তার নানির বাড়িতে নিয়ে যান আসাদুলকে। সেখানে ঘরের ভেতরে দুজনে ইয়াবা সেবন করেন। সেবন শেষে ইয়াবা সেবনে ব্যবহৃত সরঞ্জাম (নতুন টাকার নোট) দিয়ে সেবন করতে সুবাধা হওয়ায় টাকা চায়। কিন্তু রিয়াদ টাকা না দেওয়ায় পরে ইয়াবা সেবন করে ওই টাকা না দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। 

তর্কবিতর্কের একপর্যায়ে আসাদুল একটি কলম দিয়ে রিয়াদকে আঘাত করেন। রিয়াদের পরিকল্পনা আর ক্ষোভে রিয়াদ ঘরের ভেতর থাকা একটি চাকু দিয়ে আসাদুলের গলায় আঘাত করেন। আসাদুল মাটিতে লুটিয়ে পড়লে মৃত্যু নিশ্চিত করতে তাকে ওই ছুরি দিয়েই পুনরায় আঘাত করে হত্যা নিশ্চিত করা হয়। পরে রাত ১টার দিকে রিয়াদ তার নানি রেহনা বেগমের সহযোগিতায় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত চাকুসহ অন্যান্য আলামত পার্শ্ববর্তী নদীতে ফেলে দেন এবং পরিকল্পনা অনুযায়ী অটো ছিনতাই করে ব্যাটারি ও অটো বিক্রি করে। ঘটনার তিন দিন পর, গত ২৭ অক্টোবর দুপুরে রণবীরবালা এলাকার করতোয়া নদী থেকে আসাদুলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ঘটনার পর নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের মাঝে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পুলিশ আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এ বিষয়ে শেরপুর থানা অফিসার ইনচার্জ একরামুল হোসাইন বলেন, ‘আজ ভোর রাতে তাদের আটক করে দুপুরে আলামত উদ্ধার করা হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্তা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে।’ 

কেকে/এআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  শেরপুর   অটোচালক   হত্যা   মামলা   রহস্য   উদ্ঘাটন   গ্রেপ্তার  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close