দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র সুরক্ষায় সব ধরনের ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই সঙ্গে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় দল-মত নির্বিশেষে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।
শনিবার (৭ নভেম্বর) ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বিএনপির আয়োজিত বর্ণাঢ্য র্যালি শেষে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়। হাজারো নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে র্যালিটি নাইটিঙ্গেল মোড়, কাকরাইল, শাহবাগ, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ও কারওয়ান বাজার হয়ে সংসদ ভবন এলাকায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজার প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হয়।
র্যালিতে নেতৃত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সালাহউদ্দিন আহমদ, আমানউল্লাহ আমানসহ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
র্যালি শেষে সংসদ ভবন এলাকায় একটি ট্রাকে দাঁড়িয়ে সমাপনী বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহ স্মরণ করেন।
তারেক রহমান বলেন, দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের ভোটাধিকার বাধাগ্রস্ত করতে এখনো নানা ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে। তবে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও ছাত্র-জনতা ও সাধারণ মানুষ ঐক্যবদ্ধভাবে সব অপচেষ্টা প্রতিহত করবে।
তিনি আরও বলেন, কোনো ষড়যন্ত্রই দেশের মানুষকে গণতন্ত্রের পথ থেকে সরিয়ে দিতে পারবে না। স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষার পাশাপাশি দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সবাইকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।
চূড়ান্ত লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত নেতাকর্মীদের সতর্ক ও সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ঐক্য ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই।
কেকে/ এসএমএন