শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬,
২৩ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: ● সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু      ● ৭ নভেম্বরের বৈপ্লবিক চেতনাই হোক আগামীর প্রেরণা: প্রধানমন্ত্রী      ● দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির      ● ৭ নভেম্বর দেশের সব পোশাক কারখানায় সাধারণ ছুটি ঘোষণা      ● সীমান্তের ওপার থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: প্রধানমন্ত্রী      ● মোংলায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী      ● হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ইকবাল সোবহান, মুচলেকায় মুক্ত রাজীব ঘোষ      
দেশজুড়ে
১৭ টাকার মরিচ ৫০ টাকা, বিপাকে কৃষক-ক্রেতা
মাদারগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৬, ৬:০৫ পিএম আপডেট: ০৭.১১.২০২৬ ৬:০৮ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

জামালপুরের মাদারগঞ্জে কাঁচা মরিচের বাম্পার ফলন হলেও ন্যায্যমূল্য পাচ্ছেন না কৃষকরা। পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১৭ থেকে ১৮ টাকায়। অথচ কয়েক দফা হাতবদলের পর একই মরিচ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি দরে। এতে একদিকে লোকসানের আশঙ্কায় কৃষকরা, অন্যদিকে বাড়তি দামে মরিচ কিনতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন ক্রেতারা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে মাদারগঞ্জে ৭৫০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে। অর্থাৎ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩০০ হেক্টর বেশি জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। এবার উপজেলায় উৎপাদন ৪২ হাজার মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।    

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ময়নামতি, গ্রিন সুপার, নাগা ফায়ার, বিজলি, গ্রিন স্টার, সুপার ও প্রিমিয়ামসহ বিভিন্ন জাতের মরিচের আবাদ হয়েছে। 

জোড়খালী ইউনিয়নের ফুলজোড় এলাকার কৃষক আব্দুর রহিম জানান, সোয়া বিঘা জমিতে মরিচ চাষে তার প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমান বাজারদরে সার ও কীটনাশকের খরচ তোলাও কঠিন হয়ে পড়েছে। 

কৃষক তাহেরুল বলেন, পাইকারি বাজারে ১৭-১৮ টাকায় মরিচ বিক্রি করলেও খুচরা বাজারে তা ৪০-৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মাঝখানের কয়েক দফা হাতবদলে দাম অনেক বেড়ে যাচ্ছে।

বালিজুড়ী ইউনিয়নের সুখনগরী এলাকার কৃষক হৃদয় জানান, এক বিঘা জমিতে মরিচ চাষে তার প্রায় ২৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। অথচ এখন পর্যন্ত মরিচ বিক্রি করে পেয়েছেন মাত্র সাড়ে ৩ হাজার টাকা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, চলতি মৌসুমে মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। উৎপাদিত মরিচ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। বর্তমানে দাম কিছুটা কম থাকলেও শিগগিরই বাড়বে বলে আশা করছেন তিনি।

কৃষকদের দাবি, বাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমিয়ে উৎপাদক ও ভোক্তার মধ্যে দামের ব্যবধান কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। এতে কৃষক ন্যায্যমূল্য পাবেন এবং ক্রেতারাও স্বস্তিতে মরিচ কিনতে পারবেন।


কেকে/ এসএমএন 


আরও সংবাদ   বিষয়:  মরিচ   বিপাক   কৃষক   ক্রেতা  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close