কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার সালমানপুরে অবস্থিত লালমাই উদ্ভিদ উদ্যানে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ উঠেছে।
সম্প্রতি উদ্যানের বিভিন্ন স্থানে যুবক-যুবতীদের আপত্তিকর কর্মকাণ্ডের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর মিরপুর ও চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের পর কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে গড়ে ওঠা এই উদ্ভিদ উদ্যান দেশের অন্যতম বিরল উদ্ভিদ সংরক্ষণ কেন্দ্র। ২০২০ সালের ৭ নভেম্বর কোটবাড়ি ময়নামতি জাদুঘরের নিকটবর্তী সালমানপুর এলাকায় ১৭ একর জমির ওপর উদ্যানটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
উদ্যানটিতে রাধাচূড়া, নাগেশ্বর, আগার, নাগলিঙ্গম, কাঞ্চন, চন্দন, রক্তচন্দন, লোহাকাঠ, হরিতকি, বহেরা, হিজল, অশোক, অর্জুন, মহুয়া, পারুল, জারুল, চম্পা, সোনালুসহ দেশি-বিদেশি বহু বিরল ও বিলুপ্তপ্রায় উদ্ভিদের সংগ্রহ রয়েছে। এছাড়া ক্যাকটাস হাউস, অর্কিড হাউস, বিভিন্ন ফুলের বাগান, বন্যপ্রাণীর জলাশয়, বিশ্রামাগার, বেঞ্চ ও পৃথক শৌচাগারের সুবিধাও রয়েছে।
তবে সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি ভিডিওতে উদ্যানের নির্জন এলাকায় অসামাজিক কর্মকাণ্ডের দৃশ্য দেখা যাওয়ার দাবি করা হয়। এসব ভিডিও ঘিরে জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে এবং উদ্যানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এ বিষয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জিএম মোহাম্মদ কবির বলেন, “লালমাই উদ্ভিদ উদ্যান বর্তমানে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতাভুক্ত নয়। অসামাজিক কাজের ভিডিও আমাদের নজরে এসেছে। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে আমরা আরও সতর্ক থাকব।”
কেকে/এজে