গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের জানালার পাশ ঘেঁষে গড়ে ওঠা ময়লার ভাগাড় অপসারণ করা হয়েছে। জাতীয় দৈনিক খোলা কাগজে এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশের পর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
বুধবার (১০ জুন) দিনব্যাপী অভিযানে বিদ্যালয় সংলগ্ন স্থানের সব ধরনের বর্জ্য অপসারণ করা হয়। এতে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেয়েছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ১১টার দিকে গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. নূরুল করিম ভূঁইয়া খোলা কাগজকে জানান, বিদ্যালয়ের পাশের ময়লার ভাগাড় সম্পূর্ণ অপসারণ করা হয়েছে এবং বর্তমানে স্থানটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রয়েছে।
সোমবার (৮ জুন) খোলা কাগজে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনে বিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশ ঘেঁষে গড়ে ওঠা অনিয়ন্ত্রিত ময়লার ভাগাড়ের কারণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, কাপাসিয়া-শ্রীপুর আঞ্চলিক সড়কের পাশে অবস্থিত বিদ্যালয়টির অন্তত ১৩টি শ্রেণিকক্ষের জানালার পাশে বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যের স্তূপ জমে। স্থানীয় বাজারের পচা শাকসবজি, হোটেলের বাসি খাবার, মুরগির নাড়িভুঁড়ি ও গৃহস্থালির আবর্জনা সেখানে ফেলা হয়। ফলে তীব্র দুর্গন্ধে পাঠদান ব্যাহত হয় এবং শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ময়লার কারণে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছিল। সংবাদ প্রকাশের পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ।’
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ময়লা অপসারণের ফলে বিদ্যালয় ও আশপাশের পরিবেশ অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।
তারা ভবিষ্যতে যাতে সেখানে আবার বর্জ্য ফেলা না হয়, সে জন্য স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
উল্লেখ্য, বঙ্গতাজ তাজউদ্দীন আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৮০ সালে নিবন্ধন লাভ করে। বর্তমানে বিদ্যালয়টিতে শতাধিক শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারী রয়েছেন।
কেকে/এমকে