মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬,
৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: হাসিনার ফিরে আসার ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা      মেধাবী উদ্যোক্তাদের ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত সহযোগিতা দেবে সরকার      সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির সভাপতির দায়িত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী      আবারও কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কত?      দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ায় এইচএসসি পরীক্ষা, দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড়      হরমুজকে ঘিরে উত্তেজনা, ইরানে রাতভর মার্কিন হামলা      স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধান করে সংবিধান সংশোধন কমিটি, বিরোধীদের ওয়াকআউট      
খোলা মত ও সম্পাদকীয়
কেন তথ্য-প্রযুক্তির ভবিষ্যৎমুখী ব্যবস্থা এখনই প্রয়োজন!
প্রফেসর ড. শাহ জে. মিয়া
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২৬, ২:২৬ পিএম আপডেট: ১৪.০৭.২০২৬ ২:৩০ পিএম
ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

আজকের আলোচনার বিষয় হলো, কেমন তথ্য-প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ ও বাস্তবমুখী ব্যবস্থা বাংলাদেশে এখনই প্রয়োজন। আমার এই লেখাটি বিষয়ভিত্তিক হলেও এটি একটি অনুসন্ধানমূলক গবেষণার অংশ। অনুসন্ধানমূলক গবেষণা হলো এমন এক প্রাথমিক অনুসন্ধান, যার লক্ষ্য হলো কোনো অস্পষ্ট সমস্যার ভাসা-ভাসা লক্ষণগুলোর গভীরে গিয়ে তার মূল কারণ ও সুপ্ত কার্যপ্রকৃতি উন্মোচন করা। যাহোক, এই মুহূর্তে বলা যেতে পারে যে, গ্লোবাল এআইয়ের প্রভাবে বাংলাদেশ তার পরবর্তী ডিজিটাল দশকে প্রবেশ করছে বা করতে যাচ্ছে, যেখানে এআই এবং আরও অনেক হাইটেকের সমন্বিত ব্যবস্থাপনা আমাদের সামনে আসছে। কিন্তু আমাদের বাস্তবসম্মত স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিংয়ের বড়ই অভাব রয়েছে।

সম্ভাবনার বিষয় হচ্ছে, আমাদের রয়েছে প্রায় ৪ কোটি ৬০ লাখ তরুণ জনগোষ্ঠী; যা ভারতের পরেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনলাইন ফ্রিল্যান্স শ্রমশক্তি। সদ্য শেষ হওয়া পূর্ণ অর্থবছরে প্রায় ২ হাজার ৩৯০ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যা সাম্প্রতিক অর্থবছরে ৩ হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়েছে এবং এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ দেশের রপ্তানি আয়ের অর্ধেকেরও বেশি। আমাদের রয়েছে একটি অপার সম্ভাবনার তৈরি পোশাক রপ্তানি শিল্প। আমাদের সম্পদগুলোর দিকে তাকালে আমরা বলতে পারি যে, সুদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বৈশ্বিক বাজার দখল করতে সক্ষম। কিন্তু অতীতে কখনো ভবিষ্যৎ ও বাস্তবমুখী সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবস্থাপনা করা হয়নি, যা আমাদেরকে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতার জায়গাটিতে নিতে পারে। এই ডিজিটাল যুগের বাজারে প্রবেশ করতে আমাদের পরিকল্পনাগুলোকে গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করে সাজিয়ে নিয়ে আসতে হবে। আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবস্থাপনার গভীর পরিকল্পনার পাশাপাশি প্রয়োজন সুশৃঙ্খলভাবে সেগুলোর বাস্তবায়নের নিশ্চয়তা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সদ্য শেষ হওয়া পূর্ণ অর্থবছরে বাংলাদেশের রেমিট্যান্স আয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবেই জিডিপির পাঁচ শতাংশের বেশি এবং রপ্তানি আয়ের প্রায় ৫৯ শতাংশের সমান। রেমিট্যান্সের পেছনের মানবশক্তিই হলো ঠিক সেই জায়গা, যেখানে তথ্য-প্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা সবচেয়ে উজ্জ্বল। কারণ বাংলাদেশ নীরবেই বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনলাইন ফ্রিল্যান্স শ্রম সরবরাহকারী হয়ে উঠেছে, যেখানে প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার সক্রিয় ফ্রিল্যান্সার বছরে প্রায় ৫০ কোটি ডলার আয় করেন। এটি কোনো স্লোগান নয়; এটি একটি পরিমাপযোগ্য প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা, যা অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউট ও বৈশ্বিক পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মগুলোতে উল্লেখিত আছে। তাই এই সেক্টরকে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনার কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসা এখন সময়ের দাবি।

আমাদের অতীত দেখলে, বাংলাদেশ ২০২৪ সাল পর্যন্ত পনেরো বছরে তথ্যপ্রযুক্তিতে প্রায় ২৯ হাজার কোটি টাকা, অর্থাৎ প্রায় ২৪০ কোটি ডলার ব্যয় করেছে। অথচ এর একটি উল্লেখযোগ্য অংশ নষ্ট হয়েছে অপরিকল্পিত ও যন্ত্রপাতিনির্ভর প্রকল্পে। প্রকৃত প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের বদলে রাজনৈতিকভাবে সংযুক্ত ফার্মগুলোর দিকে পরিচালিত হয়েছিল বিভিন্ন চুক্তি। এই অব্যবস্থাপনা এবং দুর্নীতির পেছনে উল্লেখযোগ্য একটি কারণ হলো বিভিন্ন খণ্ড খণ্ড উদ্যোগ, যেগুলোর একটির সঙ্গে আরেকটির কোনো মিল নেই। এখানে একটি প্রকল্প, ওখানে একটি পোর্টাল, জাঁকজমকে ঘোষিত ওয়েবসাইট হয়ে নীরবে পরিত্যক্ত একটি স্কিম। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, পরিকল্পিতভাবে অতীতের সরকারগুলো তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনায় জনকল্যাণে কোনো একক স্ট্র্যাটেজিক রোডম্যাপ মেনে চলেনি।

আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ-প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনা হলো কোনো দেশ বা প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল সম্পদের কৌশলগত পরিকল্পনা, পরিচালনা ও কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নয়নের মাধ্যমে ক্রমবর্ধমান যুগোপযোগী করে তোলা। এখানে রক্ষণাবেক্ষণের গণ্ডি পেরিয়ে জাতির প্রয়োজন ও ভবিষ্যতের চাহিদার দিকে মনোযোগ নিবদ্ধ করে লক্ষ্য পূরণে পলিসি, টেকনোলজি, যেমন হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ক্লাউড পরিষেবা ও নেটওয়ার্কের সমন্বিত কার্যক্রম নিশ্চিত করাই হলো আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ-প্রযুক্তি ব্যবস্থাপনার মূল লক্ষ্য। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের দিকে দেখলে, দক্ষিণ কোরিয়া ১৯৯৪ সালে তাদের তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় গঠন করে, ১৯৯৫ সালে তথ্যায়ন-সংক্রান্ত একটি কাঠামো আইন পাস করে, ২০০১ সালে যা ব্যাপকভাবে বিশ্বের প্রথম ই-গভর্নমেন্ট আইন হিসেবে প্রণয়ন করে। তারপর প্রায় দুই দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে তিনটি জাতীয় নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ বাস্তবায়ন করে।

তাদের এই ধারাবাহিকতার মূল লক্ষ্য ছিল: প্রথমে কৌশল প্রণয়ন, তারপর তা মালিকানায় নেওয়ার জন্য একটি প্রতিষ্ঠান, তারপর তা সম্ভব করার আইন, তারপর সুশৃঙ্খল ধাপে বাস্তবায়িত একটি রোডম্যাপ তৈরি, যা সরকার বদল হলেও অব্যাহত থাকবে। অনুরূপভাবে রুয়ান্ডা, অর্থনৈতিকভাবে আমাদের অনেক কাছের প্রতিবেশী, তার বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ-প্রযুক্তি খাতের কৌশলগত পরিকল্পনায় আমূল পরিবর্তন নিয়ে এসেছে, যা তিনটি স্পষ্ট স্তম্ভে সাজানো। সেগুলো হলো ডিজিটাল ব্যবসা, ডিজিটাল নাগরিক এবং ডিজিটাল সরকার। ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের সূত্রমতে, তাদের এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ইতিমধ্যে রুয়ান্ডায় ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পেরেছে, যার মধ্যে রয়েছে জিডিপিতে আইসিটির পাঁচ শতাংশ অবদান, পঞ্চাশ হাজার ডিজিটাল কর্মসংস্থান এবং ১৫ লাখ নাগরিককে কোডিং ও উন্নত দক্ষতায় প্রশিক্ষণ। ভারতও আমাদেরকে দেখিয়েছে, সহায়ক পরিবেশ ঠিকঠাক গড়ে তুলতে পারলে তথ্য ও যোগাযোগ-প্রযুক্তি খাত কত সমৃদ্ধি অর্জন করা সম্ভব। যেখানে মাত্র ছয় বছরে তারা প্রযুক্তিসেবা খাতে সরাসরি কর্মসংস্থান কয়েক লাখ থেকে বেড়ে দশ লাখেরও বেশিতে পৌঁছেছে। এই দেশগুলোর কার্যক্রম থেকে আমরা বুঝতে পারি যে, একটি সুশৃঙ্খল, সুদূরপ্রসারী স্ট্র্যাটেজিক রোডম্যাপ আমাদেরকে সমৃদ্ধি অর্জনের রাস্তায় নিয়ে যেতে পারে।

আমি মনে করি, বাংলাদেশের জন্য একটি কার্যকর কাঠামো তিনটি স্তরে হতে পারে। প্রথম স্তরটি হলো আইনি ও স্ট্র্যাটেজিক নীতিগত কাঠামো। আমাদের স্ট্র্যাটেজিক কাঠামো হতে পারে একটি কৌশলগত পরিকল্পনা, যা দেশের দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য এবং তা অর্জনের পদক্ষেপগুলোকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে সংযুক্ত করবে এবং এটি জাতির সামনে প্রকাশিত থাকবে। যেমন, স্ট্র্যাটেজিক রোডম্যাপ আমরা তৈরি করব রপ্তানিযোগ্য ডিজিটাল সেবার যেকোনো স্বপ্ন পূরণের জন্য; যেমন—বড় পরিসরে ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল কারেন্সি, সাইবার টেকনোলজি, বিজনেস ও সোশ্যাল সফটওয়্যার রপ্তানি কিংবা একটি সর্বাধুনিক বিজ্ঞাননির্ভর ডেটা হাবভিত্তিক ব্যবস্থার জন্য। যাহোক, দেশের প্রয়োজন একটি সত্যিকারের স্বাধীন তথ্য সুরক্ষা কর্তৃপক্ষ, তার গ্রাহকেরা ইতিমধ্যেই যে পর্যাপ্ততা-মান ব্যবহার করে, তার দিকে অভিমুখী সীমান্ত-অতিক্রমী নিয়মাবলি এবং এমন একটি সাইবার-অপরাধ কাঠামো, যা নাগরিকের বাক্‌স্বাধীনতা দমন না করে বরং তাকে রক্ষা করে। সমান গুরুত্বপূর্ণ, দেশের দরকার ক্রয়প্রক্রিয়া সংস্কার, যা প্রাপ্ত দুর্নীতিবিরোধী সমাধানগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ কার্যকর—বিশেষত এত বিপুল প্রযুক্তির অর্থ যেভাবে কারচুপির চুক্তির মধ্য দিয়ে ইতিমধ্যেই বেরিয়ে গেছে, তা বিবেচনায়।

দ্বিতীয় স্তরটি হলো আধুনিক মান ও অভিন্ন ডিজিটাল বা আধুনিক তথ্য ও যোগাযোগ-প্রযুক্তি অবকাঠামো, যা অতীতের সব কাঠামোকে সংশোধন করে একটি জায়গায় আনবে। যেসব দেশ তাদের অর্জনকে চক্রবৃদ্ধি হারে বাড়িয়েছে, তারা তা করেছে পুনর্ব্যবহারযোগ্য অবকাঠামো গড়ে; যেমন—আন্তঃক্রিয়াশীল ডিজিটাল পরিচয়, তাৎক্ষণিক পেমেন্ট এবং সম্মতিভিত্তিক ডেটা বিনিময়, যার ওপর পরবর্তী প্রতিটি সেবাই যুক্ত করা যায়। বাংলাদেশের হাতে ইতিমধ্যেই শক্তিশালী কিছু আলাদা উপাদান আছে—কিছু ভালো নীতিমালা, জাতীয় পরিচয় ব্যবস্থা থেকে শুরু করে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত মোবাইল আর্থিক সেবা পর্যন্ত। কিন্তু সেগুলো এখনো এমন একটি সুসংগত, উন্মুক্ত, আন্তঃক্রিয়াশীল মানসমষ্টি নয়, যার ওপর বেসরকারি এবং সরকারি ব্যবহারকারীরা বা উদ্ভাবকেরা অবাধে নির্মাণ করতে পারে। এখানে বলার আছে যে, টুকরোগুলোকে একটি প্ল্যাটফর্মে রূপান্তরের পদক্ষেপটি হলো উন্মুক্ত আন্তঃক্রিয়াশীলতার মান বাধ্যতামূলক করা এবং ডিজিটাল পরিচয়, সম্মতিভিত্তিক ডেটা বিনিময় ও তাৎক্ষণিক পেমেন্টকে জনঅবকাঠামো হিসেবে গণ্য করা, যা পূর্ণরূপে নথিভুক্ত ও বাজারের জন্য উন্মুক্ত। ঐসব খাতের সংস্কারকেরা যে সমন্বিত পরিচালন পরিকল্পনার কথা বারবার বলছেন, বাস্তবে এটিই তার অর্থ। যাহোক, আমাদের সরকারের উচিত হবে এখনই অন্যান্য দেশের মতো ইন্ডাস্ট্রি ৫.০ অবকাঠামোর অনুমোদন এবং উৎসাহ প্রদান করে দেশের প্রতিটি ডিজিটাল ব্যবস্থায় এআই এবং আইওটির সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করা।

তৃতীয় স্তরটি হলো প্রকৃত ধাপ-নিয়ন্ত্রণসহ একটি পরিচালন রোডম্যাপ। আমাদের শৃঙ্খলা সবচেয়ে বেশি দরকার। দেশ হিসেবে কোরিয়া তার নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ চালাতে যে শৃঙ্খলা ব্যবহার করেছিল, সেটিই আগের ধাপ তার ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা না ছোঁয়া পর্যন্ত পরবর্তী ধাপ শুরু হয় না। আর যেসব সুদৃঢ় ব্যবস্থাপনা তাদের নির্দিষ্ট মালিক, প্রকাশ্য মাইলফলক ও স্বাধীন নিরীক্ষাসহ একটি চলমান তিন-বছরের পরিকল্পনার অংশ। আমাদের মনে রাখতে হবে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ৩১ দফার নিরিখে “সবার আগে বাংলাদেশ” এবং দেশের মানুষ সবার আগে। যেমন, আমাদের সবচেয়ে যুক্তিসঙ্গত সুবিধাটি মানবিক, আর কৌশলগত কাজটি হলো ফ্রিল্যান্সিং থেকে প্রতিষ্ঠানের দিকে মূল্য-শৃঙ্খল বেয়ে ওঠা—আনুষ্ঠানিকীকরণের প্রণোদনা, আন্তর্জাতিক পেমেন্টে নির্ভরযোগ্য প্রবেশাধিকার এবং ‘গিগ’ থেকে ‘ফার্ম’-এ যাওয়ার একটি সুপরিকল্পিত পথের মাধ্যমে ব্যক্তি গিগ-কর্মীদের নিবন্ধিত কোম্পানি, পণ্য-দল ও রপ্তানিকারকে রূপান্তরিত করা।

অতীতে বাংলাদেশের ডিজিটাল প্রচেষ্টাগুলো খণ্ডিত ছিল এবং এখন কাজ হলো সেই টুকরোগুলোকে জাতীয় প্রয়োজনের দিকে নির্ভুলভাবে তাক করা। তথ্য-প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ ও বাস্তবমুখী ব্যবস্থা সব ক্ষেত্রে আনতে হলে তথা স্বচ্ছতার ওপর নির্মিত এবং রপ্তানিযোগ্য তথ্য-প্রযুক্তির পণ্য সৃষ্টি অতি দরকারি। আমাদের বাস্তবমুখী ব্যবস্থার দৃষ্টি থাকবে ব্যাপক কর্মসংস্থানের দিকে অভিমুখী একটি সুসংগত ব্যবস্থায় টার্গেটের ওপর। আমরা একটি উৎপাদনমুখী তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবস্থাপনার বড় স্বপ্নের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে। এখন দরকার অতীতের তথ্য-প্রযুক্তির উন্নয়নের টুকরোগুলোকে একটি সুব্যবস্থায় রূপান্তরের চক্রবৃদ্ধি শৃঙ্খলা—আর সেটি শুরু করতে হবে এখনই।

প্রফেসর ড. শাহ জে. মিয়া
প্রফেসর অব বিজনেস অ্যানালিটিক্স অ্যান্ড অ্যাপ্লাইড এআই
নিউক্যাসল ইউনিভার্সিটি, নিউ সাউথ ওয়েলস, অস্ট্রেলিয়া
ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, জাতীয়তাবাদী আইসিটি ফোরাম এবং বিএনপি চেয়ারম্যানের বহিঃবিশ্বে শহীদ জিয়ার আদর্শে বিশ্বাসী পেশাজীবী এক্সপার্টিজ গ্রুপের সদস্য

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  তথ্য-প্রযুক্ত   ভবিষ্যৎমুখী ব্যবস্থা  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলা মত ও সম্পাদকীয়- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close