মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬,
১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম: নীরব চুপ্পুর সরব দুর্নীতি      আ. লীগ আমলের ৩২ যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাল সরকার      হেপাটাইটিস প্রতিরোধ ও নাগরিক সচেতনতায় খোলা কাগজের গোলটেবিল বৈঠক      আজকের শিশুরাই আগামী বাংলাদেশের নির্মাতা: প্রধানমন্ত্রী      শর্তসাপেক্ষে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল      ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ       স্বর্ণের দাম ভরিতে বেড়েছে দুই হাজার ২১৬ টাকা      
খোলাকাগজ স্পেশাল
নীরব চুপ্পুর সরব দুর্নীতি
আলতাফ হোসেন
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬, ৯:১১ এএম
সংগৃহীত ছবি

সংগৃহীত ছবি

ক্ষমতার সঙ্গে চলা সদ্য বিদায়ী রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু সব সময়ই ক্ষমতাকে ব্যবহার করেছেন নিজের স্বার্থে। সবশেষ রাষ্ট্রপতির পদকেও নিজের প্রতিরক্ষা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে গেছেন। কিন্তু স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করার পরই একের পর এক সামনে আসছে তার পুরোনো অধ্যায়ের নতুন হিসাব। চুপ্পুর বিরুদ্ধে উঠেছে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার হস্তান্তর, ঋণ বিতরণে অনিয়ম, বিপুল সম্পদ অর্জন এবং আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ। বিএফআইইউর প্রতিবেদনে জেএমসি বিল্ডার্সের মাধ্যমে তার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি উঠে আসায় প্রশ্ন উঠেছে, কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় তিনি ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক ও পরে ভাইস চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। এখন সাংবিধানিক দায়মুক্তির বাইরে থাকায় চুপ্পুর বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের তদন্ত কোন পথে যায়, সেদিকেই দৃষ্টি সংশ্লিষ্টদের।

সদ্য সাবেক হওয়া এই রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এখন রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। তার অনিয়মের বিরুদ্ধে বিরোধী রাজনৈতিক পক্ষ ও বিভিন্ন সংগঠন এরই মধ্যে নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনেও ছড়িয়েছে উত্তাপ। জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্যসচিব আক্তার হোসেনসহ কয়েকটি রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন সাবেক রাষ্ট্রপতিকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে। তাদের অভিযোগ, রাষ্ট্রপতি পদ থেকে সরে যাওয়ার মাধ্যমে তিনি সাংবিধানিক সুরক্ষা হারিয়েছেন এবং এখন অন্যান্য নাগরিকের মতোই তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে পারেন।

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার মালিকানা পরিবর্তন ও ঋণ বিতরণ নিয়ে দায়ের হওয়া রিটের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের নির্দেশে সম্প্রতি বিএফআইইউ তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং জেএমসি বিল্ডার্সের নাম উল্লেখ করা হয়। আদালতে উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী, ২৪টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকের ৮১ দশমিক ৯২ শতাংশ শেয়ার স্থানান্তরের বিষয়টি তদন্তের আওতায় আসে। এসব শেয়ার অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া আইনসঙ্গত ছিল কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। আইন অনুযায়ী, কোনো একক প্রতিষ্ঠান একটি ব্যাংকের সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ শেয়ার ধারণ করতে পারে। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে ইসলামী ব্যাংকের বড় অংশের মালিকানা নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছিল।

মামলার আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১৭ সালে জেএমসি বিল্ডার্সের প্রতিনিধি পরিচালক হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হন। পরে তিনি ব্যাংকটির ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০২৩ সালে রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ পর্যন্ত ওই দায়িত্বে ছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময়ের মধ্যে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কাঠামো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে ২৪টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ঋণ নেওয়ার অভিযোগও তদন্তে এসেছে। বিএফআইইউ প্রতিবেদনে এসব প্রতিষ্ঠানের নেওয়া ঋণের পরিমাণ প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা উল্লেখ করা হয়েছে।

ইসলামী ব্যাংকের শেয়ার কেলেঙ্কারি ও ঋণ অনিয়মের অভিযোগে হাইকোর্ট এর আগে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন সাবেক পরিচালকের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা, ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার হস্তান্তরে নিষেধাজ্ঞার নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরবর্তী সময়ে বিএফআইইউ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের সঙ্গে তার বিপুল সম্পদ অর্জনের বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, অনিয়মের মাধ্যমে অর্জিত অর্থে তিনি দেশ-বিদেশে সম্পদের মালিক হয়েছেন। গুলশানে তার একাধিক ফ্ল্যাট থাকার তথ্য সামনে এসেছে। পাশাপাশি বিদেশেও সম্পদ গড়ার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

অভিযোগ আছে, মালয়েশিয়ার ‘মাই সেকেন্ড হোম’ কর্মসূচির আওতায় অন্তত দেড় লাখ মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত (প্রায় অর্ধকোটি টাকা) বিনিয়োগ করে তিনি রেসিডেন্সি সুবিধা নিয়েছিলেন। এ ছাড়া দুবাইয়ের একাধিক ব্যাংকে তার বিপুল পরিমাণ অর্থ জমা এবং ‘ওয়ারাদ জেনারেল ট্রেডিং এলএলসি’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের তথ্য নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তার দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়েও অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে তার স্ত্রী ড. রেবেকা সুলতানা ও ছেলে মো. আরশাদ আদনানের নামেও বিপুল সম্পদ গড়ে তোলার অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে আরশাদ আদনানের প্রযোজিত ‘প্রিয়তমা’ ও ‘রাজকুমার’ সিনেমায় বড় অঙ্কের বিনিয়োগের উৎস নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। এসব সম্পদ ও বিনিয়োগের অর্থের উৎস খতিয়ে দেখতে রাজনৈতিক মহল থেকে তদন্তের দাবি উঠেছে।

মো. সাহাবুদ্দিনের রাজনৈতিক উত্থান নিয়েও রয়েছে নানা আলোচনা ও বিতর্ক। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগের সমর্থন এবং এস আলম গ্রুপের ঘনিষ্ঠতার কারণেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদে আসীন হওয়ার সুযোগ পান। দলটির অনেক জ্যেষ্ঠ ও দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদকে পাশ কাটিয়ে তাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেওয়া হয়, যা সে সময় অনেকের কাছেই বিস্ময়কর ছিল।

রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তিনি আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের বিষয়ে নীরব ছিলেন। বিশেষ করে ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক সংকট এবং জুলাই গণ-আন্দোলন ও সহিংসতার ঘটনায় তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। সংকট নিরসনে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে থেকেও তিনি কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেননি। তবে পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মো. সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগকে ‘ফ্যাসিস্ট’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বক্তব্য দেন। এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়।

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক পদে থাকা এবং সে সময়কার অনিয়মের সঙ্গে তার দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির। তিনি বলেছেন, রাষ্ট্রপতির পদে থাকাকালে সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী যে দায়মুক্তি থাকে, দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর তা আর বহাল থাকে না। রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অবসরের পর তার বিরুদ্ধে আগের কোনো অপরাধের অভিযোগেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

শিশির মনির বলেন, তিনি (রাষ্ট্রপতি) সে সময় ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক হয়েছিলেন কোন ক্ষমতাবলে, সেটি একটি বড় প্রশ্ন। আমার বিবেচনায় তিনি তৎকালীন মানি ডাইভারশন প্রক্রিয়ার অংশীদার ছিলেন। তিনি এর দায়-দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে পারেন না।

তিনি দাবি করেন, এস আলম গ্রুপের নিয়ন্ত্রণে ইসলামী ব্যাংকে যে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে, তার সঙ্গে সাবেক রাষ্ট্রপতির সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তার ভাষ্য, এস আলমের ইসলামী ব্যাংক নিয়ন্ত্রণের সময়ে জেএমসি বিল্ডার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠানের মনোনীত পরিচালক হিসেবে তিনি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে ছিলেন। পরে তিনি ভাইস চেয়ারম্যান হন এবং রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগ পর্যন্ত ওই পদে ছিলেন।

শিশির মনির বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারের মালিক ছিলেন না, নিজস্ব পরিচালকও ছিলেন না। তিনি জেএমসি বিল্ডার্সের মনোনীত পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছিলেন। ওই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ছিলেন এস আলমের ছেলে।

তিনি আরও বলেন, ইসলামী ব্যাংকের ঋণ অনিয়ম ও অর্থ পাচারের অভিযোগ নিয়ে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) তদন্ত করেছে। তবে রাষ্ট্রপতির পদে থাকায় তার নাম বা সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে সে সময় কোনো পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি।

শিশির মনির বলেন, রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে থাকাকালে তার বিরুদ্ধে মামলা করা যেত না। কিন্তু দায়িত্ব শেষ হওয়ার পর সেই সুরক্ষা থাকে না। পদত্যাগ বা অবসরের পর তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে কোনো বাধা নেই।

তিনি এ ক্ষেত্রে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের উদাহরণ তুলে ধরেন। শিশির মনির বলেন, এরশাদ রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়ার পর তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও দুর্নীতির মামলা হয়েছিল। তিনি দাবি করেছিলেন, রাষ্ট্রপতি হিসেবে তার দায়মুক্তি রয়েছে। কিন্তু আদালত বলেছিলেন, দায়িত্বে থাকা পর্যন্তই দায়মুক্তি প্রযোজ্য; দায়িত্ব শেষ হলে তা আর থাকে না।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির পদ থেকে চলে যাওয়ার পর কারও দায়মুক্তি থাকে না। রাষ্ট্রপতি থাকাকালে সংঘটিত কোনো অপরাধের অভিযোগ থাকলেও পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে পারে।

সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, সদ্য পদত্যাগ করা সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে বিরোধী দল যেসব অভিযোগ তুলেছে, তা আমলে নেওয়ার মতো নয়। যারা তার বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছে, তাদের সেটা অধিকার আছে। গণ-অভ্যুত্থানের পর আমরা চাই রাজনৈতিকভাবে মানুষের কথা বলার ও প্রতিবাদ করার স্বাধীনতা থাকুক। এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলতে পারে। তবে আমরা আমলে নেওয়ার মতো কোনো বিষয় এখানে দেখিনি।

তিনি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে আইন অনুযায়ী তিনি যে সুযোগ-সুবিধা পাওয়ার অধিকারী, তা পাবেন। এসএসএফ, পিজিআরসহ ছয় মাস নিরাপত্তা সুবিধার বিধান রয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

সাবেক রাষ্ট্রপতির আগের দায়িত্ব পালনকালে দুদক ও ব্যাংকের প্রশাসনিক দায়িত্বে থাকার সময়কার বিষয়ে কোনো বিচার হবে কি না—এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেছেন, সে সময় কোনো অভিযোগ থাকলে আইন ও বিধি অনুযায়ী তা বিবেচিত হবে।

তবে এর আগে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুদকের চেয়ারম্যান ও ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক থাকাকালে ওঠা বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ সরকার গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, সরকার কোনো ব্যক্তির প্রতি অবিচার করতে চায় না। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই চলছে। তদন্তে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল শপথ নিয়েছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন। এক বছর পর ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলেও তিনি রাষ্ট্রপতি পদেই বহাল ছিলেন। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে সাহাবুদ্দিনের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ছিল। কিন্তু দায়িত্ব শেষ হওয়ার প্রায় দুই বছর আগেই স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন তিনি।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  দুর্নীতি  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

খোলাকাগজ স্পেশাল- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close