জয়পুরহাটের কালাই উপজেলায় মাদক নির্মূলে জুলাই মাসজুড়ে পরিচালিত সাঁড়াশি অভিযানে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর মধ্যে ১১ জনের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ের অভিযোগে ১০টি নিয়মিত মামলা দায়ের করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া মাদক সেবনের অভিযোগে আটক ২১ জনকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
কালাই থানা সূত্রে জানা গেছে, গত জুলাই মাসজুড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় গ্রেপ্তার হওয়া মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আলামত হিসেবে ২২৩ পিস ট্রাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদক জব্দ করে আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, মাদক ব্যবসা, সংরক্ষণ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে এসব মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাশাপাশি মাদকসেবনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানের ফলে প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির প্রবণতা অনেকটাই কমেছে।”
তবে মাদক নির্মূলে অভিযান আরও জোরদার করার পাশাপাশি এর পেছনের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।”
কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, “জুলাই মাসে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং ২১ জন মাদক সেবনকারীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সাজা দেওয়া হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ২২৩ পিস ট্রাপেন্টাডল ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক ব্যবসায়ী বা সেবনকারী কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না। মাদকমুক্ত কালাই গড়ে তুলতে পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
কেকে/সাশ