মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানোই যেন তার জীবনের ব্রত। অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নীরবে ছুটে চলেছেন সমাজসেবী সুমন রাফি। ফরিদপুরের বোয়ালমারী, আলফাডাঙ্গা ও মধুখালীসহ বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে তার মানবিক কর্মকাণ্ড মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে।
স্থানীয়দের কাছে তিনি পরিচিত হয়ে উঠেছেন ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ ও ‘রক্তযোদ্ধা’ হিসেবে। রক্তের প্রয়োজন—এমন খবর পেলেই ছুটে যান সুমন রাফি। বছরের পর বছর ধরে নিজে রক্ত দেওয়া এবং অসুস্থ রোগীদের জন্য রক্তের ব্যবস্থা করে আসছেন তিনি। পাশাপাশি দরিদ্র ও অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, খাদ্য ও বস্ত্র বিতরণ, শীতার্তদের পাশে দাঁড়ানোসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন।
শুধু জীবিত মানুষের সেবাতেই নয়, সম্প্রতি পরিচয়হীন এক নারীর মরদেহের জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থায় সহযোগিতা করেও মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তিনি। তার এমন উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
শাহা আলম নামে এক যুবক বলেন, ‘সুমন রাফির মানবিক কর্মকাণ্ড যেন এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই ধারাবাহিকতায় অনেক পরিবার ফিরে পাচ্ছে আশার আলো, অনেক রোগী পাচ্ছেন প্রয়োজনীয় সহায়তা। দীর্ঘদিনের এই সেবামূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করছেন—মানবতা এখনো বেঁচে আছে, আর একজন মানুষের আন্তরিক উদ্যোগও সমাজে বড় পরিবর্তনের বার্তা দিতে পারে।’
সুমন রাফির বলেন, ‘মানুষের সেবা করাই তার মূল লক্ষ্য; যশ, খ্যাতি কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থ নয়।’
স্থানীয়দের প্রত্যাশা- তার এই মানবিক পথচলা অব্যাহত থাকুক।
কেকে/এমএ