পাবনা জেলার আটঘরিয়া উপজেলায় আলোচিত কিশোরী তমা খাতুন ধর্ষণ ও হত্যা মামলার প্রধান আসামি ওয়ার্ড বিএনপির নেতা আদম আলীকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেল চারটার দিকে উপজেলার একদন্ত ইউনিয়নের ষাটগাছা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
আদম আলী শাটগাছা গ্রামের আলহাজ নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি একদন্ত ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ছিলেন।
এ ছাড়া আদম আলী ১ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে একদন্ত হাট থেকে বাজার নিয়ে মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন আদম আলী। চন্ডীপাশা এলাকায় কয়েকজন দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে। এ সময় তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে জানালে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
আটঘরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হক বলেন, ‘আদম আলীকে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। তবে কারা তাকে হত্যা করেছে, তা তাৎক্ষণিক নিশ্চিত হওয়া যায়নি। মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনা অধিকতর তদন্ত চলছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।’
প্রসঙ্গত, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর একদন্ত ইউনিয়নের শাটগাছা গ্রামের হাচেন আলীর বাঁশঝাড় তমা খাতুন নামে কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় মরদেহটি পড়ে ছিল। তমাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় করা মামলায় আদম আলীকে প্রধান আসামি করা হয়। এরপর থেকে তিনি আলোচনায় ছিলেন।
কেকে/এমএ