মাঝেমাঝে কষ্ট দিও,
নইলে কবিতা লিখা ভুলে যাবো একদিন।
আমি আবার অদ্ভুত ধাতু দিয়ে গড়া।।
আঘাত না করলে কথা বেরোয় না।
কেউ কাব্য লিখে আনন্দে, আর কেউ দুঃখে।।
আমি না হয় দুঃখেই লিখলাম।
কি আর হবে বল?
কারো কি কিছু এলো গেলো।।
না যা যাবার আমারই গেলো।।
পাগল আমি, জানি বড্ড পাগল।
কিন্তু তুমি তো ভীষণ সেয়ানা, না না বুদ্ধিমান।
তাহলে তোমার কি করে ভুল হয় বল?
কেন ঠিকঠাক মেলাতে পারলে না জীবন?
আমিতো বরাবরই অংকে কাঁচা,
কিন্তু তুমিতো ওস্তাদ,তাহলে?
আমি না হয় যেকোনভাবে টেনেটুনে সমীকরণ মেলাই।
কোনরকমে পরীক্ষা শেষ করলেই বাঁচি।
কিন্তু তুমি তো সবকিছুই কর একদম পয়েন্ট টু পয়েন্ট,
তাহলে? কেন মেলাতে পারোনি জীবনের অংকটা?
কেন জীবন সমীকরণে উপাদানগুলো নিজের মতো করে নাওনি?
ভুল সংখ্যা দিয়ে কি অংক সঠিক হয় বলো?
মাঝেমাঝে খুব কষ্ট হয় জানো,
না না আমার জন্য না, তোমার জন্য।।
আমার আবার কোন কষ্ট লাগে না,
জানোই তো গন্ডারের চামড়া আমার
খোঁচা খেলেও খবর হয় না,
হলেও সে অনেক পরে।।
ততদিনে কষ্ট বিরক্ত হয়ে আমাকে ছেড়ে পালায়।।
কি হাস্যকর তাই না?
দুই আর দুই মিলেই চার হয়।।
দুই আর শূন্যতে তো দুই-ই হবে, তাই না?
হিসেব করতে পারি না,
তাই আমার কোন কষ্ট নেই।।
কিন্তু তোমার জন্য কষ্ট হয়।।
অংকের প্রায় মাঝামাঝি এসে সংখ্যাগুলো বদলানোও মুশকিল
আবার সঠিকভাবে মেলানোও অসম্ভব।।
একটাই সমাধান পুরো অংকটা কেটে দিয়ে নতুনভাবে সঠিক সংখ্যা দিয়ে শুরু করা।।
সেই সিদ্ধান্ত হোক তোমারই, যেভাবে চলছে এক যুগ।
কবি : প্রধান শিক্ষক
খুরুশকুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
কেকে/এমএ