সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬,
১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬
শিরোনাম: পুলিশ টিমকে একসঙ্গে চা বা বিশ্রামে না যাওয়ার আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর      ডিএসইর গণছাঁটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, দাবি কর্মকর্তাদের      দেশকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন: প্রধানমন্ত্রী      অনুসন্ধানে অবহেলার মাশুল দিচ্ছে দেশ      আমি মানুষ হত্যা করতে চাই না : ট্রাম্প      নতুন নীতিমালায় এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম চালু      মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনে গ্যাস আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ      
দেশজুড়ে
সরকার আসে, সরকার যায়; কেশবপুরের মানুষের দুর্ভোগ যায় না
কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ২:০৭ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

যশোরের কেশবপুর উপজেলার পূর্বাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে। সরকার আসে, সরকার যায়; কিন্তু পানিবন্দি মানুষের দুর্ভোগের অবসান হয় না।

উপজেলার প্রায় অর্ধলক্ষাধিক মানুষকে বছরের প্রায় ১০ মাস বাড়িঘর ও উঠানে পানি জমে থাকার কারণে পানিবন্দি অবস্থায় বসবাস করতে হচ্ছে। ২৭ বিল পানি নিষ্কাশন কমিটির সভাপতি, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মাস্টার মকবুল হোসেন মুকুল জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের আট-ভেন্ট স্লুইসগেটের মুখে বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে সেচ পাম্প চালু করা গেলে বদ্ধ পানি নিষ্কাশন সম্ভব হবে।

উপজেলার বাগডাঙ্গা, মনোহরনগর, মাদারডাঙ্গা, পাথরঘাটা, কাটাখালী, ময়নাপুর, শান্তলা, কালীচরণপুরসহ মনিরামপুর উপজেলার কয়েকটি এলাকাও দীর্ঘদিন ধরে জলাবদ্ধতায় ভুগছে।

হরি-ঘ্যাংরাইল অববাহিকা জলাবদ্ধতা নিরসন কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, আট-ভেন্ট স্লুইসগেটের সামনে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে সেচ পাম্প স্থাপন করা হলে এ এলাকার পানি দ্রুত নিষ্কাশন করা সম্ভব।

বাগডাঙ্গা-মনোহরনগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য বৈদ্যনাথ সরকার বলেন, তার নির্বাচনী এলাকায় এমন কোনো বাড়ি নেই, যেখানে শুকনো পরিবেশ রয়েছে। প্রায় প্রতিটি বাড়ি থেকে বের হতে বাঁশের তৈরি সাঁকো ব্যবহার করতে হয়।

মাদারডাঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা অমল দাস বলেন, ভোটের সময় জনপ্রতিনিধিরা নানা আশ্বাস দিয়ে ভোট নেন, কিন্তু পরে আর ফিরে তাকান না। ভোট আসে, ভোট যায়; সরকার আসে, সরকার যায়; কিন্তু এ এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমে না।

সাবেক আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নেতারা নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে তা বাস্তবায়ন করেননি বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।

সাবেক ইউপি সদস্য দুর্গা শঙ্কর জানান, জলাবদ্ধতার কারণে এখানকার মানুষ প্রয়োজনে একটি গাছ পর্যন্ত বিক্রি করতে পারেন না। এলাকার মাঝ দিয়ে যাওয়া সড়কের ওপরই অনেককে গরু-ছাগল বেঁধে রাখতে হয়।

এলাকার ভুক্তভোগীদের দাবি, বর্তমান সরকার দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসন করুক এবং দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে তাদের মুক্তি দিক।

কেকে/এলএ


আরও সংবাদ   বিষয়:  কেশবপুর   সরকার  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close