বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শিল্পায়ন, কৃষি, পরিবহন, ব্যবসায়-বাণিজ্য ও মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সঙ্গে জ্বালানি নিরাপত্তা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। গত কয়েক দশকে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিদ্যুৎপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও জ্বালানি সরবরাহের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখনো নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও পর্যাপ্ত গ্যাস, কয়লা ও তরল জ্বালানি না থাকায় অনেক সময় সেই সক্ষমতার পূর্ণ ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা, আমদানিনির্ভরতা, বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ ও দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমে যাওয়া পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
বাংলাদেশের বর্তমান বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩২ হাজার মেগাওয়াটের বেশি এবং বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় রয়েছে প্রায় শতভাগ জনগোষ্ঠী। কিন্তু সক্ষমতা ও বাস্তব উৎপাদনের মধ্যে পার্থক্য তৈরি হলে জ্বালানি সংকট সরাসরি অর্থনীতি ও জনজীবনে প্রভাব ফেলে। তাই জ্বালানি সংকটকে শুধু বিদ্যুৎ সংকট হিসেবে দেখলে চলবে না; এটি দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা এবং জাতীয় উন্নয়নের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি কৌশলগত বিষয়।
বর্তমান জ্বালানি সংকটের অবস্থা :
বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থায় প্রাকৃতিক গ্যাস দীর্ঘদিন ধরে প্রধান ভূমিকা পালন করেছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা, সার উৎপাদন, ক্যাপটিভ পাওয়ার এবং গৃহস্থালি—সব ক্ষেত্রেই গ্যাসের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। কিন্তু দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমে যাওয়ায় বাংলাদেশকে ক্রমেই আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
বিশ্বব্যাংকের তথ্যাযায়ী, বাংলাদেশের গ্যাসের চাহিদা সরবরাহের তুলনায় প্রায় ২০-২৫ শতাংশ বেশি এবং গ্যাসের ঘাটতি বিদ্যুৎ উৎপাদনেও সরাসরি প্রভাব ফেলছে। একই সঙ্গে ২০২০-২১ থেকে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মধ্যে বাংলাদেশের প্রাথমিক জ্বালানি আমদানির ওপর নির্ভরতা ৪৭.৭ শতাংশ থেকে ৬২.৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে বলে আইইইএফএ জানিয়েছে।
২০২৬ সালে আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার দুর্বলতাকে আরও স্পষ্ট করেছে। কাতার থেকে এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় বাংলাদেশকে বিকল্প উৎস ও স্পট মার্কেট থেকে বেশি দামে এলএনজি সংগ্রহ করতে হয়েছে। এর ফলে জ্বালানি আমদানির ব্যয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় এবং সরকারের আর্থিক চাপ—সবই বেড়েছে।
সংকটের প্রধান কারণ :
বাংলাদেশের জ্বালানি সংকটের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে। প্রথমত, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানে দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত বিনিয়োগ না হওয়া। নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার ও উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হলেও চাহিদার তুলনায় তা যথেষ্ট নয় এবং এসব প্রকল্পের কোন সফল অগ্রগতি নেই।
দ্বিতীয়ত, আমদানিনির্ভরতা।এলএনজি, কয়লা ও পেট্রোলিয়ামজাত জ্বালানির আন্তর্জাতিক মূল্য বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে বাংলাদেশের আমদানি ব্যয়ও বেড়ে যায়।
তৃতীয়ত, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ। জ্বালানি আমদানির জন্য বিপুল পরিমাণ ডলার প্রয়োজন। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার সংকট দেখা দিলে জ্বালানি আমদানিও ঝুঁকির মধ্যে পড়ে।
চতুর্থত, বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা এবং জ্বালানি সরবরাহের মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতি। দেশে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও প্রয়োজনীয় গ্যাস, কয়লা বা তেল না থাকলে সেগুলো পূর্ণ ক্ষমতায় চালানো সম্ভব হয় না।
পঞ্চমত, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার এখনো তুলনামূলকভাবে কম। ২০২৬ সালের একটি সিপিডি বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রায় ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট স্থাপিত ক্ষমতার মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎসের ক্ষমতা ছিল মাত্র ১ হাজার ৬৯ মেগাওয়াট।
বর্তমানে সংকট উত্তরণের তাৎক্ষণিক করণীয় :
জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রথমেই প্রয়োজন বাস্তবভিত্তিক ও সমন্বিত স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা। এলএনজি আমদানির ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি, সরবরাহকারী দেশ বৈচিত্র্যকরণ এবং কৌশলগত মজুত বাড়ানো প্রয়োজন। একক কোনো দেশ বা উৎসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
বিশ্বব্যাংকও বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি চুক্তি বাড়ানো এবং স্পট মার্কেটের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা কমানোর মাধ্যমে জ্বালানি নিরাপত্তা শক্তিশালী করার পরামর্শ দিয়েছে।
একই সঙ্গে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে অপচয় বন্ধ করতে হবে। শিল্পকারখানা, সরকারি প্রতিষ্ঠান, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান এবং আবাসিক খাতে জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। বিদ্যুৎ সাশ্রয় শুধু সংকটের সময় নয়, নিয়মিত জাতীয় নীতির অংশ হওয়া উচিত।
দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়াতে হবে :
জ্বালানি সংকট উত্তরণের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায়গুলোর একটি হলো দেশের নিজস্ব গ্যাস সম্পদের অনুসন্ধান ও উত্তোলন বৃদ্ধি করা। স্থলভাগের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের গ্যাস অনুসন্ধানে আরও কার্যকর উদ্যোগ প্রয়োজন। দেশীয় গ্যাস পাওয়া গেলে এলএনজি আমদানির ওপর চাপ কমবে, শিল্পে গ্যাস সরবরাহ বাড়বে এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয়ও কমতে পারে। একই সঙ্গে ভোলা ও অন্যান্য সম্ভাবনাময় গ্যাসক্ষেত্র থেকে দ্রুত উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া দরকার। তবে শুধু গ্যাসের ওপর নির্ভর করাও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান নয়। গ্যাসকে একটি সেতুবন্ধনকারী জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে ধীরে ধীরে নবায়নযোগ্য শক্তির দিকে যেতে হবে।
দেশে সৌরবিদ্যুতের বিশাল সম্ভাবনা :
বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট উত্তরণের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনাগুলোর একটি হলো সৌরবিদ্যুৎ। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান সৌরশক্তি ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট উপযোগী। বাড়ির ছাদ, শিল্পকারখানার ছাদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি ভবন, কৃষিজমির অনাবাদি অংশ এবং জলাশয়ের ওপর ভাসমান সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব।
২০২৬ সালে বাংলাদেশ সরকার গ্রিডভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের দিকে নতুন করে জোর দিয়েছে। একই সময়ে বিশেষজ্ঞরাও জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য সৌরশক্তিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। রুফটপ সোলারকে আরও জনপ্রিয় করা গেলে দিনের বেলায় শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুতের চাহিদার একটি অংশ নিজস্বভাবে পূরণ করা সম্ভব হবে। এতে জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমবে এবং আমদানিকৃত জ্বালানির প্রয়োজনও কমবে।
বায়ু, বায়োগ্যাস ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য শক্তি :
সৌরশক্তির পাশাপাশি বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় বায়ু বিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও উপকূলীয় অঞ্চলে বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে উপযুক্ত স্থান নির্ধারণ করে উইন্ড পাওয়ার প্রকল্প বাড়ানো যেতে পারে।
কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে বায়োগ্যাসেরও বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে। গবাদিপশুর বর্জ্য, কৃষি বর্জ্য এবং পৌর বর্জ্য থেকে গ্যাস ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব। এতে একদিকে জ্বালানি উৎপাদন হবে, অন্যদিকে পরিবেশ দূষণও কমবে।
অঞ্চল ভিত্তিক জ্বালানি সহযোগিতা :
বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তায় আঞ্চলিক সহযোগিতার গুরুত্ব ক্রমেই বাড়ছে। ভারত, নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বিদ্যুৎ বাণিজ্য আরও সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। বিশেষ করে নেপাল ও ভুটানের জলবিদ্যুৎ বাংলাদেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদে গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক বিদ্যুৎ গ্রিড শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এতে কোনো একটি উৎসে সমস্যা হলে অন্য উৎস থেকে দ্রুত বিদ্যুৎ আমদানি করা সম্ভব হবে।
জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ ও সুশাসন :
জ্বালানি সংকটের স্থায়ী সমাধানের জন্য শুধু অর্থ বরাদ্দ করলেই হবে না; প্রয়োজন সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি। প্রকল্প গ্রহণের আগে প্রকৃত চাহিদা, ব্যয়, উৎপাদনক্ষমতা এবং দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক প্রভাব মূল্যায়ন করতে হবে।
অতিরিক্ত ব্যয়বহুল প্রকল্প, অপ্রয়োজনীয় সক্ষমতা এবং অদক্ষ বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিবর্তে কম খরচে নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। আইইইএফএর বিশ্লেষণেও দেখা যায়, শুধু আমদানিকৃত জ্বালানির উচ্চমূল্য নয়, ব্যয়বহুল পিকিং প্ল্যান্ট ও অন্যান্য কাঠামোগত কারণও বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়েছে।
শিল্পখাতে জ্বালানি দক্ষতা :
বাংলাদেশের শিল্পখাত জ্বালানি সংকটে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। গ্যাস ও বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ উৎপাদন ব্যাহত করে, পণ্যের দাম বাড়ায় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমিয়ে দেয়। তাই শিল্পকারখানায় আধুনিক জ্বালানি-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি, বর্জ্য তাপ পুনর্ব্যবহার, দক্ষ বয়লার, আধুনিক মোটর ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থাপনা চালু করা প্রয়োজন। সরকার চাইলে কর ছাড়, সহজ ঋণ ও বিশেষ প্রণোদনার মাধ্যমে শিল্পে জ্বালানি দক্ষতা বাড়াতে পারে।
জ্বালানিতে দীর্ঘমেয়াদি সম্ভাবনা :
বাংলাদেশের সামনে সবচেয়ে বাস্তবসম্মত পথ হলো একটি বহুমুখী জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলা। অর্থাৎ গ্যাস, এলএনজি, কয়লা, পারমাণবিক বিদ্যুৎ, সৌর, বায়ু, জলবিদ্যুৎ ও আঞ্চলিক বিদ্যুৎ আমদানির মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করা। একটি মাত্র জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা বাংলাদেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। আন্তর্জাতিক বাজারে কোনো একটি জ্বালানির দাম বেড়ে গেলে বা সরবরাহ বন্ধ হলে পুরো অর্থনীতি যেন বিপর্যস্ত না হয়—এমন একটি বৈচিত্র্যময় জ্বালানি কাঠামো গড়ে তুলতে হবে। বিশেষ করে নবায়নযোগ্য শক্তির ক্ষেত্রে এখন বিনিয়োগ বাড়ানো হলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা থেকে অনেকটাই সুরক্ষা পেতে পারে। বর্তমানে নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের অংশ খুব কম হওয়ায় এই খাত সম্প্রসারণের সুযোগও অনেক বড়।
বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট নিঃসন্দেহে একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এটি একই সঙ্গে একটি বড় সুযোগ। সংকট আমাদের দেখিয়ে দিয়েছে যে শুধু আমদানিনির্ভর জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর ভর করে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান, এলএনজি সরবরাহের বৈচিত্র্য, জ্বালানি সাশ্রয়, আধুনিক সঞ্চালন অবকাঠামো, আঞ্চলিক বিদ্যুৎ সহযোগিতা এবং সর্বোপরি সৌর ও অন্যান্য নবায়নযোগ্য শক্তির দ্রুত সম্প্রসারণ—এই সমন্বিত উদ্যোগই হতে পারে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার ভিত্তি।
বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের জন্য প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, বেসরকারি বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত দক্ষতা ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা। আজকের সঠিক সিদ্ধান্তই আগামী দিনের বাংলাদেশের জ্বালানি স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করতে পারে।
অতএব, বাংলাদেশের লক্ষ্য হওয়া উচিত শুধু ‘জ্বালানি সংকট মোকাবিলা’ নয়; বরং এমন একটি নিরাপদ, সাশ্রয়ী, বহুমুখী ও টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যা দেশের শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারাকে দীর্ঘমেয়াদে শক্তিশালী করবে। খুব দ্রুত দুর্নীতি ও প্রকল্পের কাজের দীর্ঘসুত্রতার গেঁড়াকল থেকে এই সেক্টরকে বের করে আনতে পারলেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সেক্টরে সুফল বয়ে আনবে।
কেকে/এমএ