কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৮ কেজি গাঁজাসহ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। এ ছাড়া সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টভুক্ত একজন, জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত তিনজন এবং মাদক সেবনের অপরাধে সামারি ট্রায়ালের জন্য ১০ জনসহ মোট ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়। সকাল ৯টা ৫ মিনিটে থানার এসআই রূপম কুমার সরকার ও এএসআই মো. নুর-আল-আহসান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিশেষ অভিযান চালান। এ সময় উপজেলার ৪ নম্বর শশীদল ইউনিয়নের শশীদল বাজারের পশ্চিম পাশে পাঁচ পীরের দরগাহসংলগ্ন হরিমঙ্গল-বাগড়া বাজার সড়কের পূর্ব পাশে পলাশের মুদি দোকানের সামনে থেকে ৮ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মো. জনি (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি শশীদল ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর (বাল্লাক) এলাকার মো. আব্দুর রশিদের ছেলে।
পৃথক অভিযানে দুটি সাজাপ্রাপ্ত ওয়ারেন্টে আহাম্মেদ হৃদয় হাসান (২০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি দক্ষিণ শশীদল এলাকার আলাল মিয়ার ছেলে।
এ ছাড়া জিআর ওয়ারেন্টভুক্ত তিন আসামি টাটেরা গ্রামের মো. মনির হোসেন (২৬), দুলালপুর গ্রামের মো. মনির ও বড়ধুশিয়া গ্রামের মো. আব্দুল হাকিম (২২)কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মাদক সেবনের অপরাধে এসআই আল আমিন, এসআই মো. রফিকুল ইসলাম, এসআই মো. মাহতাব হোসাইন, এসআই মো. শামীম হোসেন, এএসআই মো. নুর-আল-আহসান, এএসআই লিংকন কুমার নাথ ও এএসআই মো. সাইফুল আলম সিদ্দিকীর নেতৃত্বে পৃথক অভিযান চালিয়ে ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের সামারি ট্রায়ালের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—বুড়িচংয়ের বারেশ্বর গ্রামের মো. ফরহাদ (১৯) ও মো. হোসাইন (২০); ব্রাহ্মণপাড়ার বাটেরা এলাকার মো. মামুন (৪৫), পূর্বপাড়ার মো. হেলাল (৩৫), ধানদৌল গ্রামের মো. সিরাজুল ইসলাম ওরফে সিরাজ (৪৫), দুলালপুর পশ্চিমপাড়ার জোবায়ের সরকার (২২) এবং সিদলাই এলাকার জনি (২২)। এ ছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বাঙ্গুরা গ্রামের মো. রাসেল মিয়া (২৭), মো. সজিব (২৩) ও মো. শাহীন (২৪) রয়েছেন।
পুলিশ জানায়, পৃথক অভিযানে গ্রেপ্তার ১৫ জনকে সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।
কেকে/সাশ