কেশবপুর উপজেলায় পুলিশ বিশেষ অভিযানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তিন নেতাসহ ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ২ নম্বর সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সুভাষ দেবনাথ (৬৪), ২ নম্বর সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সবুর শেখ (৬০) এবং ৯ নম্বর গৌরিঘোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা মোসলেম উদ্দিন ফকির (৫৫)। এ ছাড়াও মাদকবিরোধী অভিযানে ৭০ পিচ ইয়াবাসহ হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয় মনিরামপুর উপজেলার চালকিডাঙ্গা গ্রামের ইব্রাহিম হোসেন (২৬) এবং একই উপজেলার হাজরাকাটি গ্রামের মাদক সেবনকারী দিপুকে (২৮)।
চলতি বছরের ২২ আগস্ট উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়নের বাদুড়িয়া মোড় এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রমের নাশকতা মামলায় তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যার মামলা নং-১৪।
অন্যদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ রোকসানা খাতুনের দিক-নির্দেশনায় ভাল্লুকঘর পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পুলিশ পরিদর্শক দেব কুমার দাস, সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক নারোদ বিশ্বাস সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পৌর শহরের গাজীর মোড় এলাকা থেকে ৭০ ইয়াবাসহ ইব্রাহিম হোসেন (২৮) নামের মাদককারবারিকে গ্রেপ্তার করে। সে পাশ্ববর্তী মনিরামপুর উপজেলার চালকিডাঙ্গা গ্রামের আবু কাসেম গাজীর ছেলে।
মাদকসহ গ্রেপ্তারের ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা হয়েছে। যার মামলা নং-১৪। এ ছাড়াও আরেক অভিযানে উপজেলার সাতবাড়িয়া এলাকা থেকে মনিরামপুর উপজেলার হাজরাকাঠি গ্রামের মফিজ দফাদারের ছেলে দিপুকে গ্রেপ্তার করে সামারি ট্রায়াল আইনে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
রোকসানা খাতুন বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সুভাষ দেবনাথ এবং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুস সবুর শেখ এবং গৌরিঘোনা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য মোসলেম উদ্দিন ফকিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়াও ৭০পিচ ইয়াবাসহ ইব্রাহিম হোসেন নামের মাদককারবারি এবং দিপু নামে আরেক মাদক সেবনকারী কে গ্রেপ্তার করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মঙ্গলবার দুপুরে যশোর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। চুরি, ছিনতাই, মাদকমুক্ত ও সন্ত্রাসমুক্ত উপজেলা গড়তে থানা পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।’
কেকে/এআই