নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে মেঘনা নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারডুবির ঘটনায় নিখোঁজ একই পরিবারের চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে দুই দিনব্যাপী অভিযানের পর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল ও নৌ-পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে। তবে পরিবারের বাবা হেলাল উদ্দিন (৫৫) এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার হোমনা থেকে আত্মীয়ের বিয়েতে যোগ দিতে ট্রলারে করে সোনারগাঁয়ের মায়াময়ী গ্রামের উদ্দেশে রওনা হয় পরিবারটি। পথে সোনাময়ী এলাকায় ঝড়ের কবলে পড়ে ট্রলারটি মেঘনায় ডুবে যায়। এতে ট্রলারে থাকা ১৩ জনের মধ্যে আটজন সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হন। পরে উদ্ধারকারী একটি ট্রলার ঘটনাস্থলে গিয়ে কয়েকজনকে উদ্ধারের চেষ্টা করে। এ সময় রায়েসা বেগম (৪০) নামে এক নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এরপর হেলাল উদ্দিন, তার ছেলে সজীব, মেয়ে সামিয়া ও শিশু ছেলে সামিন নিখোঁজ থাকেন। ফায়ার সার্ভিস শুক্রবার দিনভর অভিযান চালিয়েও তাদের সন্ধান পায়নি। শনিবার সকালে সামিয়ার মরদেহ নদীতে ভেসে ওঠে। পরে ডুবুরি দল সজীব ও শিশু সামিনের মরদেহ উদ্ধার করে।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, নিখোঁজ চারজনের মধ্যে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। হেলাল উদ্দিনকে উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স্বজনরা মরদেহগুলো শনাক্ত করার পর কুমিল্লার হোমনার শ্রীমদ্দি গ্রামের বাড়িতে নিয়ে গেছেন।
কেকে/সাশ