দেশের মানুষের নিত্যদিনের বাজার এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে গুটিকয়েক বড় ব্যবসায়ী ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের হাতে। বিশেষ করে ভোজ্যতেল, চাল ও রান্নার গ্যাস; অতি প্রয়োজনীয় এ তিন পণ্যের বাজারে আধিপত্য বিস্তার করে আছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। কখনো কৃত্রিম সংকট, কোথাও অতিরিক্ত মজুত, আবার কখনো কখনো সরবরাহে কারসাজির অভিযোগ উঠছে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে— বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানের আধিপত্য, অটো রাইস মিলের নিয়ন্ত্রণ ও মজুতদারির কারণে নিত্যপণ্যের বাজারে অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। যার সরাসরি চাপ পড়ছে ভোক্তার ওপর।
তথ্যমতে— গত দুই দশকে দেশে ভোজ্যতেল শিল্পে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ক্রমবর্ধমান চাহিদার বিপরীতে ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কমেছে। বর্তমানে দেশে ভোজ্যতেল পরিশোধন ও বাজারজাতকরণে ১১টি প্রতিষ্ঠান কার্যক্রম চালাচ্ছে।
এ প্রসঙ্গে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি এএইচএম সফিকুজ্জামান খোলা কাগজকে বলেন, ‘সবকিছু এখন করপোরেটের দখলে চলে গেছে। মনে হচ্ছে, সরকার জনগণের কথা ভুলে গিয়ে সিন্ডিকেটের পাল্লায় পড়েছে। গ্যাসের ক্ষেত্রে চার-পাঁচটি বড় অপারেটর রয়েছে। একইভাবে রিফাইনারি, তেল ও চিনি ব্যবসায়ও বড় কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ তৈরি হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান বাজারে সরবরাহ কমিয়ে কৃত্রিম সংকট ও অস্থিরতা তৈরি করে, আর একপর্যায়ে সরকারকে দাম বাড়াতে বাধ্য করে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে পণ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যয় কত, সেটি যথাযথভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে না। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, কার্যকর কোনো মনিটরিং আমরা দেখতে পাচ্ছি না।’
তিনি বলেন, ‘সিলিন্ডার গ্যাসের ক্ষেত্রে যদি বেশি টাকা দিলে গ্যাস পাওয়া যায়, তাহলে প্রশ্ন হলো— সংকটটা কোথায়? গত দুই মাসে ১ লাখ ৫৬ হাজার টন করে গ্যাস আমদানি হয়েছে। ফলে চাহিদা ও সরবরাহের হিসাবে বড় ধরনের ঘাটতি থাকার কথা নয়। একসময় অপারেটর ছিল প্রায় ৪০টি। এখন ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো একীভূত হয়ে চার-পাঁচটি বড় প্রতিষ্ঠানের হাতে বাজারের নিয়ন্ত্রণ চলে গেছে। তারাই কার্যত পুরো বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে।’
সফিকুজ্জামান বলেন, ‘সরকারের উচিত এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া এবং বাজারে কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করা। কিন্তু আমরা সে ধরনের পদক্ষেপ দেখছি না। বরং অনেক সময় সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের বক্তব্য অনুযায়ী দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। এতে ভোক্তার ওপরই বাড়তি চাপ পড়ছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘সিলিন্ডার গ্যাসের দাম ২৫২ টাকা বাড়ানোর ফলে বাজারে কৃত্রিমভাবে দাম বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। এ ছাড়া নির্ধারিত মূল্য ১৮৩৭ টাকার সিলিন্ডার বাস্তবে আরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। যা পাইকার, খুচরা বিক্রেতা, ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটর ও অপারেটর; পুরো সরবরাহব্যবস্থার সঙ্গে বিষয়টি জড়িত। সরকারকে অবশ্যই এ পুরো চেইনের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে।’
‘অনেক সময় সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা বলেন, দাম বাড়লেও দ্রব্যমূল্যের ওপর এর প্রভাব পড়বে না। কিন্তু বাস্তবে আমরা তার কোনো কার্যকর প্রতিফলন দেখি না। বাজারে নজরদারি ও সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না থাকলে সাধারণ মানুষকেই এর মূল্য দিতে হবে। এভাবে চলতে থাকলে জনজীবন আরও অতিষ্ঠ হয়ে উঠবে,’ বলেন তিনি।
চার প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে ভোজ্যতেল :
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে দেশে প্রায় ২৫ লাখ ৭ হাজার টন সয়াবিন ও পাম তেল আমদানি হয়েছে। এর প্রায় ৮০ শতাংশই নিয়ন্ত্রণ করছে দেশের চার শীর্ষ প্রতিষ্ঠান— টি কে গ্রুপ, সিটি গ্রুপ, এস আলম গ্রুপ ও মেঘনা গ্রুপ। এক দশক আগে এ চার প্রতিষ্ঠান সম্মিলিতভাবে দেশের ভোজ্যতেলের চাহিদার প্রায় এক-চতুর্থাংশ পূরণ করত। বর্তমানে তাদের সম্মিলিত বাজার অংশীদারত্ব প্রায় তিন গুণ বেড়েছে।
গত দুই দশকে দেশে ভোজ্যতেলের বার্ষিক চাহিদা দ্বিগুণের বেশি বেড়ে প্রায় ৩০ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে। তবে ২০০৮ ও ২০১২ সালে বিশ্ববাজারে ভোজ্যতেলের দামের অস্থিরতার কারণে অনেক আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন।
চট্টগ্রামের ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, ২০০৭ ও ২০০৮ সালে তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমদানি খরচের চেয়ে কম দামে পণ্য বিক্রিতে বাধ্য করায় স্থানীয় শিল্পে সংকট শুরু হয়। এতে দেশের ৩২টি ভোজ্যতেল প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ১৭টি বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০১২ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে নূরজাহান গ্রুপ, এসএ গ্রুপ, ইলিয়াছ ব্রাদার্স ও মোস্তফা গ্রুপসহ অর্ধডজনের বেশি বড় ভোজ্যতেল প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়।
বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সরে যাওয়ার সুযোগে টি কে গ্রুপ, মেঘনা গ্রুপ, সিটি গ্রুপ ও এস আলম গ্রুপ বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্ত করে।
চালের বাজারে অটো মিলের দাপট :
দেশে বোরো ধানের বাম্পার ফলন এবং সরকারি-বেসরকারি গুদামে পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও চালের বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। তথ্য বলছে—সরকারি গুদামে চালের মজুত ১৯ লাখ টনেরও বেশি, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এর বাইরে ধান ও গম মিলে মজুত রয়েছে সোয়া ৫ লাখ টনেরও বেশি। ফলে দেশে খাদ্যঘাটতির আশঙ্কা না থাকলেও অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে চালের দাম।
বিশেষ করে সুগন্ধি চালের দাম নতুন রেকর্ড গড়েছে। ১২০ থেকে ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হওয়া কিছু চালের দাম বেড়ে ২৩০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে। বাজারসংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, মিলার, ব্যাপারী-আড়তদার ও করপোরেট ব্যবসায়ীদের একটি শক্তিশালী চক্র চালের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়াচ্ছে।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) দেশের ৮১০টি বাজারের তথ্য বিশ্লেষণ করে ১০টি নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিভিন্ন ধাপ নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে। গত ৩০ জুলাই প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে চালের বাজারে শক্তিশালী মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেটের ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
বাজার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সরবরাহের কৃত্রিম ঘাটতি, অবৈধ মজুত, অতিরিক্ত হাতবদল এবং বাজারে শক্তিশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর প্রভাব চালের দাম বাড়ানোর অন্যতম কারণ। কৃষক পর্যায় থেকে খুচরা বাজারে পৌঁছানো পর্যন্ত পণ্যভেদে দামের ব্যবধান ১১৬ শতাংশ পর্যন্ত হচ্ছে। ফলে উৎপাদক কৃষক ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, আর ভোক্তাকে দিতে হচ্ছে বাড়তি দাম।
চালের বাজারে বড় করপোরেট প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রবেশও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। করপোরেট খাতের এসিআইয়ের ‘এসিআই পিওর’, স্কয়ারের ‘চাষী’, প্রাণ, মেঘনা গ্রুপের ‘ফ্রেশ’ এবং সিটি গ্রুপের ‘তীর’—এসব ব্র্যান্ড চালের বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে। পাশাপাশি কুষ্টিয়া, নওগাঁ, দিনাজপুর ও শেরপুরসহ বিভিন্ন এলাকার বড় অটো রাইস মিল মালিকদেরও বাজার নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ। কুষ্টিয়ার রশিদ এগ্রোসহ দেশের বড় কয়েকটি অটো রাইস মিলকে ঘিরেও বাজার নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে।
যদিও মিল মালিকরা চালের দাম বাড়ার জন্য ধানের বাড়তি দামকে দায়ী করছেন। পাইকারি আড়তদারদের বক্তব্য, মিলগেট থেকেই বেশি দামে চাল কিনতে হচ্ছে বলে তাদেরও বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। তবে খুচরা বিক্রেতাদের ভাষ্য, মিল পর্যায় থেকেই প্রায় প্রতিদিন নতুন করে চালের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হচ্ছে। ফলে বেশি দামে কেনা চাল কম দামে বিক্রির সুযোগ তাদের নেই।
কৃষক থেকে ভোক্তা, দাম প্রায় দ্বিগুণ :
সিপিডির গবেষণা অনুযায়ী, কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি পাইজাম চাল গড়ে ৩০ টাকা ৬৫ পয়সায় বিক্রি হলেও ব্যাপারী, মিলার, আড়তদারসহ বিভিন্ন স্তর পেরিয়ে খুচরা পর্যায়ে তা বিক্রি হয় ৫৯ টাকা ৬৯ পয়সায়। অর্থাৎ কৃষকের কাছ থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছানো পর্যন্ত দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়। চাল উৎপাদক থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে পাঁচটি ধাপ অতিক্রম করে। এ দীর্ঘ সরবরাহ শৃঙ্খলে সবচেয়ে বেশি মূল্য সংযোজন দেখা যায় মিলার পর্যায়ে গড়ে কেজিপ্রতি প্রায় ১৮ টাকা।
সিপিডির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খুচরা পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধি শুধু উৎপাদন ব্যয় দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। এর পেছনে শক্তিশালী মধ্যস্বত্বভোগী ও অসাধু সিন্ডিকেটের ভূমিকা রয়েছে। উৎপাদক থেকে ভোক্তা পর্যন্ত দীর্ঘ সরবরাহ শৃঙ্খলে কমিশন এজেন্ট ও মধ্যস্বত্বভোগীদের একচেটিয়া প্রভাব রয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী থেকে বড় আমদানিকারকদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক সমঝোতার কারণে বাজারে প্রতিযোগিতা কমে গিয়ে দাম নিয়ন্ত্রণের সুযোগ তৈরি হয়। চালের সরবরাহ শৃঙ্খলে উৎপাদকের পর রয়েছে ব্যাপারী, অটো রাইস মিলার, নগর আড়তদার ও খুচরা বিক্রেতা। এ ক্ষেত্রে মূল্য অস্বাভাবিকতা বা শতাংশভিত্তিক ব্যবধান সবচেয়ে বেশি দেখা গেছে মিলার পর্যায়ে।
এলপিজি নিয়ন্ত্রণ করছে পাঁচ কোম্পানি :
ভোজ্যতেল ও চালের পর এবার এলপিজির বাজারেও কৃত্রিম সংকটের অভিযোগ উঠেছে। পর্যাপ্ত আমদানি ও মজুত থাকার পরও বাজারে সরবরাহ কমিয়ে দাম বাড়ানোর অভিযোগ উঠেছে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে। গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে আইগ্যাস, ওমেরা, পেট্রোম্যাক্স, বিএম এনার্জি ও যমুনা এলপিজির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব কোম্পানি বিক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। অতিরিক্ত অর্থ দিতে না চাইলে সরবরাহ নেই বলে জানানো হচ্ছে।
সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজির এলপিজি সিলিন্ডারের সরকার নির্ধারিত দাম ১ হাজার ৫৮৫ টাকা হলেও বাজারে তা প্রায় ২ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে দাম প্রায় ১ হাজার টাকা বেড়েছে।
পরিস্থিতি বিবেচনায় কৃত্রিম সংকট ও অতিরিক্ত মূল্য আদায়ের অভিযোগ তদন্ত করতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। এর আগে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের বেশি নেওয়া বা কৃত্রিম সংকট তৈরি করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল।
জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) জ্বালানি মন্ত্রণালয়ে দেওয়া এক প্রতিবেদনে পাঁচ কোম্পানির মজুত নিয়ে সরকারকে সতর্ক করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২২ সেপ্টেম্বর থেকে আইগ্যাস, ওমেরা, পেট্রোম্যাক্স, বিএম এনার্জি ও যমুনা এলপিজি আমদানি করা এলপিজির উল্লেখযোগ্য অংশ বাজারে ছাড়েনি। এতে স্বাভাবিক সরবরাহব্যবস্থার বাইরে অতিরিক্ত মজুত করে রাখার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এনএসআইয়ের তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে দেশে প্রায় ১ লাখ ৫৮ হাজার টন এলপিজি আমদানি হয়েছে। আগস্টে আমদানি হয়েছিল প্রায় ১ লাখ ৫৭ হাজার টন। অর্থাৎ আমদানির পরিমাণে বড় কোনো ঘাটতি ছিল না।
তবে অক্টোবর থেকে এলপিজির মার্কেট প্রিমিয়াম প্রতি টনে প্রায় ৬৪ ডলার বেড়েছে। এর আগে আমদানি করা এলপিজি ইচ্ছাকৃতভাবে মজুত রেখে পরে দাম সমন্বয়ের পর বাজারে ছাড়া হয়েছে কি না, তা তদন্তের সুপারিশ করেছে এনএসআই।
কেকে/ এমএস