রোববার, ১ নভেম্বর ২০২৬,
১৭ কার্তিক ১৪৩৩
বাংলা English
ই-পেপার

রোববার, ১ নভেম্বর ২০২৬
শিরোনাম: ● অক্টোবরে রেমিট্যান্সে রেকর্ড, দেশে এসেছে ২৮৭ কোটি ডলার      ● পোশাক কারখানার উৎপাদন সচল রাখতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ      ● রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর      ● গার্মেন্টস শ্রমিকদের নতুন মজুরি নির্ধারণে বোর্ড গঠন, গেজেট প্রকাশ      ● ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ জনের প্রাণহানি      ● শ্রমিকদের বিক্ষোভে রাষ্ট্রবিরোধী চক্র যুক্ত হতে পারে: পুলিশ      ● শ্রমিক অসন্তোষের পেছনে রাজনৈতিক ইন্ধন রয়েছে: শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী      
দেশজুড়ে
পদ্মার ভাঙনে নদীগর্ভে আট কোটি টাকার সেতু
ফরিদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৪৮ পিএম
ছবি: প্রতিনিধি

ছবি: প্রতিনিধি

ফরিদপুরে পদ্মা নদীর তীব্র ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে প্রায় আট কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৪০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু। নির্মাণের মাত্র ছয় বছরের মাথায় সেতুটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ায় দুই জেলার অন্তত দুই হাজার মানুষের যাতায়াতের পথ বন্ধ হয়ে গেছে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের কবিরপুর গ্রামে সেতুটি পদ্মার ভাঙনে ধসে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে এলজিইডির উদ্যোগে সাত কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়। সেতুটির দৈর্ঘ্য ছিল ৪০ মিটার এবং প্রস্থ ১২ ফুট। এটি ফরিদপুর সদর উপজেলার নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কবিরপুর এলাকায় অবস্থিত।

সেতুটি দিয়ে ফরিদপুরের নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের আজমত আলী মণ্ডলের ডাঙ্গী, মোনতাজ মাদবরের ডাঙ্গী ও আদর্শ গ্রামের বাসিন্দাদের পাশাপাশি মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার লেছড়াগঞ্জ ইউনিয়নের সেলিমপুর, জয়পুর, নতুন হাট, গঙ্গাবর্দী, হরিহরদিয়া, পাটগ্রাম ও নটাখোলা গ্রামের মানুষ যাতায়াত করতেন। সেতুটি ভেঙে পড়ায় এ সব এলাকার অন্তত দুই হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

‎নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মোস্তাকুজ্জামান বলেন, ‘সেতুটির পূর্ব পাশের পাইলিংয়ের নিচ থেকে মাটি সরে যাওয়ায় সেতুটি নদীতে ধসে পড়ে। সেতুটি রক্ষার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড ওই এলাকায় বালুর বস্তা ফেললেও তা কোনো কাজে আসেনি।’

‎এ ব্যপারে ফরিদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া জানান, সেতুটি রক্ষার জন্য ১৫০ মিটার অংশে বালুর বস্তা ফেলা হয়েছিল। কিন্তু নদীভাঙন চলেছে অন্তত দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে। ফলে সেতুটি রক্ষা করা সম্ভব হয়নি। তাছাড়া এ বর্ষার মধ্যে সেতু রক্ষায় শক্তিশালী উদ্যোগ নেওয়া যায়নি।

‎এ বিষয়ে ফরিদপুর স্থানীয় সরকার বিভাগের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম বলেন, ‘ওই এলাকায় গত কয়েকমাস ধরে তীব্র ভাঙ্গন দেখা দেয়। যা দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছরে এমন ভাঙন দেখা যায়নি।’ 

এলাকাবাসী বলছেন, নদী ভাঙতে ভাঙতে তার পুরোনো জায়গায় ফিরে আসছে।

‎‎এ বিষয়ে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিব হোসেন বলেন, ‘সেতুটির দুই দিকে পদ্মা নদীর দুটি ধারা রয়েছে। দুটি ধারাতেই ভাঙন চলছে। চরের মাঝখানে সেতুটি নির্মাণ করেছিল এলজিইডি। পদ্মা নদীতে ভাঙতে ভাঙতে অন্তত ৫০০ মিটার ভেতরে চলে এসেছে। এ অবস্থায় ভাঙন রোধে পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হয়নি। পানি কমলে বিশেষজ্ঞ দল এনে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

কেকে/এআই


আরও সংবাদ   বিষয়:  ফরিদপুর   পদ্মা   ভাঙন   নদীগর্ভে   সেতু  
মতামত লিখুন:
Loading...
Loading...

দেশজুড়ে- এর আরো খবর

সম্পাদক ও প্রকাশক : আহসান হাবীব
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : বসতি হরাইজন, ১৭-বি, বাড়ি-২১ সড়ক-১৭, বনানী, ঢাকা-১২১৩
ফোন : বার্তা-০২২২২২৭৬০৩৭, মফস্বল-০২২২২২৭৬০৩৬, বিজ্ঞাপন ও সার্কুলেশন-০২২২২২৭৬০২৯, ০১৭৮৭৬৯৭৮২৩, ০১৮৫৩৩২৮৫১০ (বিকাশ)
ই-মেইল: [email protected], [email protected]

© 2025 Kholakagoj
🔝
close