কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় ২৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ বাদলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের এক নেতাসহ ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ।
সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকালে ইটনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে সোমবার ভোরে উপজেলার বাদলা ইউনিয়নের থানেশ্বর গ্রামে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন বাদলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি মোহাম্মদ রামিম হাসান ওরফে মানার ভূইয়া (২২)। তিনি উপজেলার থানেশ্বর ডোমহাটি এলাকার নূরুল হক ভূইয়ার ছেলে।
পুলিশ জানায়, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার ভোরে উপজেলার বাদলা ইউনিয়নের থানেশ্বর গ্রামের একটি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় সন্দেহভাজন ছয়জনকে আটক করা হয়। পরে তাদের কাছ থেকে ২৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার করা মাদক জব্দের পাশাপাশি আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আটক অন্য পাঁচজন হলেন থানেশ্বর এলাকার ছাতু ভূইয়ার ছেলে মো. মনির ভূইয়া (২০) ও মৃত মুঞ্জু ভূইয়ার ছেলে মো. সারোয়ার (২৭), থানেশ্বর নয়াবাড়ী এলাকার রেজওয়ান ভূইয়ার ছেলে মো. সাব্বির (২০), বর্শিকুড়া দরগাপাড়া এলাকার আ. রাজ্জাক ভূইয়ার ছেলে মো. এশারুল মোল্লা (৩৮) এবং দক্ষিণ বর্শিকুড়া আওগাহাটি এলাকার কডু মিয়ার ছেলে মো. আরিফ (২৬)। তাদের সবার বাড়ি ইটনা উপজেলায়।
আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বাদলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি থাকায় বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ বিষয়ে বাদলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি আমার সিনিয়রদের জানিয়েছি। তারা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেবেন।’
ইটনা উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আজাদুর রহমান সুজন বলেন, ‘আমি আমার সদস্যসচিবের সঙ্গে কথা বলে মানার ভূইয়ার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব।’
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শরীফুল ইসলাম নিশাদের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।
ইটনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ খান বলেন, ‘গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মাদক উদ্ধারের ঘটনায় আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’
কেকে/এআই